Kunal Ghosh: দোলনায় দুলছেন কুণাল ঘোষ, বললেন "৪ তারিখের পর গোটা তৃণমূল বিরোধীদের দুলিয়ে দেবে"!
West Bengal Assembly Election 2026: বাগানে সবুজ ঘাসের গালিচা আর সেখানেই এক দোলনায় দুলছেন কুণাল ঘোষ। ভোট শেষের পর আর ফল ঘোষণার আগে দেখা গেল এই ছবি। টেনশন? ফুৎকারে উড়িয়ে দিলেন কুণাল।

কলকাতা: মিটে গিয়েছে ভোট পর্ব (West Bengal Assembly Election 2026) । ইভিএম এখন স্ট্রংরুমে বন্দী। আর এমতাবস্থায় কী করছেন প্রার্থীরা? তাঁরা কি কী হবে ভেবে টেনশন করছেন? নাকি যা হবে দেখা যাবে মেজাজে রয়েছেন? এই প্রশ্নের উত্তর মিলল। উত্তর দিলেন বেলেঘাটার তৃণমূল প্রার্থী কুণাল ঘোষ স্বয়ং।
আরও পড়ুন: গণনার দিন কোন রাস্তায় গাড়ি চলবে আর কোন রাস্তায় চলবে না, নির্দেশিকা দিয়ে জানাল কলকাতা পুলিশ!
বাগানে সবুজ ঘাসের গালিচা আর সেখানেই এক দোলনায় দুলছেন কুণাল ঘোষ। ভোট শেষের পর আর ফল ঘোষণার আগে দেখা গেল এই ছবি। টেনশন? ফুৎকারে উড়িয়ে দিলেন কুণাল। তিনি বললেন, "আমি দুলছি। কিন্তু ৪ তারিখের পর গোটা তৃণমূল বিরোধীদের দুলিয়ে দেবে।" এমনকি বিরোধীদের আ খুঁজে পাওয়া যাবে না বলেও তোপ দাগলেন কুণাল। "কর্পূরের মতো উবে যাবে" বিরোধীরা, বলছেন বেলেঘাটার তৃণমূল প্রার্থী।
তিনি আরও বলেন, "মানুষ ভোট দিয়েছেন। আমরা কনফিডেন্ট যে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে মানুষ পুরোদস্তুর আশীর্বাদ করেছেন। আর ভোট শেষ, মানেই তো ভোট শেষ হয়ে যাওয়া নয়। পোলিং বুথে যাঁরা থাকেন, ১৭ সি ফর্ম ফিল আপ করে জমা নেওয়া, ইভিএম সুরক্ষিত ভাবে স্ট্রংরুমে যাচ্ছে কি না। এইগুলোও করতে হয়। এসব করতে মাঝরাত পেরিয়ে যায়। এ ছাড়াও ভোটের পরের দিন, বিভিন্ন এলাকা ও ভোটের অন্যান্য কর্মীদের সঙ্গে যোগাযোগ রক্ষা করা। এসব কাজ তো থাকেই।"
এর পরই বেলেঘাটার তৃণমূল প্রার্থীর আক্রমণ নির্বাচন কমিশনকে। কুণাল ঘোষ বললেন, "এবারে একটা বাড়তি কাজ, স্ট্রংরুম পাহারা দেওয়া। বিজেপি যেভাবে নখ দাঁত বের করেছে আর নির্বাচন কমিশনকে অপব্যবহার করছে। এই তো সেদিন আমার অন্য একটা কাজ ছিল। কিন্তু হঠাৎ খবর এল সিসিটিভিতে দেখা গিয়েছে ক্ষুদিরাম অনুশীলন কেন্দ্রের ভিতরে একটা মুভমেন্ট চলছে। আলটিমেটলি দেখা গেল মুভমেন্টটা সত্যিই হয়েছে। ডিইও ম্যাডাম এসে ভুল স্বীকার করলেন।"
কুণাল ঘোষ আরও বলেন, "সেদিন রাতের পর আবার সকালে ওখানে যাওয়ার। আসলে যাওয়াটা দরকার। তা ছাড়াও মাননীয়া মুখ্যমন্ত্রীর কড়া নির্দেশ আছে। এ ছাড়াও আমরা যদি কড়া নজর রাখি, তাহলে কারও কোনও অকাজ কুকাজ করার চেষ্টা করলে, সেটাকে কিছুটা প্রতিরোধ করা যাবে। কারণ, ভোটে ওরা গো হারা হেরেছে। এখন ওদের ভরসা হোক ইভিএম ট্যাম্পারিং। আর সেটা আটকানো আমাদের লক্ষ্য। আমরা সম্পূর্ণ সতর্ক রয়েছি।"




















