TMC: তৃণমূলের ১১ প্রার্থী এখনও 'বিবেচনাধীন', ভোটে দাঁড়াতে পারবেন? হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতিকে ই-মেল
SIR: তৃণমূল কংগ্রেসের তরফে দীর্ঘ চিঠি প্রধান বিচারপতিকে ই-মেল করে পাঠিয়েছেন রাজ্যের মন্ত্রী তথা বিধানসভা নির্বাচনের প্রার্থী চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য ।

কলকাতা: এক সাংবাদিক বৈঠকে ২৯১ কেন্দ্রের প্রার্থী ঘোষণা করেছিল তৃণমূল কংগ্রেস । অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় ও সুব্রত বক্সিকে পাশে বসিয়ে মুখ্যমন্ত্রী তথা তৃণমূল কংগ্রেসের সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জানিয়ে দেন উত্তরবঙ্গে তিনটি আসন ছাড়া হচ্ছে জিটিএ-কে । বাকি ২৯১ কেন্দ্রে প্রার্থী দিচ্ছে TMC ।
তবে সেই তালিকায় থাকা তৃণমূলের ১১ জন প্রার্থী এখনও এসআইআর তালিকায় 'বিবেচনাধীন' । সাপ্লিমেন্টারি লিস্টেও তাঁদের নাম বেরোয়নি । যার প্রতিবাদে কলকাতা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতিকে ই-মেল পাঠাল তৃণমূল কংগ্রেস । বিবেচনাধীন প্রার্থীদের দ্রুত নিষ্পত্তি চেয়ে আবেদন করা হয়েছে ।
ঘটনা হচ্ছে, সংশোধিত তালিকায় এখনও নাম নেই মন্ত্রী শশী পাঁজার । এছাড়া নাম নেই কাজল শেখ, গোলাম রব্বানি
শ্যামপুকুরের তৃণমূল প্রার্থী হয়েছেন শশী পাঁজা । বীরভূমের হাসনের তৃণমূল প্রার্থী কাজল শেখ । গোয়ালপোখরের তৃণমূল প্রার্থী গোলাম রব্বানি । এছাড়া জাকির হোসেন, স্বাতী খন্দকার, বায়রন বিশ্বাসদের নামও রয়েছে 'বিবেচনাধীন' তালিকায় ।
তৃণমূল কংগ্রেসের তরফে দীর্ঘ চিঠি প্রধান বিচারপতিকে ই-মেল করে পাঠিয়েছেন রাজ্যের মন্ত্রী তথা বিধানসভা নির্বাচনের প্রার্থী চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য । সেই চিঠিতে বলা হয়েছে, ২৩ এপ্রিল যে ১৫২ আসনে ভোট হবে, তার জন্য মনোনয়ন জমা করার শেষ দিন ৬ এপ্রিল । যদি তার মধ্যে বিবেচনাধীন প্রার্থীদের নিষ্পত্তি না হয়, সেক্ষেত্রে মনোনয়ন জমা দেওয়া নিয়েই তৈরি হয়ে যাবে প্রশ্ন ।
একইভাবে ২৯ এপ্রিল যে ১৪২ আসনে ভোট হবে, তার জন্য মনোনয়ন জমা করার শেষ দিন ৯ এপ্রিল । যদি তার মধ্যে বিবেচনাধীন প্রার্থীদের নিষ্পত্তি না হয়, সেক্ষেত্রেও মনোনয়ন জমা দেওয়া নিয়ে থাকবে সংশয় । সুতরাং তার আগে যেন নিষ্পত্তি হয়, চিঠিতে সেই আবেদনই জানানো হয়েছে ।
মনোনয়ন দাখিল করার সময় ভোটার তালিকায় নাম থাকতেই হবে । তাই সরাসরি কলকাতা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতির হস্তক্ষেপ দাবি করা হয়েছে । সুপ্রিম কোর্ট ২০ ফেব্রুয়ারি যে রায় দিয়েছিল, সেটাও চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছে । তৃণমূল কংগ্রেসের পক্ষ থেকে চিঠিতে দাবি করা হয়েছে, যে ৩ লক্ষ ১৬ হাজার মানুষের নাম বাদ গিয়েছে, তাঁদের নাম দৈনন্দিন তালিকা করে প্রকাশ করা হোক । সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ মেনে যেন দ্রুত মীমাংসা করা হয়, সেই দাবি করা হয়েছে।





















