CJP Protest | দিল্লিতে CJP আন্দোলনে যোগ দেওয়ার 'অপরাধে' হামলা! কাঠগড়ায় BJP
CJP-এর আন্দোলনে যোগ দিয়েছিলেন তাঁরা। এবার সেই 'অপরাধেই' মারধরের অভিযোগ। ঘটনা বাঁকুড়ার। ১৩ই অগস্ট তাঁদের ইন্দাসের বাড়িতে ঢুকে হামলায় চালায় বিজেপি, এমনটাই অভিযোগ। মারধর করা হয় বাবা-ছেলেকে। এরপরেই বর্ধমানে ভর্তি করা হয় বাবা শেখ মহম্মদ মাফিককে। কিন্তু হাসপাতালেই মৃত্যু হয় তাঁর। পরিবারের দাবি, দিল্লিতে গিয়ে CJP-এর আন্দোলনে যোগ দিয়েছিল বাবা-ছেলে। পাশাপাশি, বাড়ি ফিরে স্থানীয় একটি প্রাথমিক বিদ্য়ালয়ের জরাজীর্ণ দশা নিয়েও সরব হয়েছিল তাঁরা। তারপরেই বাড়িতে হামলার অভিযোগ।
আরও খবর : "ঘরের লোক হারালাম...", আশিস বন্দ্যোপাধ্যায়ের মৃত্যুতে শোকাহত পরিবার
সম্পূর্ণ খবর : বীরভূমের রামপুরহাটে প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়ক আশিস বন্দ্যোপাধ্যায়ের রহস্যমৃত্যু। বাড়ির সংলগ্ন দলীয় কার্যালয় থেকে রবিবার সকালে উদ্ধার হয়েছে তাঁর দেহ। ইতিমধ্যেই আশিসের দেহ ময়নাতদন্তের জন্য নিয়ে যাওয়া হয়েছে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকারের আমলে আশিস ছিলেন রাজ্য বিধানসভার ডেপুটি স্পিকার। রামপুরহাটের পাঁচ বারের বিধায়ক। তবে ২০২৬ সালে বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপি প্রার্থী ধ্রুব সাহার কাছে পরাজিত হন তিনি।
তৃণমূলের প্রবীণ নেতা। ২০০১ সাল থেকে ২০২৬ সাল পর্যন্ত রামপুরহাটের বিধায়ক। নিজের রাজনৈতিক কর্মকালে মমতার মন্ত্রিসভায় একাধিকবার ঠাঁই পেয়েছেন তিনি। স্কুলশিক্ষামন্ত্রী এবং কৃষিমন্ত্রীও ছিলেন তিনি। তবে এর চেয়ে বড় কোনও দায়িত্ব পাননি তিনি। অনুব্রত মণ্ডল বীরভূমের সভাপতি থাকাকালীন আশিস ছিলেন তাঁর সঙ্গী। তবে রাজ্যে পালাবদলের পর কালীঘাটপন্থী তৃণমূলের থেকে বেশ দূরত্ব তৈরি করেন তিনি। জুন মাসে জেলা তৃণমূলের চেয়ারম্যানের পদ ছেড়ে দেন। ছাড়েন বীরভূমের কোর কমিটির সদস্যপদও। জুলাই মাসে বৈঠক করেন ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে। আর তার ঠিক পরেই ঋতব্রত শিবিরের সঙ্গে বৈঠক অনুব্রতর এবং কালীঘাটের থেকে সরে দাঁড়ানো। তবে আশিস বন্দ্যোপাধ্যায় থেকেছেন একান্তে। শুধু তৃণমূল নয়, রাজনীতিতেও বিশেষ সক্রিয় হতে দেখা যায়নি তাঁকে।
এই ঘটনায় মানসিকভাবে একেবারেই ভেঙে পড়েছে প্রাক্তন বিধায়কের পরিবার। চোখে জল নিয়ে তাঁর ভাইপো অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, "রাজনীতির জন্যই আমরা আজ জেঠুকে হারালাম। জোর হাত করে বলছি, এই রাজনীতিতে আমরা আর নেই।"






















