Bengal Election 2026 : অতিরিক্ত টাকা নেই তো ? সকাল থেকেই মুকুন্দপুরে গাড়ি থামিয়ে তল্লাশি; কাজে নেমে পড়ল স্ট্যাটিক সার্ভেলেন্স টিম
Kolkata News : পুলিশকে সঙ্গে নিয়ে নির্বাচন কমিশনের স্ট্যাটিক সার্ভেলেন্স টিম এই অভিযান চালায়।

হিন্দোল দে, কলকাতা : রাজ্যে দুই দফায় বিধানসভা নির্বাচন। তার আগে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে কড়া নির্বাচন কমিশন। এদিন সকাল থেকে কাজে নেমে পড়ল কমিশনের স্ট্যাটিক সার্ভেলেন্স টিম। সঙ্গে নিল পুলিশকে। এদিন পূর্ব যাদবপুর থানার অন্তর্গত মুকুন্দপুরে নির্বাচন কমিশনের আধিকারিক এবং পূর্ব যাদবপুর থানার পুলিশ বিভিন্ন গাড়ি দাঁড় করিয়ে তল্লাশি চালায়। পুলিশকে সঙ্গে নিয়ে নির্বাচন কমিশনের স্ট্যাটিক সার্ভেলেন্স টিম এই অভিযান চালায়।
এ প্রসঙ্গে কমিশনের তরফে উপস্থিত আধিকারিক বলেন, "এটা প্রতিবারই হয়। ভোটের সময় ঘোষণা করা হয়। আমাদের ডিউটি দেওয়া হয়। আমরা সেইমতো কাজ করি। আজ থেকে শুরু হল। এর মাধ্যমে মূলত, রাজনৈতিক দলের এক্সপেন্ডিচার কন্ট্রোল করা হয়। গাড়িতে দেখা হয় যে, টাকা-পয়সা অতিরিক্ত কিছু আছে কি না। আর্মস বা লিকার...এগুলোও দেখা হয়।
পশ্চিমবঙ্গে এবার দু'দফায় হবে বিধানসভা নির্বাচন হবে। ২৩ এপ্রিল প্রথম দফায় ভোট হবে রাজ্যের ১৫২টি বিধানসভা কেন্দ্রে। ২৯ এপ্রিল দ্বিতীয় দফায় ১৪২টি কেন্দ্রে ভোট হবে। গত রবিবার ভোটের নির্ঘণ্ট প্রকাশ করে জানিয়ে দিয়েছে নির্বাচন কমিশন। পশ্চিমবঙ্গ ছাড়াও অসম, কেরল, তামিলনাড়ু ও পুদুচেরির বিধানসভা ভোটের দিনক্ষণও প্রকাশ করেছে কমিশন। ৫টি রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলের ফলঘোষণা হবে ৪ মে।
আনুষ্ঠানিকভাবে বিধানসভা ভোটের দামামা বেজে গেছে। নির্বাচনের নির্ঘণ্ট ঘোষণা করে দিয়েছে নির্বাচন কমিশন। এবার ৭ দিনে মাত্র দু'দফায় রাজ্যের ২৯৪টি বিধানসভা কেন্দ্রে নির্বাচন হবে। ২৩ এপ্রিল বৃহস্পতিবার প্রথম দফায় রাজ্যের ১৫২টি কেন্দ্রে নির্বাচন হবে। এর ঠিক ৬ দিনের মাথায় ২৯ এপ্রিল বুধবার দ্বিতীয় দফায় বাকি ১৪২টি কেন্দ্রে ভোটগ্রহণ হবে। বিধানসভা নির্বাচনের ফল ঘোষণা হবে চৌঠা মে, সোমবার।
পশ্চিমবঙ্গে ২০০১ সালে এক দফায় বিধানসভা ভোট হয়েছিল। তারপর থেকে কখনও ৫, কখনও ৬, কখনও ৭, কখনও ৮ দফায় বিধানসভা ভোট হয়েছে এরাজ্য়ে। ২০২১-এ সর্বোচ্চ ৮ দফায় বিধানসভা নির্বাচন হয় পশ্চিমবঙ্গে। এবার বিধানসভা ভোটে দফা কমে ২। এদিকে ইতিমধ্যেই রাজ্যে চলে এসেছে ৪৮০ কোম্পানির কেন্দ্রীয় বাহিনী। সূত্রের খবর, আরও ২ হাজার কোম্পানির বাহিনী আসতে পারে। সব মিলিয়ে ২ দফার ভোটে নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকতে পারেন আড়াই লক্ষ জওয়ান। এবার ভোট শান্তিপূর্ণ হয় কি না সেটাই দেখার।





















