(Source: ECI/ABP News)
Governor:"হিংসার বিষের কোনও জায়গা নেই, আমরা দেখছি পরিবর্তন হচ্ছে", প্রতিক্রিয়া রাজ্যপালের
Governor RN Ravi Reaction: কী বললেন রাজ্য়পাল ?

কলকাতা: বিধানসভা নির্বাচন শেষ হতেই, রাজ্যের জেলায় জেলায় ভোট পরবর্তী হিংসা শুরু। 'হিংসার বিষের কোনও জায়গা নেই। আমরা দেখছি পরিবর্তন হচ্ছে। এই ভারতকে শ্রেষ্ঠ বানাতে আমাদের প্রত্যেকের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে', প্রতিক্রিয়া রাজ্যপাল আরএন রবির।
"আমরা যেকোনও সমস্যার সমাধান, হিংসার আকারে আর মিলবে না"
এদিন তিনি বলেন, 'আমরা যেকোনও সমস্যার সমাধান, হিংসার আকারে আর মিলবে না। অংহিসার রাস্তাতেই আমাদের সমাধান খুঁজে বার করতে হবে। ২০৪৭ সাল এলেই আমরা স্বাধীনতার ১০০ বছর পালন করব। ..আমাদের শ্রেষ্ঠ ভারত, সারাবিশ্বকে পথ দেখাবে। এইভাবেই বিকশিত ভারতের নির্মাণ হবে। আর এই ঐতিহাসিক মুহূর্তে, আমরা এর সাক্ষী হব যে পরিবর্তন হবে।'
প্রথম দফার মতো দ্বিতীয় দফাতেও রেকর্ড ভোট
প্রসঙ্গত, প্রথম দফার মতো দ্বিতীয় দফাতেও উপচে পড়েছে ইভিএম। ভোট পড়েছে ৯২.৫৬ শতাংশ। দ্বিতীয় দফায় গড় ভোটের হার প্রায় ৯৩ শতাংশ। দ্বিতীয় দফার ভোটে যে কেন্দ্রের দিকে সবার নজর ছিল, সেই ভবানীপুর কেন্দ্রে ভোট পড়েছে ৮৬ . ৭৪ শতাংশ।অতীতে পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা নির্বাচনে ভোটদানের সর্বোচ্চ হার ছিল ২০১১ সালে। সেইবার ‘পরিবর্তনের’ ডাক উঠেছিল। এগারোর বিধানসভা নির্বাচনে ভোট পড়েছিল ৮৪.৪৬ শতাংশ। ভেঙে পড়ে গিয়েছিল ৩৪ বছরের বামদের শাসন। ক্ষমতায় এসেছিলেন মমতা বন্দ্য়োপাধ্য়ায়। সিপিএমের পতন ঘটেছিল। আর পরিবর্তনের সেই বিধানসভা ভোটের চেয়েও অনেক বেশি ভোট পড়ল এবার। ভোট শেষ হওয়ার অনেক আগেই ছাপিয়ে গেল এগারো সালের ভোটের রেকর্ড। উপচে পড়ল ইভিএম। দু হাত খুলে ভোট দিলেন সাধারণ মানুষ।
দ্বিতীয় দফায় গড় ভোটের হার প্রায় ৯৩ শতাংশ
নির্বাচন কমিশন সূত্রে খবর, দ্বিতীয় দফায় এরাজ্য়ে ভোট পড়েছে ৯২.৫৬ শতাংশ। ২ দফার গড় ভোটের হার ৯২.৮৭ শতাংশ। প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, আমি পশ্চিমবঙ্গের মানুষের কাছে কৃতজ্ঞ, তাঁরা নিজেদের অধিকার সম্পর্কে সচেতন এবং প্রচুর মানুষ ভোটদান করছেন। নির্বাচন কমিশনের পরিসংখ্যান অনুযায়ী দ্বিতীয় দফায় বুধবার, সকাল ৯টা পর্যন্ত ভোট পড়ে ১৮.৩৯ শতাংশ। সকাল ১১টায় সেই হার দাঁড়ায় ৩৯. ৯৭ শতাংশ। ৬১.১১ শতাংশ ভোট পড়ে দুপুর ১টা পর্যন্ত। দুপুর ৩টে প্রদত্ত ভোটের হার দাঁড়িয়েছিল ৭৮.৬৮ শতাংশ। বিকেল ৫টা পর্যন্ত ভোট পড়ে ৮৯.৯৯ শতাংশ। শেষ অবধি সেই হার গিয়ে পৌঁছয় ৯২.৫৬ শতাংশে।
সেরা শিরোনাম




















