WB Assembly Election 2026: 'হৃদযন্ত্রের সমস্যা ছিল হয়ত', ভোট দিতে গিয়ে হাওড়ায় বৃদ্ধের মৃত্যু নিয়ে মন্তব্য রাহুল সিনহার
Howrah News: ইতিমধ্যেই কেন্দ্রীয় বাহিনীর বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ দায়ের করেছে মৃতের পরিবারের। এই মৃত্যু নিয়ে রাজনীতি শুরু হয়েছে, মন্তব্য করলেন বিজেপি নেতা রাহুল সিনহা।

হাওড়া: দ্বিতীয় দফার ভোটদান পর্ব নির্বিঘ্নে মিটেছে। তবুও বলরামপুরের এক বৃদ্ধ ভোটারের মৃত্য়ু নিয়ে এবার তরজা শুরু শাসক-বিরোধী দু পক্ষের।ভোট দেওয়ার পরেই হাওড়ায় বৃদ্ধের মৃত্যু হয়। কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানদের ধাক্কাতেই পড়ে গিয়ে মৃত্যু হয়েছে বলে খবর। আর যা নিয়ে সােশ্যাল মিডিয়ায় তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করে কেন্দ্রীয় বাহিনীকে কাঠগড়ায় তুলেছেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। উল্লেখ্য, ইতিমধ্যেই কেন্দ্রীয় বাহিনীর বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ দায়ের করেছে মৃতের পরিবারের। এই মৃত্যু নিয়ে রাজনীতি শুরু হয়েছে, মন্তব্য করলেন বিজেপি নেতা রাহুল সিনহা।
আরও পড়ুন: IPAC ডিরেক্টর ভিনেশ চান্ডেলের জামিন বাংলায় ভোট মিটতেই
এবিপি আনন্দকে দেওয়া ফোনে সাক্ষাৎকারে বিজেপি নেতা জানিয়েছেন, 'শকুনের নজর থাকে ভাগাড়ের দিকেই। সেই একই খেলা। SIR, কমিশন, কেন্দ্রীয় বাহিনীকে কাঠগড়ায় দাঁড় করানোর পালা চলছে। যে কোনও মৃত্যুই দুর্ভাগ্যজনক, দুঃখজনক। কোথায় সেই পরিবারের পাশে দাঁড়াবে, সেই পরিবারের জন্য সমবেদনা খুঁজবে, তা না। কীভাবে মৃত্যু হল তা নিয়ে রাজনৈতিক রং আনার চেষ্টা করছে। বৃদ্ধ অবস্থায় তাঁর কোনও হৃদযন্ত্রের সমস্যা হতেই পারে। কিন্তু তার সঙ্গে সবসময় রাজনীতি জুড়ে দেওয়া, সেটা মুর্খামি ও অমানবিকতার পরিচয় দেওয়া ছাড়া আর কিছুই নয়।'
এদিকে মৃতের ছেলে তরণী দলুই জানিয়েছেন, 'ভোট দিতে গিয়েছিলেন উনি। কোনও ভিড় ছিল না। ফাঁকাই ছিল বুথ। বাবার আশির ওপর বয়স।' বৃদ্ধের শরীরে কোনও সমস্যা ছিল না বলে জানিয়েছেন পরিবারের লোকজন। খালি চোখে উনি দূরের ছবিও দেখতে পারতেন বলে জানিয়েছে পরিবারের লোক।
এদিকে স্থানীয় তৃণমূল নেতৃত্ব জানিয়েছেন, 'নির্মমভাবে কেন্দ্রীয় বাহিনী এক বৃদ্ধ ভোটারকে খুন করেছে। এক বৃদ্ধ ভোটার তিনি এই বয়সেও ভোট দিতে গিয়েছিলেন। হয়ত একটি দেরি হচ্ছিল, তাই জওয়ানরা তাঁকে ধাক্কা দেয়। পড়ে গিয়েই মৃত্যু হয়েছে ওঁনার। আমি তো বলব যে খুন করেছেন কেন্দ্রীয় বাহিনী।'
এদিকে, বেহালা পর্ণশ্রীতে ২ RSS কর্মীকে মারধরের অভিযোগ উঠল তৃণমূলের বিরুদ্ধে। তাদের বাড়ি লক্ষ্য করে পাথর ছোড়ারও অভিযোগ উঠল। দাবি, পাল্টা প্রতিরোধে নামেন তাঁরাও। দুই পক্ষের সংঘর্ষে মাথা ফাটে RSS কর্মী অভিজিৎ ব্রহ্মের। আক্রান্ত হলেন আরেক RSS কর্মী প্রসেনজিৎ ব্রহ্মও। অভিযোগ, এরপর রক্তাক্ত অবস্থায় থানায় হাজির হলে, তাদের চিকিৎসার ব্যবস্থা না করে তাদের ৫ জনকে গ্রেফতার করে পুলিশ।




















