TMC Ratna Chatterjee: 'সিন্ডিকেট কিছুটা হয়েছিল, নো ডাউট', হারের পরই রত্নার গলায় ক্ষোভের সুর, আর কী বললেন?
West Bengal Assembly Election 2026 Result: বেহালা পশ্চিমে পরাজিত তৃণমূলের প্রার্থী রত্না চট্টোপাধ্যায়। এই কেন্দ্রে তাঁকে ২৪ হাজার ৬৯৯ ভোটে হারিয়ে দিয়েছেন বিজেপির ইন্দ্রনীল খাঁ।

কলকাতা : বেহালা পশ্চিমে পরাজিত তৃণমূলের প্রার্থী রত্না চট্টোপাধ্যায়। এই কেন্দ্রে তাঁকে ২৪ হাজার ৬৯৯ ভোটে হারিয়ে দিয়েছেন বিজেপির ইন্দ্রনীল খাঁ। হারের পর রত্নার মুখে শোনা গেছে ক্ষোভের কথা। একসময় বেহালা ছিল সিপিএমের গড়। তবে তৃণমূল ক্ষমতায় আসার পর থেকে বেহালা পূর্ব ও বেহালা পশ্চিম আসনে তারা হারেনি। কিন্তু এবার বেহালা পূর্ব এবং বেহালা পশ্চিম দুই কেন্দ্রেই হেরেছে তৃণমূল বেহালা পূর্বে জয়ী হয়েছেন বিজেপির শঙ্কর শিকদার। তৃণমূলের শুভাশিস চক্রবর্তীকে ২৫ হাজার ১৩৭ ভোটে হারিয়েছেন তিনি।
'নির্লজ্জতার উদাহরণ রাখছেন... ১ নম্বর নির্লজ্জ ব্যক্তির নাম...', মমতাকে চরম কটাক্ষ তরুণজ্যোতির
হারের পর রত্না চট্টোপাধ্যায় বলছেন, 'নেতাদের কাছে গিয়ে ঔদ্ধত্য পায়, অহঙ্কার পায়, নেতারা কথা শুনতে না চায়... নেতাদের কাছে গেলে তাঁরা এড়িয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেন, তখন মানুষ বিরক্ত হয়, অবশ্যই হয়। সিন্ডিকেট কিছুটা হয়েছিল, নো ডাউট। আমার মতো অনেকেই আছেন যাঁরা করেননি। কিন্তু আবার অনেকে আছেও হয়তো, যাঁরা করেছেন, যেটা মানুষকে বিষয়ে দিয়েছে। মানুষের কাছে একটা বিরক্তিকর ব্যাপার হয়েছিল।'
১৫ বছর ধরে ক্ষমতায়। বিধানসভায় জয়, লোকসভায় জয়, পুরসভায় জয়, পঞ্চায়েতে জয়। চারদিকে তৃণমূল আর তৃণমূল। কখনও জোর করে জয়ের অভিযোগ, কখনও মানুষের ভোটদানের অধিকার খর্ব করে জয় আদায়ের অভিযোগ, কখনও বিরোধীদের ভাঙিয়ে তাদের সাইনবোর্ড করে দেওয়ার চেষ্টা। শেষ অবধি ২০২৬-এ এসে শুধু হার নয়! কার্যত ধুয়ে মুছে যাওয়া। আর এই ভয়ঙ্কর পরাজয়ের পর তৃণমূলের অন্দরেই একে একে উঠছে ক্ষোভের সুর-সমালোচনার সুর! এ যেন সদর দফতরে কামান দাগা। পরাজিত একাধিক প্রার্থী থেকে প্রাক্তন বিধায়ক। নেতা-নেত্রীরা মুখ খুলছেন। কেউ দায়ি করছেন আইপ্যাককে। কারও নিশানায় সরাসরি অভিষেক বন্দ্য়োপাধ্য়ায়। কেউ আবার বলছেন নিজেদের সরকারের আমলে দুর্নীতি, ঔদ্ধত্য, সিন্ডিকেট রাজের প্রসঙ্গ।
এবার পশ্চিমবঙ্গে বিধানসভা নির্বাচন হয়েছে ২ দফায়। ২৩ এপ্রিল প্রথম দফায় ১৬টি জেলায় ১৫২টি আসনে ভোট গ্রহণ হয়েছিল। আর ২৯ এপ্রিল দ্বিতীয় দফায় ৭ জেলার ১৪২টি আসনে ভোট গ্রহণ হয়েছে। প্রথম দফায় ভোট হয়েছে দার্জিলিং, জলপাইগুড়ি, কালিম্পং, আলিপুরদুয়ার, কোচবিহার, মালদা, উত্তর ও দক্ষিণ দিনাজপুর, বাঁকুড়া, পুরুলিয়া, ঝাড়গ্রাম, পূর্ব ও পশ্চিম মেদিনীপুর, পশ্চিম বর্ধমান, মুর্শিদাবাদ, বীরভূম - এই ১৬ জেলায়। দ্বিতীয় দফায় ভোট হয়েছে কলকাতা, হাওড়া, হুগলি, নদিয়া, উত্তর ও দক্ষিণ ২৪ পরগনা, পূর্ব বর্ধমান - এই ৭ জেলায়। ফলতায় নতুন করে ভোট হবে ২১ মে। ফল ঘোষণা ২৪ মে। গতকাল সোমবার ৪ মে পশ্চিমবঙ্গের মোট ২৯৩টি বিধানসভা কেন্দ্রের ফল ঘোষণা হয়েছে। বিজেপি পেয়েছে ২০৭ আসন, তৃণমূল ৮০টি।
সেরা শিরোনাম




















