Bengal Election 2026: মমতার কেন্দ্রে বিজেপি প্রার্থী হিসাবে আজ মনোনয়ন জমা শুভেন্দুর, উপস্থিত থাকবেন অমিত শাহ
Suvendu Adhikari Nomination File Election 2026: ১৪২টি আসনের জন্য আজ থেকে শুরু হচ্ছে দ্বিতীয় দফার মনোনয়ন পর্ব। ভবানীপুরে মনোনয়ন জমা দেবেন শুভেন্দু অধিকারী।

কলকাতা: ভবানীপুরের মহারণের ঢাকে রণবাদ্যের জোরাল কাঠি। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কেন্দ্রে বিজেপি প্রার্থী হিসাবে আজ মনোনয়ন জমা শুভেন্দু অধিকারীর (Suvendu Adhikari)। মনোননয়ন পর্বে উপস্থিত থাকছেন অমিত শাহ (Amit Shah)। গতকাল রাতেই কলকাতায় পৌঁছেছেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। বিধানসভা নির্বাচনে (West Bengal Assembly Election 2026) ১৪২টি আসনের জন্য আজ থেকে শুরু হচ্ছে দ্বিতীয় দফার মনোনয়ন পর্ব। আর এই পর্বেই ভবানীপুর কেন্দ্রের জন্য মনোনয়ন জমা দেবেন বিরোধী দলনেতা।
আজ সকাল সাড়ে ১১টা নাগাদ হাজরা মোড়ে পৌঁছে কর্মীদের উদ্দেশে বার্তা দেওয়ার কথা অমিত শাহর। তারপর প্রার্থীদের নিয়ে মনোনয়নের জন্য হুডখোলা গাড়িতে রওনা হবেন তিনি। আলিপুর মিউজিয়ম পর্যন্ত যাবে ওই প্রচার গাড়ি। সেখানে নেমে ২০০ মিটার হেঁটে গিয়ে আলিপুর সার্ভে বিল্ডিংয়ে মনোনয়ন জমা দেবেন শুভেন্দু অধিকারীরা। বেলা ১২টা নাগাদ মনোনয়ন জমা দেওয়ার কথা শুভেন্দু অধিকারীর, সেখানেও থাকবেন অমিত শাহ। মনোনয়ন পর্ব শেষে বিকেলে কলকাতা ছাড়বেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।
গতকাল 'ভবানীপুরে জিতবে যে, মুখ্যমন্ত্রী হবে সে', ভবানীপুরে হাইভোল্টেজ প্রচার-যুদ্ধের আগে এই স্লোগানই উঠে। জনসংযোগে শুভেন্দু, পাল্টা জয় বাংলা স্লোগানও দেওয়া হয়। অবশ্য শুভেন্দু নিজে বলছেন, 'কর্মীদের আবেগ আছে, মোদি ঠিক করবেন (কে মুখ্যমন্ত্রী হবেন)'
অমিত শাহের আগমন উপলক্ষ্যে শহরে সাজ সাজ রব। অমিত শাহর পথসভা উপলক্ষ্যে হাজরা মোড়ে একটি মঞ্চ বাঁধা হয়েছে। বিজেপির তরফে বাঁধা ওই সভার নাম দেওয়া হয়েছে 'বিজয় সংকল্প সভা'। এই পথসভা উপলক্ষ্যে বিভিন্ন জায়গার সাধু, সন্তরা উপস্থিত হয়েছেন। এদিন শুভেন্দু অধিকারীর পাশাপাশি উপস্থিত থাকছেন স্বপ্নন দাশগুপ্ত, শতরূপারাও। অর্থাৎ শুধু বিরোধী দলনেতা নন, বালিগঞ্জ, রাসবিহারীর বিজেপি প্রার্থীরাও এই পথসভায় উপস্থিত থাকছেন।
এই পথসভার উপলক্ষ্যে চারিদিকে পড়েছে ফ্লেক্স, ব্যানার। একদিকে যেখানে অমিত শাহর ফ্লেক পড়েছেন, ঠিক তারই পাশে পাশে কিন্তু রাসবিহারীর তৃণমূল প্রার্থী দেবাশীষ কুমারেরও ফ্লেক্স লাগানোর কাজ করছেন তৃণমূল কর্মীরা। এই নিয়ে যাতে কোনওরকম সমস্যা, ঝামেলার সৃষ্টি না হয়, সেই বিষয়ে তৎপর কেন্দ্রীয় বাহিনী। গোটা এলাকায় তাঁরা মজুত রয়েছেন। পুলিশের সিনিয়র অফিসাররা করছেন রুট মার্চ। চারিদিকে দেওয়া হচ্ছে গার্ড রেল। সবমিলিয়ে এক বর্ণাঢ্য অনুষ্ঠানের আগে শেষবেলার প্রস্তুতি একেবারে তুঙ্গে। জোরকদমে চলছে নিরাপত্তা সুনিশ্চিত করার প্রক্রিয়াও। এবার অপেক্ষা কেবল অনুষ্ঠান শুরু হওয়ার।




















