Election Commission: নির্বাচন নিয়ে কড়া কমিশন! "সব বুথের বাইরে ও ভিতরে নজরদারি", জানালেন অবজার্ভার সুব্রত গুপ্ত
West Bengal Assembly Election 2026: জেনারেল অবজার্ভার সুব্রত গুপ্ত জানান, নির্বাচনে সব বুথের বাইরে ও ভিতরে, দু'জায়গাতেই নজরদারি করা হবে। মক পোল শুরু হলেই বুথের ভিতরে ও বাইরে মনিটরিং হবে।

এবারের বিধানসভা নির্বাচনে ১০০ শতাংশ বুথেই ওয়েবকাস্টিং হতে চলেছে। লক্ষ্য, স্বচ্ছ নির্বাচন; আর সেই কারণেই নির্বাচন কমিশনের নির্দেশে সব বুথের ভিতরে ও বাইরে থাকবে সিসিটিভি ক্যামেরা, জানালেন রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক মনোজ আগরওয়াল। তিনি এও জানান, এ ছাড়াও কোনও বুথে প্রয়োজন হলে একের বেশি ক্যামেরাও লাগানো হতে পারে। যদিও রাজ্যের ৮০ হাজার ৭১৯ বুথে ঠিক কতগুলো সিসি ক্যামেরা লাগবে সেটা এখনও মূল্যায়ন হয়নি, জানিয়েছেন রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক। এ ছাড়া তিনি এও জানান ইতিমধ্যেই এই সিসি ক্যামেরা টেন্ডার হয়ে গিয়েছে।
জেনারেল অবজার্ভার সুব্রত গুপ্ত জানান, এবারের নির্বাচনে সব বুথের বাইরে ও ভিতরে, দু'জায়গাতেই নজরদারি করা হবে। যখন মক পোল শুরু হবে, তখন থেকেই বুথের ভিতরে ও বাইরে মনিটরিং হবে। এ ছাড়াও সুব্রত গুপ্ত জানিয়েছেন, এই নজরদারি হবে ত্রিস্তরীয় নজরদারি। প্রথম নজরদারি করবেন রিটার্নিং অফিসার। অর্থাৎ, সাব-ডিভিশনাল অফিসার বা অ্যাডিশনাল ডিএম থাকবেন এর দায়িত্বে। এরপরের স্তর হবে জেলার নির্বাচনী আধিকারিক বা DEO। আর সব শেষে থাকবেন CEO অফিসে। এই সব আধিকারিকদের অফিসে কন্ট্রোলরুম তৈরির কাজ চলছে জোরকদমে। এ ছাড়াও কন্ট্রোল রুমে সিসিটিভির ভিডিও রেকর্ডিং করা হবে।
অবজার্ভার সুব্রত গুপ্ত বলেন, মোট ৭২টা স্ক্রিন বসতে চলেছে CEO অফিসে। এক-একটা স্ক্রিনে একসঙ্গে ১২ থেকে ১৬টা বুথে নজর রাখা যাবে। প্রতি স্ক্রিনের সামনে ২ জন করে মাইক্রো অবজার্ভার থাকবেন। একজন স্ক্রিনে নজর রাখবেন ও অন্যজন নোট করবেন যে কোথায় কেমন নির্বাচন চলছে, বুঝিয়ে দিলেন সুব্রত গুপ্ত।
এর বাইরেও থাকবে ফ্লাইং স্কোয়াড। অর্থাৎ, তাদের বিভিন্ন গাড়িতে ক্যামেরা লাগানো থাকবে। ২ হাজার ৬৪৬টি গাড়িতে ক্যামেরা লাগানো হবে। এর মধ্যে ইতিমধ্যেই ১ হাজার ১৫২টি গাড়িতে লাগানো হয়েছে এই ক্যামেরা। চেকপোস্ট ও ক্যুইক রেসপন্স টিমের গাড়িতেও থাকবে ক্যামেরা। মোট ৩ হাজার ৯৩টি QRT গাড়ি থাকবে বলেই জন গিয়েছে। কোনও প্রযুক্তিগত গোলমাল বা কোনও ঝামেলা হলে ১৫ থেকে ২০ মিনিটের মধ্যে সেই জায়গায় পৌঁছে যাবে ক্যুইক রেসপন্স টিম। রাজ্যে মোট ১ হাজার ৭৪০ টি নাকা বা চেকপোস্টও তৈরি করা হবে।
ইতিমধ্যেই রাজ্যের ৩ লক্ষের বেশি ইভিএম ও ভিভিপ্যাট মেশিন পরীক্ষা করে দেখা হয়েছে। আর এই পরীক্ষার ভিডিও রেকর্ডও করা হয়েছে। নির্বাচনের আগের দিন যখন ভোটকর্মীরা ইভিএম বা ভিভিপ্যাট নিয়ে ভোট কেন্দ্রে যাবেন, সেই সময় ওই গাড়িগুলোকেও জিপিএসের মাধ্যমে ট্র্যাক করা হবে, জানালেন অবজার্ভার সুব্রত গুপ্ত।
স্পর্শকাতর বুথগুলোতে একাধিক ক্যামেরা লাগানো হবে। ৪২১টি হলে কাউন্টিং হবে। আর এই কাউন্টিং সেন্টারের ভিডিও রেকর্ড করা হবে, জানালেন অবজার্ভার সুব্রত গুপ্ত।





















