Kolkata News: CEO দফতরের বাইরে তুলকালাম, এক্স হ্যান্ডলে গোলমালের ফুটেজ দেখিয়ে কড়া বার্তা কমিশনের
West Bengal SIR News: গতকাল দফায় দফায় সিইও দফতরের সামনে তুলকালাম, ধুন্ধুমার। আজ সকাল থেকে আঁটোসাঁটো নিরাপত্তা সেখানে। কড়া বার্তাও দিয়েছে কমিশন। কী জানিয়েছে তারা?

রুমা পাল, হিন্দোল দে, কলকাতা : CEO দফতরের বাইরে তুলকালাম, কড়া বার্তা কমিশনের। 'বেলেঘাটার কাউন্সিলর গুন্ডাদের সঙ্গে মিলে CEO দফতর ঘেরাও করেছেন। রাতে CEO দফতরের বাইরে স্লোগান দেওয়া হয়েছে। এ ধরনের সমাজবিরোধী কার্যকলাপ বরদাস্ত করা হবে না', গোলমালের ফুটেজ দেখিয়ে এক্স হ্যান্ডলে কড়া বার্তা CEO দফতরের। আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে হুঁশিয়ারি CEO দফতরের। স্বচ্ছ নির্বাচনের জন্য চেষ্টার কসুর করবে না নির্বাচন কমিশন, জানিয়েছে CEO দফতর।
আজ সকাল থেকে সিইও দফতরের সামনে রয়েছে কড়া নিরাপত্তা। দড়ি দিয়ে বেঁধে রাখা হয়েছে গার্ডরেল। মোতায়েন রয়েছে প্রচুর কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ান। সুষ্ঠু, নিরাপদ ভোট করাতে তৎপর নির্বাচন কমিশন। সিইও দফতরের সামনে জারি রয়েছে ১৬৩ ধারা। গতকালও মাইকিং করা হচ্ছিল পুলিশের তরফে। জানানো হচ্ছিল যে ১৬৩ ধারা রয়েছে। কেউ যেন জমায়েত না করেন। কিন্তু চোখের নিমেষে ধুন্ধুমার পরিস্থিতি তৈরি হয়। বাঁশ, লাঠি সব নিয়ে চলে হামলা। স্লোগান-পাল্টা স্লোগানে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। আর যেন কেউ সিইও দফতরের সামনে কেউ কোনও গন্ডগোল করতে না পারে সেই জন্য বিস্তীর্ণ এলাকায় ব্যারিকেড করে দেওয়া হয়েছে।
Councillor Beleghata with some hooligans gheraoed the office of CEO and shouted slogans at the dead of night. Such anti social activities will not be tolerated and law will take its own course. ECI will leave no stone unturned to ensure free and fair assembly elections.@ECISVEEP pic.twitter.com/MURAIs5lqy
— CEO West Bengal (@CEOWestBengal) April 1, 2026
গতকাল রাতে 'ফর্ম 6' জমা দেওয়ার অভিযোগ ঘিরে ফের উত্তপ্ত হয়ে হঠে CEO দফতরের বাইরের এলাকা। ঘটনাস্থলে থাকা বিশাল পুলিশ বাহিনীর সঙ্গে বচসায় জড়ান তৃণমূলপন্থী BLO ও তৃণমূল কর্মীরা। পুলিশের বিরুদ্ধে স্লোগান দিতে থাকেন তাঁরা। এই সময়ে পুলিশ বিক্ষোভকারীদের CEO দফতরের ১০০ থেকে ২০০ মিটার দূরে সরিয়ে দেয়। রাত ১২টা নাগাদ CEO দফতরে পৌঁছন কলকাতার পুলিশ কমিশনার। মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক মনোজকুমার আগরওয়ালের সঙ্গে দেড়ঘণ্টা বৈঠক করেন তিনি। রাত দেড়টা নাগাদ অফিস থেকে বেরিয়ে যান CEO। এরপরে পুলিশ কমিশনার বেরিয়ে এসে পুলিশকর্মীদের সঙ্গে কথা বলেন এবং তাঁদের প্রয়োজনীয় নির্দেশ দেন। তারপরে CEO দফতরে পৌঁছয় বিশাল কেন্দ্রীয় বাহিনী। 'ফর্ম 6' জমা দেওয়ার অভিযোগ ঘিরে গতকাল দফায় দফায় উত্তপ্ত হয়ে ওঠে স্ট্র্যান্ড রোডে CEO দফতরের বাইরের এলাকা। হাতাহাতি ও সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়েন তৃণমূল ও বিজেপির কর্মী-সমর্থকরা। পরিস্থিতি সামাল দিতে পুলিশের পাশাপাশি নামতে হয় কেন্দ্রীয় বাহিনীকেও। আজ সকাল থেকে কলকাতা পুলিশের কড়া নিরাপত্তা CEO দফতরের বাইরে। দড়ি দিয়ে বাঁধা হচ্ছে একাধিক গার্ডরেল। গতকাল গার্ডরেল সরিয়ে ঢোকার চেষ্টা করে বিক্ষোভকারীরা। সকাল থেকে কেন্দ্রীয় বাহিনী জওয়ানরাও রয়েছেন CEO দফতরের বাইরে। এখনও CEO দফতরের বাইরে ধর্না দিচ্ছেন তৃণমূলপন্থী BLO সংগঠনের সদস্যরা। প্রয়োজনে ফের লড়াইয়ের হুঁশিয়ারি দিচ্ছেন তৃণমূল কর্মীরা।





















