Sujit Basu: ভোটের মুখে পেয়েছেন পরপর ED- নোটিস, রবিবাসরীয় প্রচারে এসে কী বললেন সুজিত বসু ?
TMC Candidate Sujit Basu vote Campaign: রবিবাসরীয় প্রচারে তৃণমূল প্রার্থী সুজিত বসু।

কলকাতা: একদিকে পুর-নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় ED-তলবের মুখোমুখী সুজিত বসু। গতকাল তলব এড়িয়ে গেলেও, তাঁর প্রতিনিধি হয়ে শেষঅবধি সিজিওতে গিয়ে উপস্থিত হয়েছিলেন ছেলে। গত সপ্তাহে মনোনয়ন জমা দিতে এসে তাঁকে বলতে শোনা গিয়েছিল, "চার্জশিটে আমার নাম নেই .."। এদিন ফের রবিবাসরীয় প্রচারে তৃণমূল প্রার্থী সুজিত বসু।
আরও পড়ুন, আজ পশ্চিমবঙ্গে প্রচারে যোগী, কোথায় কখন, রইল সফর সূচি
"আমি উন্নয়নের প্রশ্নে নির্বাচনে সবসময় বলি, ডেভোলপমেন্ট, শান্তি, কমিটমেন্ট.."
এদিন তিনি বলেন, "বলার কিছু অপেক্ষায় রাখে না। আমি উন্নয়নের প্রশ্নে নির্বাচনে সবসময় বলি, ডেভোলপমেন্ট, শান্তি, কমিটমেন্ট। এই তিনটেই মানুষ জানে, সুজিত বোস সেটা রক্ষা করে। আবার মানুষকে বলেছিলেন, এই ইলেকশনে আমাকে রিনিউ করে দেবেন। আমার কাজটা যাতে করতে পারি, অনেক কাজ তো করেছি, আরবানে তো কাজ শেষ হয় না। যে বাদবাকি কাজ আছে, সেটাও করে দেব।"
নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় পরপর ED- নোটিস সুজিত বসুকে
নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় ED-র দফতরে গতকাল ফের গরহাজির ছিলেন দমকলমন্ত্রী সুজিত বসু। তার পরিবর্তে সিজিও কমপ্লেক্সে যান ছেলে সমুদ্র বসু।সুজিত বসুর ছেলে সমুদ্র বসু বলেন, ভোটের মুখে যখন তিনি নমিনেশন জমা দিচ্ছেন, জমা দিয়েছেন, তাকে বারবার ডাকা হচ্ছে। বারবার চিঠি দিয়ে তিনি সময় চেয়েছেন। আগেও তিনি সহযোগিতা করেছেন. এখনও তিনি বলেছেন ভোটের পর যে কোনও দিন তাকে ডাকলে তিনি সশরীরে এসে হাজির হবেন। সেজন্যই পিএমএলএ আইন অনুযায়ী যাঁকে ডাকা হচ্ছে তিনি না আসতে পারলে তাঁর অথরাইজেশন নিয়ে অন্য কেউ আসতে পারে। আমি সেইভাবেই এসেছি।
"এটাই আমার প্রাপ্তি.."
গত সোমবার তিনি মনোনয়ন জমা দিতে গিয়েছিলেন। সেই সময় হুডখোলা গাড়ি থেকে নিজেই বলেন, টযেই কেসে তলব করছে, অলরেডি সেই কেসে, সিবিআই চার্জশিট দিয়ে দিয়েছিল, ওই চার্জশিটে কোনও সুজিত বসুর নাম নেই। এগুলি হ্যারাসমেন্ট। এইগুলি প্রতিহিংসাপরায়ণ। নির্বাচনে পারবে না। তখন অন্য উপায় অবলম্বন করছে। এই ভীড় দেখছেন, এটাই আমার প্রাপ্তি। এটাই আসল।'
পুর-নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় কী অভিযোগ ?
পুর-নিয়োগ দুর্নীতি মামলায়, কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা CBI যে চার্জশিট দিয়েছিল, সেখানে বেআইনিভাবে সবচেয়ে বেশি চাকরি দেওয়া হয়েছিল দক্ষিণ দমদম পুরসভায়। ২০১৪ সালের পর, সেখানে ৩২৯ জনের নিয়োগ হয় টাকার বিনিময়ে। কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা দাবি করেছিল,তৃণমূল পরিচালিত দক্ষিণ দমদম পুরসভায়, এভাবেই একসঙ্গে চাকরি হয়েছিল ২৯ জনের।এই পুরসভার ভাইস চেয়ারম্য়ান ছিলেন সুজিত বসু।
সেরা শিরোনাম




















