Rudranil Ghosh: 'রুদ্রনীল নয়, মানুষ পাপাই বলে আমায় চেনেন! ভোটপ্রচারে তাই মনের কথা খুলে বলেছেন'
Election 2026 News: ইভিএম খুলবে সোমবার। তার আগে, নিজের মতো করেই গণনা শুরু করে দিয়েছেন, রুদ্রনীল ঘোষ

কলকাতা: দেড় মাস ধরে প্রচার, দরজায় দরজায় ঘোরা... অবশেষে নির্বাচন। ভোট হয়ে গিয়েছে ২৩ আর ২৯ এপ্রিল। ইভিএম বন্দি বঙ্গবাসীর মতামত। গণনা হবে, ৪ তারিখ। তার আগে, এক রুদ্ধশ্বাস অপেক্ষায় দিন গুনছেন সমস্ত প্রার্থীরাই। তবে এখন প্রচারে বেরনোর ব্যস্ততা নেই, মিটিংয়ের পর মিটিং নেই.. তাই কিছুটা বিশ্রামের মোডে প্রায় সমস্ত দলের প্রার্থীরাই। একজন লড়াই করছেন শিবপুর থেকে, আরেকজন আসানসোল দক্ষিণ থেকে। কীভাবে সময় কাটাচ্ছেন বিজেপি প্রার্থী রুদ্রনীল ঘোষ (Rudranil Ghosh)? খোঁজ নিল এবিপি আনন্দ (ABP Ananda)।
রুদ্রনীল নয়, শিবপুরে প্রচার করেছেন 'পাপাই'
ইভিএম খুলবে সোমবার। তার আগে, নিজের মতো করেই গণনা শুরু করে দিয়েছেন, রুদ্রনীল ঘোষ। এবিপি আনন্দকে তিনি বললেন, 'হাড়ভাঙা পরিশ্রম তো গিয়েছেন। এত পাড়া, এতগুলো জায়গায় পৌঁছনো.. কারণ না গেলে তাঁরা আবার অভিমান করছেন। 'আচ্ছা তুমি ওই পাড়ায় গেলে, এই পাড়ায় এলে না..' যেখানেই যাই না কেন, অন্তত ১০ জন অন্তর অন্তর এমন মানুষ রয়েছেন, যাঁরা আমায় ছোটবেলা থেকে চেনেন, জানেন। আমার বাবা মাকেও জানেন। এই জায়গা আমায় রুদ্রনীল ঘোষের থেকেও বেশি চেনে পাপাই বলে। দল মতের বাইরে এসেছে তাঁরা কথা বলেছেন, নিজেদের অভাব অভিযোগের কথা জানিয়েছেন। আমরা সাধারণত দেখে অভ্যস্ত, হাত জোড় করে কুশল বিনিময় করে প্রার্থী চলে যান, ২ মিনিট সময় লাগে। তা না হয়ে, প্রত্যেকটি পরিবার, প্রত্যেকটি গলি, প্রত্যেকটি রাস্তা, তাঁদের অঞ্চলের দুর্দশার কথা সুচিন্তিতভাবে জানিয়েছেন। নিজেদের মনের কথা বলেছেন। পরিশ্রম তো গেছেই। তবে প্রচারের নির্ঘন্ট শেষ হয়ে যাওয়ার পরে, নির্বাচনের চাপ ছিল। শাসকদল জনগণের বিরুদ্ধে যুদ্ধঘোষণা করে এমন আবহ তৈরি করতে চেয়েছিলেন, যাতে তাঁরা ভোটগ্রহণ কেন্দ্রে না আসতে পারেন। তাঁদের আটকে দিয়েছেন। শাসক দল বলেছিল, ভোট দিতে যাওয়া যাবে না। কারণ তাঁরা বুঝে গিয়েছিলেন, ১৫ বছর ধরে তাঁরা যে নাগরিক অসম্মানটা করেছেন পরিষেবা না দিয়ে, তাতে মানুষ তাঁদের প্রতি আস্থা শুধু হারিয়েছেন তা নয়, মানুষ কোনও একটা বদল চাইছেন।'
নিজের শিকড় থেকে অনেক প্রত্যাশা রুদ্রনীলের, তা পূরণ হবে তো? উত্তর মিলবে ৪ তারিখ।
সেরা শিরোনাম




















