Suvendu Adhikari : 'ওঁর এত চিন্তা কেন, আমার সঙ্গে তো মাত্র ১৬ জন লোক...', মমতাকে খোঁচা শুভেন্দুর
Mamata Banerjee : ভবানীপুর বিধানসভা কেন্দ্রের তৃণমূল প্রার্থী হিসাবে এদিন মনোনয়নপত্র জমা দিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

কলকাতা : 'ব্যাটেল-গ্রাউন্ড' ভবানীপুর। এই কেন্দ্রেই আরও একবার মুখোমুখি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও শুভেন্দু অধিকারী। বিজেপি প্রার্থী হিসাবে আগেই মনোনয়ন জমা দিয়েছিলেন শুভেন্দু অধিকারী। এদিন তৃণমূল প্রার্থী হিসাবে মনোনয়ন পেশ করলেন মমতা বন্দ্য়োপাধ্য়ায়ও। কে হাসবেন শেষ হাসি, তা স্পষ্ট হবে আগামী ৪ মে। কিন্তু, তার আগে একে অপরের উদ্দেশে হুঙ্কার-পাল্টা হুঙ্কার অব্যাহত রয়েছে। এদিন বেহালায় বিজেপি প্রার্থীর মনোনয়নে এসে তৃণমূলনেত্রীর নাম না করে হুঙ্কার ছাড়লেন শুভেন্দু অধিকারী।
শুভেন্দু বলেন, "ওঁর এত চিন্তা কেন ! আমার সঙ্গে তো মাত্র ১৬ জন লোক আছে। ওঁর কথা অনুযায়ী। ১৬ জন লোককে কেন গুরুত্ব দিচ্ছেন ? আড়াইশোর বেশি বুথ। আমি তো এজেন্টই দিতে পারব না। ওঁর অত চিন্তার কী আছে ! ওঁর পার্টিও হারবে, উনিও আবার হারবেন। সেকেন্ড টাইম হারবেন। তারপরে...নরেন্দ্র মোদিজি বলে গেছেন ব্রিগেডে ১০ লক্ষ লোকের সামনে, সবকা সাথ সবকা বিকাশ ভি হোগা, সবকা হিসাব ভি হোগা। ওঁর চুরি, দুর্নীতি, অভয়া, অত্যাচার, বিজেপি কর্মীদের নামে মিথ্যা মামলা, জেল খাটানো ...যা যা করেছেন সবকিছুর বিচার আর হিসাব ৪ তারিখের পরে হবে।"
ভবানীপুর বিধানসভা কেন্দ্রের তৃণমূল প্রার্থী হিসাবে এদিন মনোনয়নপত্র জমা দিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সাদা শাড়ি, সবুজ পাড়.. গলায় উত্তরীয়...মনোনয়ন পেশের দিন, বুধবার এই বেশেই কালীঘাটের বাড়ি থেকে বেরিয়ে আসেন মমতা বন্দ্য়োপাধ্য়ায়। এরপর হেঁটে আলিপুর সার্ভে বিল্ডিংয়ে পৌঁছোন তৃণমূলনেত্রী। রাস্তার দু'ধারে তখন বহু মানুষের ভিড়। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে ছিলেন তৃণমূলের প্রথম সারির নেতারা।
নীল সাদা বেলুন, তৃণমূলের পতাকা। সঙ্গে, জয় বাংলা স্লোগান। এভাবেই সার্ভে পার্ক অবধি মিছিল এগোয়। এরপর, সেখানে মনোনয়ন জমা দেন মমতা বন্দ্য়োপাধ্য়ায়। বেরিয়ে এসে তিনি বলেন, "আমি আমার নমিনেশন যেমন ফাইল করলাম। আমি চাই, আমার ভবানীপুর কেন্দ্রের সঙ্গে সঙ্গে ২৯৪টি কেন্দ্রে আমাদের তৃণমূল কংগ্রেস এবং জোড়াফুল, তাদের প্রত্য়েকটা প্রার্থীকে ভোট দেওয়ার জন্য়। আমি ছোট্টবেলা থেকে এখানেই আছি, এখানেই থাকি এখান থেকেই আমার সব কিছু। তাই ভবানীপুরের মানুষদের আমার ধন্য়বাদ, আমার নমস্কার, আমার সালাম। আমি বাংলার মানুষকে অভিনন্দন জানাব, কারণ সরকার আমরাই গড়ব।"
দ্বিতীয় দফায়, ২৯ এপ্রিল ভবানীপুর বিধানসভায় ভোট। তবে শেষ হাসি হাসবে কি, জানা যাবে চৌঠা মে, বিধানসভার ফলপ্রকাশের দিন।






















