Suvendu Adhikari: 'বিদায়ী মুখ্যমন্ত্রীকে বাড়তি সুবিধা নেওয়া থেকে বিরত থাকতে বাধ্য করা হয়েছে', মমতার স্ট্ররুমে যাওয়াকে কটাক্ষ শুভেন্দুর
Mamata Banerjee: বৃহস্পতিবার উত্তপ্ত হয়ে ওঠে কলকাতার দুই প্রান্তের দুটি স্ট্রংরুম কেন্দ্র। ক্ষুদিরাম অনুশীলন কেন্দ্র এবং সাখাওয়াত মেমোরিয়াল গার্লস হাইস্কুল।

কলকাতা: বৃহস্পতিবারের পর শুক্রবার। স্ট্রংরুম নিয়ে এখনও তুঙ্গে সংঘাত। কারচুপির অভিযোগ তুলে বৃহস্পতিবার সাখাওয়াত মেমোরিয়ালে পৌঁছে গিয়েছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। শুক্রবার সেখানে পৌঁছলেন শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। আর ৪৮ ঘণ্টা! তারপরই জানা যাবে, ৫ বছরের জন্য় পশ্চিমবঙ্গের রাশ কাদের হাতে যেতে চলেছে! কিন্তু,তার আগে স্ট্রংরুম যুদ্ধ চরমে উঠেছে! স্ট্রংরুমের বাইরে ধুন্ধুমার! তৃণমূল বনাম বিজেপি! কখনও যাচ্ছেন মমতা বন্দ্য়োপাধ্য়ায় (Mamata Banerjee)। কখনও শুভেন্দু অধিকারী। সমর্থকদের স্লোগানের লড়াই! সবার একটাই মানসিকতা, বিনা যুদ্ধে নাহি দিব সূচ্যগ্র মেদিনী!
স্ট্রংরুমে মমতা-শুভেন্দু
বৃহস্পতিবার উত্তপ্ত হয়ে ওঠে কলকাতার দুই প্রান্তের দুটি স্ট্রংরুম কেন্দ্র। ক্ষুদিরাম অনুশীলন কেন্দ্র এবং সাখাওয়াত মেমোরিয়াল গার্লস হাইস্কুল। একটিতে উত্তর কলকাতার বিধানসভা কেন্দ্রগুলির EVM রাখা আছে...অন্যটি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও শুভেন্দু অধিকারীর কেন্দ্র ভবানীপুরের স্ট্রংরুম। স্ট্রংরুমের ভিতরে কারচুপি করা হচ্ছে। এই অভিযোগে প্রথমে ক্ষুদিরাম অনুশীলন কেন্দ্রের বাইরে অবস্থানে বসে পড়েন, তৃণমূলের দুই প্রার্থী কুণাল ঘোষ ও শশী পাঁজা। অন্যদিকে সাখাওয়াত মেমোরিয়াল গার্লস স্কুলের স্ট্রংরুম সেন্টারে পৌঁছে যান মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বসে থাকেন দীর্ঘক্ষণ। তোলেন চাঞ্চল্য়কর অভিযোগ!
মমতার অভিযোগের পাল্টা শুভেন্দু
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় পৌঁছনোর পরই সেখানে চলে আসেন শুভেন্দু অধিকারীর নির্বাচনী এজেন্ট। পরিস্থিতি উত্তেজনাপূর্ণ হয়ে ওঠে। রাত সাড়ে বারোটা নাগাদ সাখাওয়াত মেমোরিয়াল থেকে বেরিয়ে যায় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এরপরে, শুক্রবার সমাজমাধ্যমে একটি পোস্টে শুভন্দু অধিকারী লেখেন, 'ভবানীপুর নির্বাচনী এলাকা-সহ সমগ্র পশ্চিমবঙ্গবাসী ভোটার ভদ্রমণ্ডলীকে আশ্বস্ত করতে চাই যে, এই কেন্দ্রের তৃণমূল কংগ্রেস প্রার্থী তথা বিদায়ী মুখ্যমন্ত্রী, মাননীয়াকে কোনওরকম বাড়তি সুবিধা নেওয়া থেকে বিরত থাকতে বাধ্য করা হয়েছে। উনি যতই চেষ্টা চালান না কেন, কোনও রকম নিয়ম বহির্ভূত কাজ তিনি করতে পারেননি। উনি যতক্ষণ স্ট্রংরুম প্রাঙ্গণে উপস্থিত ছিলেন, আমার ইলেকশন এজেন্ট অ্যাডভোকেট সূর্যনীল দাস নিজে উপস্থিত থেকে ওঁকে কড়া নজরদারির মধ্যে রেখেছিলেন যাতে উনি কোনও অসৎ উপায় অবলম্বন করতে না পারেন।'
মমতাকে নিশানা শুভেন্দুর
শুক্রবার সাখাওয়াত মেমোরিয়ালের স্ট্রংরুমে যান শুভেন্দু অধিকারী। সেখানে গিয়ে তিনি বলেন, 'ওঁর এটা একটা বদঅভ্যাস আছে, ধর্না দেওয়া, বসা। যেহেতু ওঁর জন্য পাঁচ তারা হোটেলের ওয়াশরুম এসেছিল, ওটা বিজেপি কর্মীরা তাড়িয়ে দিয়েছে। ওইজন্য ওঁকে পালাতে হয়েছে। নাহলে উনি পরিকল্পনা করে এসেছিলেন, এখানে যতক্ষণ না হারছেন ৪ তারিখে, ততক্ষণ বসে থাকতেন।' শেষমেশ স্ট্রংরুমের ভিতর থেকে কী ফল বেরিয়ে আসে, তা স্পষ্ট হবে সোমবার।




















