West Bengal Assembly Election 2026: সোনারপুর দক্ষিণে রূপা বনাম লাভলি, দুই নেত্রী কী বললেন একে অন্যকে?
West Bengal Assembly Election 2026: ভোটের ময়দানে নেমেই সম্মুখ-সমরে রূপা এবং লাভলি। দুই নেত্রী কী বললেন একে অন্যকে?

West Bengal Assembly Election 2026: আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনে সোনারপুর দক্ষিণ কেন্দ্রে বিজেপির প্রার্থী হয়েছেন রূপা গঙ্গোপাধ্যায়। অন্যদিকে, তৃণমূলের হয়ে লড়বেন সেখানকার বর্তমান বিধায়িকা লাভলি মৈত্র। ভোটের ময়দানে নেমেই সম্মুখ-সমরে রূপা এবং লাভলি। দুই নেত্রী কী বললেন একে অন্যকে?
রূপা গঙ্গোপাধ্যায়ের কথায়, 'কর্মীরা এবার আর আক্রান্ত হবেন না। একটা-দুটো জায়গায় হয়েছে। তাদেরকে পাল্টা দেওয়া হয়েছে। আমাদেরকে আর মারবার চেষ্টা কোরো না। আমাকে অনেক মেরেছ, অনেক যন্ত্রণা দিয়েছ, তাও আমাকে দমাতে পারোনি। মানুষ এখানে বাঁচতে চায়। যদি এবার আপনি বাঁচতে চান, যদি এবার আপনি এই সোনারপুরের মাটিতে বাঁচতে চান... আপনি যদি বাঁচতে চান, তাহলে আপনাকেও বিজেপিকেই ভোট দিতে হবে। নাহলে আপনারও পাততাড়ি গুটিয়ে বাড়ি যাওয়ার সময় হয়ে গিয়েছে।'
অন্যদিকে লাভলি বলেন, 'দেখুন এটা তো বিজেপির কালচার। উনি যে দলের প্রার্থী হয়েছেন সেই দলের এটা কালচার। গুন্ডামি, মস্তানি, বাইরে থেকে লোক আনা, অসভ্যতা করা এটা ওনাদের কালচার। উনি যে দলের সঙ্গে রয়েছেন, সেই দলের ওটা কালচার। আমি যে দলের প্রার্থী হয়েছি, আমাদের কালচার ওটা নয়। আমাদের লড়াইয়ের হাতিয়ার হচ্ছে আমাদের উন্নয়ন। সেই উন্নয়নকে সঙ্গে নিয়ে, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ছবি নিয়ে আমরা লড়াই করব এবং আমরা লড়ে জিতব।'
এবার পশ্চিবঙ্গে বিধানসভা নির্বাচন ২ দফায়। ২৩ এপ্রিল প্রথম দফা। সেদিন ১৫২ আসনে ভোটগ্রহণ হবে। দ্বিতীয় দফায় ভোট ২৯ এপ্রিল। সেদিন ১৪২ আসনে ভোটগ্রহণ করা হবে। আর ৪ মে হবে ভোটগণনা। ইতিমধ্যেই ২ দফায় প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করেছে বিজেপি। এখনও বেশ কিছু আসনে প্রার্থী ঘোষণা বাকি রয়েছে ভারতীয় জনতা পার্টির। তৃণমূল ২৯১ আসনে প্রার্থীর নাম ঘোষণা করেছে।
অবাধ ও সুষ্ঠু ভোট করাতে এবার পুলিশ সুপার ও পুলিশ কমিশনারদের মাঠে নামাল নির্বাচন কমিশনের। কমিশনের দেওয়া ৬ টি বার্তা নিয়ে থানায় থানায় পৌঁছে গেলেন SP ও CP-রা। দফায় দফায় করলেন বৈঠক। পুলিশের বাকি আধিকারিকদেরকে বৈঠকে বুঝিয়ে দিলেন, ঠিক কী চাইছে কমিশন। রাজ্যের ভোটে এ যেন এক নতুন ছবি। ভোটের আগে প্রার্থীরা যেমন এলাকায় এলাকায় ঘুরে প্রচার সারেন, এবার কার্যত সেরকম ভাবেই ময়দানে নেমে পড়লেন পুলিশকর্তারাও। সরাসরি পৌঁছে যাচ্ছেন গ্রাউন্ড জিরোতে। থানায় থানায় পৌঁছে দিচ্ছেন নির্বাচন কমিশনের বার্তা। কারণ, অবাধ ও সুষ্ঠু ভোট করাতে এবার পুলিশ সুপার ও পুলিশ কমিশনারদের মাঠে নামিয়েছে কমিশন। তাদের তরফে ৬ দফা বার্তা প্রত্যেক থানায় পৌঁছে দেওয়ার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে SP ও CP-দের।





















