West Bengal Assembly Election 2026 Results: শূন্যের গেরো কাটিয়ে খাতা খুলল সিপিএম, ডোমকলে জয়ী মুস্তাফিজুর রহমান
WB Assembly Election 2026 Results: ডোমকলে দ্বিতীয় স্থানে

ডোমকল: ২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনে সিপিআইএম একটি সিটও জিততে পারেনি। সেই নিয়ে প্রতিপক্ষদের থেকে প্রায়শই কটাক্ষ শুনতে হত। তবে ২০২৬ সালে (West Bengal Assembly Election 2026 Results) শূন্যের গেরো কাটাল সিপিআইএম (CPIM)। ডোমকল বিধানসভা নির্বাচনে জয়ী হলেন সিপিআইএম প্রার্থী মহম্মদ মুস্তাফিজুর রহমান (রানা) (MD. Mostafijur Rahaman)।
মুর্শিদাবাদের ডোমকলে লক্ষাধিক ভোট পেয়েছেন মুস্তাফিজুর রহমান। তিনি ১০৭৮৮২ ভোট পেয়েছেন। তাঁর সবথেকে কাছের প্রতিদ্বন্দ্বী তৃণমূল কংগ্রেস প্রার্থী হুমায়ুন কবীর তাঁর থেকে ১৬২৯৬ ভোটে পিছিয়ে শেষ করলেন। ৩০৪৫৩ ভোট পেয়েছেন কংগ্রেস প্রার্থী বেগম শাহনাওয়াজ। চতুর্থ স্থানে শেষ করলেন বিজেপির নন্দদুলাল পাল। আপাতত এই একমাত্র কেন্দ্রেই জয়ী হয়েছে বাম প্রার্থী। তবে বিজেপি ও তৃণমূল কংগ্রেস ছাড়াও আম জনতা উন্নয়ন পার্টি, কংগ্রেসরাও সিপিআইএমের পাশাপাশি এবারের বিধানসভা নির্বাচনে খাতা খুলেছে।
এবার পশ্চিমবঙ্গে বিধানসভা নির্বাচন হয়েছে দুই দফায়। ২৩ এপ্রিল প্রথম দফায় ১৬টি জেলায় ১৫২টি আসনে ভোট গ্রহণ হয়েছিল। ২৯ এপ্রিল দ্বিতীয় দফায় সাতটি জেলার ১৪২টি আসনে ভোট গ্রহণ হয়েছিল। প্রথম দফায় ভোট হয়েছিল দার্জিলিং, জলপাইগুড়ি, কালিম্পং, আলিপুরদুয়ার, কোচবিহার, মালদা, উত্তর ও দক্ষিণ দিনাজপুর, বাঁকুড়া, পুরুলিয়া, ঝাড়গ্রাম, পূর্ব ও পশ্চিম মেদিনীপুর, পশ্চিম বর্ধমান, মুর্শিদাবাদ, বীরভূম - এই ১৬ জেলায়। দ্বিতীয় দফায় ভোট হয়েছে কলকাতা, হাওড়া, হুগলি, নদিয়া, উত্তর ও দক্ষিণ ২৪ পরগনা, পূর্ব বর্ধমান - এই সাত জেলায়। ফলতায় নতুন করে ভোট হবে ২১ মে। ফল ঘোষণা ২৪ মে। ফলে আজ ৪ মে পশ্চিমবঙ্গের মোট ২৯৩টি বিধানসভা কেন্দ্রের ফল ঘোষণা হচ্ছে।
অপরদিকে, মেখলিগঞ্জে মুখ থুবড়ে পড়লেন তৃণমূল কংগ্রেসের প্রার্থী পরেশচন্দ্র অধিকারী। অতীতে নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় তাঁর নাম জড়িয়েছিল। তিনি কোচবিহার জেলার মেখলিগঞ্জের তফশিলি জাতির সংরক্ষিত সিট থেকে তৃণমূল কংগ্রেসের হয়ে দাঁড়িয়েছিলেন এই বিধানসভা নির্বাচনে।
২০১৮ সালে ফরওয়ার্ড ব্লক ছেড়ে তৃণমূলে যোগ দিয়েছিলেন পরেশচন্দ্র অধিকারী। অভিযোগ উঠে, তার কয়েকদিনের মধ্যেই SSC-র তালিকায় তাঁর মেয়ের নাম উঠে যায়। সেই বছরই নভেম্বরে, চাকরিতে যোগ দেন পরেশচন্দ্র অধিকারীর মেয়ে অঙ্কিতা। যে নিয়োগে দুর্নীতির অভিযোগের প্রেক্ষিতে, সিবিআই তদন্তের নির্দেশ দিয়েছিল কলকাতা হাইকোর্ট। সেই নিয়োগ দুর্নীতিতে পরেশচন্দ্র অধিকারী ও তাঁর মেয়ের নামও জড়ায়। অভিযোগ উঠেছিল মৌখিক পরীক্ষা না দিয়েই অঙ্কিতা চাকরি পেয়েছিলেন। তবে সেইসব অভিযোগ সত্ত্বেও পরেশচন্দ্র অধিকারীকে মেখলিগঞ্জ থেকে তৃণমূলের প্রার্থী করা হয়। তা নিয়ে দলের অন্দরমহলেও ক্ষোভ ছিলই। হলদিবাড়ির এক কাউন্সিলর পরেশ অধিকারীর হয়ে প্রচার করবেন না বলে দল ছেড়েছিলেন। এবার শেষমেশ পরাজিতই হতে হল তাঁকে।
সেরা শিরোনাম




















