Roopa Ganguly: 'পুলিশ ভয় দেখিয়েছে, দিনের পর দিন মার খেয়েছি.. কিছুই ভুলিনি', বিজেপির টিকিট পেয়ে বললেন রূপা গঙ্গোপাধ্যায়
Roopa Ganguly News: নির্বাচনে লড়তে নামার আগে রূপা বলছেন, 'পশ্চিমবঙ্গে আমরা যেভাবে দিনের পর দিন মার খেয়েছি, আমি সেটা ভুলিনি। আমাদের কার্যকর্তারা মার খেয়েছেন..'

কলকাতা: বিজেপির দ্বিতীয় দফার তালিকায় নাম রয়েছে তাঁর। সোনারপুর দক্ষিণ থেকে ২০২৬ -এর নির্বাচনে লড়বেন রূপা গঙ্গোপাধ্যায় (Roopa Ganguly)। বিজেপির টিকিটে এবার নতু কেন্দ্রে লড়াই তাঁর, প্রচার ও শুরু করবেন শীঘ্রই। তার আগে, এবিপি আনন্দকে কী বললেন রূপা গঙ্গোপাধ্যায়?
নির্বাচনে লড়তে নামার আগে রূপা বলছেন, 'পশ্চিমবঙ্গে আমরা যেভাবে দিনের পর দিন মার খেয়েছি, আমি সেটা ভুলিনি। আমাদের কার্যকর্তারা মার খেয়েছেন.. আমরা বারুইপুর গিয়েছিলাম। ৫ জন মিলে আমাদের কার্যকর্তাদের মেরেছিল সিপিএম এবং টিএমসি মিলে। তাদের গ্রেফতার করানোর জন্য আমায় ঘোষাল বাড়িতে ২-৩টে রাত থাকতে হয়েছিল। সেই জন্য আমি নাকি বন্দুক চালাতে পারি বলে আমায় অনেক কথাও শুনতে হয়েছিল। তখন আমি এমপি। তার আগে মারধর খেয়েছি বলে আমায় CRPF দেওয়া হয়েছিল। শয়ে শয়ে লোকের সামনে পুলিশ এসে আমায় ভয় দেখিয়েছিল। বলেছিল, আপনার CRPF তো বন্দুক চালাতে পারবে না আমরা অনুমতি না দিলে। তাহলে আপনাকে রক্ষা করবে কে? এই দিনগুলো আমি ভুলিনি। আমি বলেছিলাম, আমি নিজেই বন্দুক চালাতে পারি। আত্মরক্ষার আইন আমি জানি। আমি নিজেই বন্দুক কেড়ে নিয়ে বন্দুক চালাব প্রয়োজন হলে। আমায় ভয় দেখালে হবে না, আপনি ওদের ধরে আনুন। পুলিশকে আমি পরিষ্কার বলি, আমি জানি, আপনারাও জানেন ওরা কোথায় রয়েছে। বানতলা পালিয়ে গিয়েছিল। দিনগুলো আমি ভুলিনি।'
রূপা গঙ্গোপাধ্যায় আরও বলেন, 'ওখানে অনেক বোমার কারখানা আছে। একটা কারখানায় বিস্ফোরণ হয়ে বহু মানুষ আহত হন। তারপরে ১ বছর, ৬ মাসের জন্য সেটা বন্ধ ছিল। তারপরে ছেলের বউয়ের নামে সেই বোমা কারখানা ফের চালু হয়ে যায়। পশ্চিমবঙ্গের মানুষেরা ছোট ছোট বাচ্চাদের এই সমস্ত বোমা কারখানায় কাজ করতে পাঠাতে বাধ্য হচ্ছেন তাঁরা দিনে ১০০ টাকা, ১২০ টাকা পাবেন বলে। স্কুলে যায় না তারা। এই দিনটা আমরা আর কতদিন দেখব?'
যাদবপুর লোকসভা কেন্দ্রের মধ্যে পড়ে সোনাপুর দক্ষিণ, সেখানে গতবার ২০ হাজার লিড ছিল। সেই ভোট কীভাবে নিজের দিতে টানবেন রূপা? অভিনেত্রী বলছেন, 'ভোটের সংখ্যাতত্ত্ব নিয়ে আমি খুব একটা মাথা ঘামাই না। মানুষের কাছে পৌঁছনোটা অনেক বেশি প্রয়োজন। মানুষ যেটা ঠিক করেন, সেটাই হবে। আগের যা যা নির্বাচনে, যা যা সংখ্যাতত্ত্ব রয়েছে... আপনারা ভুলবেন না যে এখানে মৃত ভোটারদের বাঁচিয়ে রাখার একটা রেওয়াজ ছিল। সবাই সেটা করেছেন এবং পোক্ত হয়েছেন তাতে। বলা হয়েছে, বাড়িতে সাদা থান দিয়ে আসব। মানুষের কাছে আমার প্রশ্ন, এর শেষ কবে হবে?'





















