West Bengal Election 2026: ভোটের আগে কেউ ভয় দেখাচ্ছে, চাপ দিচ্ছে? কমিশনকে সরাসরি জানান এভাবে, পদক্ষেপ তখনই
West Bengal Election: এমন কিছু ঘটলে এবার সরাসরি অভিযোগ জানানো যাবে মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিককে, বার্তা দিল নির্বাচন কমিশন।

কলকাতা : দ্বিতীয় দফা ভোটের আগে আইনশৃঙ্খলা রক্ষা নিয়ে আরও কড়া অবস্থান নিল নির্বাচন কমিশন। নির্বাচন প্রক্রিয়াকে ভয়ভীতি মুক্ত করতে , স্বচ্ছ করতে, একের পর এক পদক্ষেপ নিয়ে চলেছে কমিশন। ভোটের আবহে বহু প্রশাসনিক ও পুলিশি পদে রদবদল করা হয়েছে। এবার ভোটের দিন যাতে কোনও ভোটারকে যাতে কাউকে ভোট দিতে বাধ্য না করা হয়, বা কোনও ভাবে ভয় বা চাপ না দেওয়া হয়, তার জন্যও ব্যবস্থা নিল কমিশন।
এমন কিছু ঘটলে এবার সরাসরি অভিযোগ জানানো যাবে মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিককে, বার্তা দিল নির্বাচন কমিশন। আসন্ন নির্বাচনকে সামনে রেখে ভোটারদের জন্য বিশেষ বার্তা দিল পশ্চিমবঙ্গের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের দফতর। ভোট দিতে যাওয়ার সময় কোনও রকম ভয়, হুমকি, বাধা বা অনৈতিক চাপের মুখে পড়লে সরাসরি অভিযোগ জানানোর আবেদন করা হয়েছে সাধারণ মানুষের কাছে।
প্রচারমূলক পোস্টারে স্পষ্ট করে জানানো হয়েছে, ভোটের দিন যদি কেউ ভয় দেখায়, বুথে যেতে বাধা দেয় কিংবা কোনও বিশেষ বিষয় নিয়ে ভোটারদের আতঙ্কিত করার চেষ্টা করে, তাহলে তা অবিলম্বে প্রশাসনকে জানান। ভোটারদের মতামত, অভিযোগ বা নির্বাচনী সংক্রান্ত পরামর্শ সরাসরি মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক, পশ্চিমবঙ্গের কাছে পৌঁছে দেওয়া যাবে বলেও উল্লেখ করা হয়েছে।
পোস্টারে আরও বলা হয়েছে, অভিযোগকারীর পরিচয় সম্পূর্ণ গোপন রাখা হবে। ফলে কোনও রকম প্রতিশোধ বা হয়রানির ভয় না পেয়ে মানুষকে সামনে এসে অভিযোগ জানানোর আহ্বান জানানো হয়েছে।
একই সঙ্গে ভোটের পরিবেশ যাতে শান্তিপূর্ণ থাকে, তার জন্য কয়েকটি বিষয় স্পষ্টভাবে নিষিদ্ধ করা হয়েছে। যেমন—
- কোনও হিংসা নয়
- কোনও ভীতিভীতি প্রদর্শন নয়
- কোনও প্রচার নয়
- কোনও উত্তেজনা বা ক্ষোভের পরিবেশ তৈরি নয়
- কোনও ছাপ্পা ভোট নয়
- কোনও বুথ দখল বা জ্যামিং নয়
কোথায় জানাবেন অভিযোগ
অভিযোগ বা পরামর্শ জানানোর জন্য বিশেষ ইমেল আইডি এবং টোল-ফ্রি নম্বরও প্রকাশ করেছে নির্বাচন কমিশন। ভোটাররা wbfreeandfairpolls@gmail.com-এ ইমেল করতে পারবেন। এছাড়াও ১৮০০-৩৪৫-০০০৮ নম্বরে ফোন করেও অভিযোগ জানানো যাবে।
নির্বাচন কমিশনের এই উদ্যোগকে গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়াকে আরও স্বচ্ছ ও নিরাপদ করার গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ বলেই মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল।



















