Bangaon Dakshin: প্রচারে গিয়ে নিজের হাতে পাঁপড় ভাজলেন বনগাঁ দক্ষিণের তৃণমূল প্রার্থী ঋতুপর্ণা!
West Bengal Assembly Election 2026: বনগাঁ দক্ষিণের তৃণমূল প্রার্থী ঋতুপর্ণা আঢ্য এদিন প্রচারের মাঝে গ্রামের এক অনুষ্ঠানে পৌঁছে যান। সেখানে পাঁপড় ভাজতেও শুরু করেন দেন তিনি।

কলকাতা : এই বঙ্গে বেজে গিয়েছে ভোটের বাদ্যি। আর তারপরই প্রচারে তৃণমূল, বিজেপি, সিপিএম সহ সব পক্ষই। আর ভোট পেতে কী না কী করতে হচ্ছে প্রার্থীদের। কথায় আছে না ভোট বড় বালাই। আগেই দেখা গিয়েছিল ভোটের প্রচারে গিয়ে কোনও প্রার্থী কমিয়ে দিয়েছিলেন দাড়ি, কেউ বা চপ ভেজে দিয়েছিলেন। আবার কোনও প্রার্থী গৃহস্থের হেঁসেলে ঢুকে সটান মশল বেটে দিয়েছিলেন। আবার কোনও প্রার্থীকে দেখা গিয়েছিল সোজা মাঠে নেমে লাঙল টানতে। আর এবার বনগাঁ দক্ষিণের তৃণমূল প্রার্থী ঋতুপর্ণা আঢ্য এক গ্রামের অনুষ্ঠানে গিয়ে পাঁপড় ভেজে দিলেন।
উত্তর ২৪ পরগনার বনগাঁ দক্ষিণের তৃণমূল প্রার্থী ঋতুপর্ণা আঢ্য সকাল সকাল গ্রামে গ্রামে গিয়ে প্রচার সারছেন। ভোটারদের বাড়ি বাড়ি গিয়ে প্রচার সারছেন তিনি। পৌঁছে যাচ্ছেন ভোটারদের ঘরে ঘরে। প্রচারে গিয়ে সাধারণ মানুষকে তিনি বলছেন, বিজেপি ভোটারদের অধিকার খর্ব করেছে আর সাধারণ মানুষের পাশে আছে তৃণমূল। সাধারণ মানুষের জন্য লড়াই করতে তৃণমূলের হাত শক্ত করতেও বলছেন তিনি। প্রচারের মাঝে গ্রামের এক অনুষ্ঠানে পৌঁছে যান তিনি। সেখানে পাঁপড় ভাজতেও শুরু করেন দেন ওই প্রার্থী। স্থানীয় মানুষ তাঁর এই প্রচারের কায়দায় খুশিই হয়েছেন বলেই খবর। ঋতুপর্ণা বলছেন, তিনি রাজ্যের যুব সমাজের প্রতিনিধি। আর সেই কারণেই তিনি প্রার্থী হওয়ায় এলাকায় ব্যাপক সাড়া পড়েছে। আর ভোটের ফল নিয়ে যথেষ্ট আত্মবিশ্বাসী তিনি। তিনি বলেন, জয় শুধুমাত্র সময়ের অপেক্ষা।
এর আগে আরামবাগের তৃণমূল প্রার্থী মিতা বাগ ভোটের প্রচার করতে বেরিয়ে ঢুকে পড়েন এক চপের দোকানে। সেখানে ঢুকেই তিনি চপ ভাজতে শুরু করে দেন। তবে শুধু বেজেই ক্ষান্ত থাকেননি তৃণওমূল প্রার্থী। চপ বিক্রিও করেন তিনি। তাঁর সঙ্গে ছিলেন তৃণমূলের রাজ্য সাধারণ সম্পাদক স্বপন নন্দী ও আরামবাগ পুরসভার ভাইস চেয়ারম্যান মমতা মুখোপাধ্যায়ের মতো নেতানেত্রীরা। শুধু তৃণমূল প্রার্থী নয়, চপ বেজেছেন বিজেপি প্রার্থীও। ভোটের প্রচারে বেরিয়ে চপ ভাজেন ছাতনার বিজেপি প্রার্থী সত্যনারায়ণ মুখোপাধ্যায়। ২২ মার্চ রবিবার ভোটের প্রচারে বেরিয়ে চপের দোকানে ঢুকে চপ ভাজার কাজে লেগে পড়েন তিনি। একই সঙ্গে প্রশ্ন তোলেন রাজ্যের শিল্প পরিকাঠামো নিয়েও। আর সেই সব ছবি দেখে বাংলার ভোটের উত্তেজনা দিব্যি আঁচ করা যাচ্ছে।





















