Mamata Banerjee: 'গায়ে হাত দিলে, অসম্মান করলে মেয়েরা প্রতিবাদ করবে', কেন হঠাৎ এই কথা বললেন মুখ্যমন্ত্রী?
West Bengal Assembly Election 2026: বিভিন্ন জায়গায় সভা করছেন। প্রচারের মাঝেই কেন্দ্রীয় সরকার ও নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে তোপও দেগেছেন মুখ্যমন্ত্রী। এবার মুর্শিদাবাদের বড়ঞার সভা

মুর্শিদাবাদ: কেন্দ্রীয় বাহিনীকে হুঁশিয়ারি বিতর্কের মধ্যেই মহিলাদের রুখে দাঁড়ানোর ডাক মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের। নির্বাচনের প্রচারে রাজ্যজুড়ে ঘুরছেন তৃণমূল সুপ্রিমো। বিভিন্ন জায়গায় সভা করছেন। প্রচারের মাঝেই কেন্দ্রীয় সরকার ও নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে তোপও দেগেছেন মুখ্যমন্ত্রী। এবার মুর্শিদাবাদের বড়ঞার সভা থেকে মহিলাদের আরও একবার এগিয়ে আসার ও রুখে দাঁড়ানোর বার্তা দিলেন তিনি। এদিন সভা থেকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, ''শুনেছি পরশুদিন ITBP-র ডিজি এসেছিল কলকাতায়। বলেছিল যে মেয়েদের পরীক্ষা করে দেখা হবে। আমি বলেছিলাম যে বাংলার মেয়েরা অন্য়রকম। তাই গায়ে হাত দিলে, অসম্মান করলে মেয়েরা প্রতিবাদ করবে। ভোট দেবেন, কিন্তু ওঁরা যদি হাত দিতে আসে, সবাই সামনে দাঁড়িয়ে যাবেন। আপনাদের উপর হামলা করলে একজোট হয়ে রুখে দাঁড়ান। তৃণমূল কংগ্রেস মাথা নত করতে জানে না। লড়াই করে ছিনিয়ে নিতে জানে।''
এই বিষয়ে বিজেপি মুখপাত্র দেবজিৎ সরকার বলছেন, ''এভাবে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় প্ররোচনা ছড়াচ্ছেন, হিংসা ছড়াচ্ছেন, মানুষকে বাধ্য করছেন সংবিধানের বিরোধিতা করার জন্য। এগুলো বন্ধ হওয়া উচিৎ। এগুলো বেশিদিন চলতে পারে না। বাঙালিরা এরপর সংঘবদ্ধ প্রতিরোধে নামবে, তখন যদি আইন শৃঙ্খলা বিঘ্নিত হয়, তখন মুখ্যমন্ত্রী ও নির্বাচন কমিশনও দায়ী থাকবে। কারণ মমতা বন্দ্যোপাধ্য়ায়ের এগুলো বন্ধ করতে কােনও পদক্ষেপ নিচ্ছে না কমিশন। এই নিয়ে ভাবা উচিৎ।''
এদিন বড়ঞার সভা থেকে লক্ষ্মীর ভাণ্ডার নিয়ে ফের মুখ খুললেন মুখ্যমন্ত্রী। এদিন মমতা বন্দ্যোপাধ্য়ায় বলেন, "লক্ষ্মীর ভাণ্ডার আমি কেন করেছিলাম কা কি জানেন এখানকার মা-বোনেরা? নোটবন্দির সময় আমি দেখেছিলাম, যখন নোটবন্দি হল, আধঘণ্টার মধ্যে আমি প্রতিক্রিয়া দিয়েছিলাম। কেন জানেন? আমি বলেছিলাম, এতে মানুষের ক্ষতি হবে। আমার কাছে অভিষেকের মা তখন ছুটে এসেছিল। সে এসেই বলল, দিদি দিদি আমাকে ৫০০ টাকা দেবে? আমি বললাম কেন? সব টাকা তো জমা করে দিতে হবে। এই টাকা তো চলবে না, তাহলে আমি বাজার করব কী করে ? একটি মেয়ে সে বেঙ্গালুরুতে থাকে। সে আমাদের বাড়িতে আসে। আমাকে এসে বলল, আমাকে ২০০ টাকা দেবে ? আমি বললাম, কী করবে ? বলল, আমার কাছে তো এক টাকাও নেই। আপনাদের যতটুকু জমা পুঁজি মায়েরা লুকিয়ে রাখেন, দুঃসময়ে তা কাজে লাগবে বলে সব নিয়ে নিয়েছিল তখন। তাই আমি সেদিন ঠিক করেছিলাম, যে লক্ষ্মীর ভাণ্ডার মা-বোনদের উপহার। আমি লক্ষ্মীর ভাণ্ডার করে দেব। আমার নিজেরও একটা লক্ষ্মীর ভাণ্ডার আছে। সেটাতে ৫টাকা, ১০ টাকা যা পাই জমাই। আমার বাড়িতে মা কালী পুজো হয়, ওই টাকা জমিয়ে আমি বছরে একটা না একটা কিছু মা-কে দিই আমি।"





















