West Bengal Assembly Election 2026: ভোটের আগে রাজ্যে আরও ১৫০ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী, নিরাপদ-সুষ্ঠু নির্বাচন করাতে তৎপর কমিশন
Central Force: মোট ২৫৫০ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী ভোটের সময় থাকবে এ রাজ্যে। আড়াই লক্ষেরও বেশি কেন্দ্রীয় বাহিনী দিয়ে এবার পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা নির্বাচন করাতে উদ্যোগী জাতীয় নির্বাচন কমিশন।

West Bengal Assembly Election 2026: পশ্চিমবঙ্গের ভোটে আসছে আরও কেন্দ্রীয় বাহিনী। জানা গিয়েছে, আরও দেড়শো কোম্পানি অতিরিক্ত বাহিনী পাঠাচ্ছে কেন্দ্র। নিরাপদে এবং সুষ্ঠু ভাবে ভোট করাতে তৎপর নির্বাচন কমিশন। আর তাই বিধানসভা নির্বাচনের আগে পশ্চিমবঙ্গে আসছে আরও ১৫০ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী। অর্থাৎ ভোটের সময় আগের ২৪০০ কোম্পানির সঙ্গে আরও ১৫০ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী থাকবে ময়দানে। অতিরিক্ত বাহিনী পাঠানোর কথা জানিয়ে রাজ্যকে চিঠি পাঠিয়েছে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক। অর্থাৎ মোট ২৫৫০ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী ভোটের সময় থাকবে এ রাজ্যে। আড়াই লক্ষেরও বেশি কেন্দ্রীয় বাহিনী দিয়ে এবার পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা নির্বাচন করাতে উদ্যোগী জাতীয় নির্বাচন কমিশন।
পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা নির্বাচনের ক্ষেত্রে সম্প্রতি আরও কয়েকটি কড়া পদক্ষেপ নিয়েছে জাতীয় নির্বাচন কমিশন। তার মধ্যে একটি হল ভোটের কাজে সিভিক পুলিশদের ব্যবহার করা যাবে না। পশ্চিমবঙ্গে এবার বিধানসভা নির্বাচন হতে চলেছে ২ দফায়। প্রথম দফা ২৩ এপ্রিল। সেদিন ১৫২ আসনে ভোট গ্রহণ হবে। দ্বিতীয় দফা ২৯ এপ্রিল। সেদিন ১৪২ আসনে ভোট গ্রহণ হবে। আগামী ৪ মে হবে ভোট গণনা।
ভোটের কাজে সিভিক পুলিশে না
ভোটের রাজ্যে ফের কড়া পদক্ষেপ জাতীয় নির্বাচন কমিশনের। এবারও ভোটের কাজে সিভিক ভলান্টিয়ার, গ্রিন পুলিশকে নিষিদ্ধ করল নির্বাচন কমিশন। রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিককে লেখা চিঠিতে নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, ভোটের কাজে সিভিক পুলিশ, গ্রিন পুলিশ বা স্টুডেন্ট পুলিশকে কোনওভাবেই মোতায়েন করা যাবে না। এমনকী, ভোটের ৩ দিন আগে ও পরের দিন ইউনিফর্ম পরে কোনও ধরনের ডিউটি করতে পারবেন না সিভিক ভলান্টিয়াররা।
কখন হবে রি-পোল অর্থাৎ পুনর্নিবাচন
বুধবার, ভার্চুয়াল মাধ্যমে রাজ্যের সমস্ত ভোট পর্যবেক্ষকদের সঙ্গে বৈঠকে বসেন মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার এবং রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক মনোজ আগরওয়াল। সেই বৈঠকে পর্যবেক্ষকদের কাছে স্পষ্ট করে দেওয়া হয় - কোন কোন ক্ষেত্রে পুর্ননির্বাচন হবে। সূত্রের খবর, জ্ঞানেশ কুমার বলেন, কমিশনের ৩ হাজার ক্যামেরা বুথের ভিতর-বাইরে, রাস্তায়, নাকা চেকিং-এর কাজ করছে। বুথের ক্যামেরায় কালো কাপড় বা বুথের ক্যামেরা বন্ধ দেখলে অবিলম্বে সেখানে পুনর্নিবাচন ঘোষণা করতে হবে। মুখ্য নির্বাচন কমিশনার বলেন, অতীতে এই নজির আছে এ রাজ্যে, তাই নির্বাচনের সঙ্গে যুক্ত সবাইকে এবিষয়ে সতর্ক করবেন পর্যবেক্ষকরা। ক্যামেরায় গলদ দেখলেই সঙ্গে সঙ্গে পুনর্নির্বাচনের সিদ্ধান্ত নিতে হবে।





















