Election 2026 : ভোটের আগেই ভাঙন তৃণমূলে ! বিজেপিতে 'জ্যোতিপ্রিয়র ছায়াসঙ্গী'
এমনকী তাঁদের ইছাপুরের বাড়িতে হাজির হন বিজেপি নেতা অর্জুন সিং। সেই ঘটনার কয়েক মাস পরই স্বামীকে নিয়ে বিজেপিতে যোগদান করলেন তৃণমূল কাউন্সিলর।

সমীরণ পাল, কলকাতা : জল্পনা ছিল আগেই। আর সেই মতোই বিধানসভা ভোটের আগে বিজেপিতে যোগদান করলেন উত্তর ব্য়ারাকপুর পুরসভার তৃণমূল কাউন্সিলর শ্রাবণী কাশ্যপী ও তাঁর স্বামী।
স্বামীকে নিয়ে বিজেপিতে যোগ
একসময়ে শ্রাবণী কাশ্যপীর স্বামী মৃণ্ময় কাশ্যপী প্রাক্তন খাদ্যমন্ত্রী জ্য়োতিপ্রিয় মল্লিকের ছায়াসঙ্গী বলে পরিচিত ছিলেন। এর আগে গত বছর নভেম্বরে তৃণমূলে তাঁরা অবহেলিত, অপমানিত বলে দাবি করেন কাউন্সিলর। তখনই ঘোষণা করেন শিবির বদলের বিষয়ে। এমনকী তাঁদের ইছাপুরের বাড়িতে হাজির হন বিজেপি নেতা অর্জুন সিং। সেই ঘটনার কয়েক মাস পরই স্বামীকে নিয়ে বিজেপিতে যোগদান করলেন তৃণমূল কাউন্সিলর।
অর্জুন সিং -এর হাত ধরে যোগদান
ঘনিষ্ঠ সূত্রের খবর, গত কয়েকদিন ধরেই স্থানীয় তৃণমূল নেতৃত্বের সঙ্গে বনিবনা হচ্ছিল না তাঁদের। গত কয়েক মাস ধরেই শ্রাবণী ও তাঁর স্বামীর অনুগামীদের দূরত্ব তৈরি হচ্ছিল দলের। দলে থেকেই বেসুরো হচ্ছিলেন দুই সদস্য। বারবার তাঁরা অভিযোগ করছিলেন এলাকার উন্নয়নমূলক কাজ এবং দলের সিদ্ধান্ত ক্ষোভ ছিল তাঁদের। তার থেকেই দূরত্ব বাড়তে থাকে। তারপর অবশেষে ব্যারাকপুরের বিজেপি প্রার্থী অর্জুন সিংয়ের হাত ধরে গেরুয়া শিবিরে শামিল হেন শ্রাবণী ও মৃণ্ময়। অর্জুন সিং তাঁদের হাতে দলীয় পতাকা তুলে দেন। এখন প্রশ্ন, শ্রাবণী কাশ্যপীর দল ছাড়া ব্যারাকপুর এলাকায় তৃণমূলকে কি ব্যাকফুটে ঠেলবে ?
তৃণমূলে ভাঙন অন্যান্য জেলাতেও
বিধানসভা নির্বাচনের প্রাক্কালে অন্যান্য জেলাতেও বড় ধাক্কা খেল তৃণমূলে । তৃণমূলের প্রার্থী তালিকা নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করে তৃণমূল ত্যাগ করে কংগ্রেসে যোগদান করলেন প্রাক্তন জেলা তৃণমূল সিনিয়র সহ সভাপতি দিব্যজ্যোতি প্রসাদ সিং দেও । শনিবার পুরুলিয়া জেলা কংগ্রেস কার্যালয়ে যোগদানকারীদের হাতে দলীয় পতাকা তুলে দিলেন জেলা কংগ্রেস সভাপতি নেপাল মাহাতো । যোগদান পর্বের পরই দিব্যজ্যোতি প্রসাদ সিংদেওকে পুরুলিয়া বিধানসভায় কংগ্রেসের প্রার্থী করার আশাপ্রকাশ করলেন জেলা কংগ্রেস সভাপতি নেপাল মাহাতো । অন্যদিকে, কোচবিহারে তৃণমূল কংগ্রেসেও ভাঙন ধরল। তৃণমূল ছেড়ে কংগ্রেসের হাত ধরলেন কোচবিহার ২ পঞ্চায়েত সমিতির সদস্য এবং কিষান ক্ষেত মজুর তৃণমূল কংগ্রেস জেলা সভাপতি, রবীন্দ্রনাথ ঘোষ অনুগামী বলে পরিচিত খোকন মিঞা। পুরনো দলের বিরুদ্ধে একরাশ ক্ষোভ উগড়ে দিয়েছেন তিনি। পুরনো নেতা কর্মীদের গুরুত্ব দিচ্ছে না তৃণমূল, কর্পোরেট সংস্থা দল চালাচ্ছে বলে অভিযোগ করেন দলত্যাগী নেতা।





















