Rohan Mitra: টোস্ট দিয়েই সকাল শুরু সোমেন পুত্রের, কী কী খেতে পছন্দ করেন বালিগঞ্জ কংগ্রেস প্রার্থী রোহন মিত্র ?
Congress Candidate Rohan Mitra Power meal : প্রচারের মাঝে সুস্থ থাকতে হালকা নিরামিষ খাবারের উপরেই ভরসা, সোমেন মিত্রর ছেলের পাওয়ার মিল কী ?

উজ্জ্বল মুখোপাধ্যায়, কলকাতা: বালিগঞ্জের কংগ্রেস প্রার্থী প্রয়াত কংগ্রেস নেতা সোমেন মিত্রর ছেলে রোহন মিত্র। প্রথমবার বিধানসভা নির্বাচনে লড়াই করছেন তিনি। প্রচন্ড গরমে দিনভর প্রচারের মাঝে সুস্থ থাকতে হালকা নিরামিষ খাবারের উপরেই ভরসা রাখছেন রোহন।
আরও পড়ুন, "১৫২ এর মধ্যে ১০০ টি আসন পাবে বিজেপি..", বললেন সুকান্ত, পাল্টা বড় দাবি ব্রাত্য বসুর
এবারই প্রথম সংসদীয় রাজনীতিতে প্রতিদ্বন্দ্বিতা।এই প্রথম বিধানসভা নির্বাচনের লড়াইয়ে রোহন মিত্র। বাবা সোমেন মিত্র ১৯৭২ থেকে ২০০৬ সাল পর্যন্ত সাতবার বিধায়ক হয়েছেন। মা শিখা মিত্রও এক সময় বিধায়ক ছিলেন। কিন্তু, এখন তিনি রাজনীতিতে থেকে অনেক দূরে। এবার বিধানসভার মহারণে রোহন মিত্র। বালিগঞ্জের মতো হেভিওয়েট কেন্দ্রে তাঁকে লড়াইয়ের দায়িত্ব দিয়েছে কংগ্রেস।
বালিগঞ্জ কংগ্রেস প্রার্থী রোহন মিত্র বলেন, সোমেন মিত্রর ছেলে হওয়ায় একটা বাড়তি সুবিধা আছে, কঠিন লড়াই, সকলের কাছে পৌঁছনোর চেষ্টা করছি। চড়া গরম উপেক্ষা করেই প্রচারে খামতি রাখতে চাইছেন না রোহন মিত্র। সকালে শুধু টোস্ট খেয়ে বেরিয়ে পড়ছেন। প্রচন্ড গরমে দিনভর প্রচারের মাঝে দুপুরে রোহন খান, ভাত, ডাল, আলুভাজা, চাটনি আর দই।
বালিগঞ্জ কংগ্রেস প্রার্থী রোহন মিত্র বলেন, কোনও দিন বাড়িতে খাওয়া হয়, কোনও দিন রাস্তায় খেয়ে নেওয়া হয়। ভাত খাওয়া না হলে দোকান থেকে খিঁচুড়ি আনিয়ে খাই। রাতে একেবারেই হালকা খাবার খান বালিগঞ্জের কংগ্রস প্রার্থী। রুটি, সবজি দিয়েই রাতের খাওয়া সারেন তিনি। পুষ্টিবিদরা বলছেন, কার্বোহাইড্রেট সমৃদ্ধ ভাত, সহজে হজম হয়। শরীরে দ্রুত শক্তি যোগায়। সবজির তরকারি ভিটামিন ও খনিজ সমৃদ্ধ। যা রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়। ডালে থাকা উদ্ভিজ্জ প্রোটিন শরীরের শক্তি বৃদ্ধি করে। দইয়ে থাকা ল্যাকটিক অ্যাসিড হজমশক্তি উন্নত করে। এবার বালিগঞ্জে, কংগ্রেস প্রার্থী রোহন মিত্রর লড়াই তৃণমূলের শোভনদেব চট্টোপাধ্য়ায়, বিজেপির শতরূপা ও সিপিএমের আফরিন বেগমের সঙ্গে।২৯ এপ্রিল, দ্বিতীয় দফায় ভোট রয়েছে বালিগঞ্জে।
দক্ষিণবঙ্গে দ্বিতীয় দফার ভোটে, উত্তরবঙ্গ সহ বিভিন্ন জেলা থেকে ১৬ হাজার কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মীকে ভোটকর্মী হিসেবে নিয়োগ করল নির্বাচন কমিশন। নির্বাচন কমিশনের তরফে জেলাশাসকদের কাছে এই সংক্রান্ত বিজ্ঞপ্তি পাঠানো হয়েছে। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, প্রিজাইডিং অফিসার থেকে পোলিং অফিসার, বিভিন্ন পদে ভোটের দায়িত্ব সামলাবেন ওই ১৬ হাজার কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মী। ২৩ এপ্রিল প্রথম দফায়, উত্তরবঙ্গ সহ যে ১৬ জেলায় ভোট হয়ে গেছে, সেই সব জেলা থেকেই কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মচারীদের ভোটকর্মী হিসেবে দ্বিতীয় দফায় দক্ষিণবঙ্গে পাঠানো হচ্ছে।




















