Bengal First Phase Election : 'শনাক্ত হয়েছে, ক্রমাগত অভিযান চলছে, ওদের গ্রেফতার করা হবে', কুমারগঞ্জের ঘটনায় প্রতিক্রিয়া SP-র
BJP News : পুলিশের সামনে তাঁকে কিল, চড়, ঘুষি মারার অভিযোগ ওঠে। যা নিয়ে উত্তেজনা ছড়ায়।

কুমারগঞ্জ : "আমি সকাল থেকে বলেছি, এখানকার এসপি নিরপেক্ষ নন। তিনি একেবারে পরিকল্পনা করে এগুলো করাচ্ছেন।" পুলিশের সামনেই আক্রান্ত হওয়ার পর এমনই অভিযোগ করেছিলেন দক্ষিণ দিনাজপুরের কুমারগঞ্জের বিজেপি প্রার্থী শুভেন্দু সরকার। পুলিশের সামনে তাঁকে কিল, চড়, ঘুষি মারার অভিযোগ ওঠে। যা নিয়ে উত্তেজনা ছড়ায়। এই ঘটনা প্রসঙ্গে এবার পুলিশ সুপার বললেন, "আমরা দেখছি। আইনি প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। বাইরের দিকে হয়েছে। আমরা দেখছি। শনাক্ত হয়েছে। রেড করে ওদের গ্রেফতার করছি। ক্রমাগত অভিযান চলছে। গ্রেফতার হবে।"
রাজ্যের ভোট থেকে পৃথক করা গেল না হিংসা-অশান্তিকে। সময় যত গড়াচ্ছে তত একের পর এক হিংসার ঘটনা সামনে আসতে শুরু করেছে। কিছুক্ষণ আগেই দক্ষিণ দিনাজপুরের কুমারগঞ্জের স্বয়ং প্রার্থীকেই মারধরের অভিযোগ ঘিরে শোরগোল পড়ে যায়। বিজেপি প্রার্থীকে বেধড়ক মারধরের অভিযোগ ওঠে তৃণমূল কংগ্রেসের বিরুদ্ধে। পুলিশের সামনেই কুমারগঞ্জের বিজেপি প্রার্থী শুভেন্দু সরকারকে কিল-চড়-ঘুষি মারা হয় বলে অভিযোগ। যাকে কেন্দ্র করে চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে। তারও কিছু আগে তাঁর এজেন্টকে বাধা দেওয়ার অভিযোগ ঘিরে ছাঞ্চল্য ছড়ায় ! দুষ্কৃতীদের ধাওয়া করতে দেখা যায় স্বয়ং বিজেপি প্রার্থীকেই। তারা তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতী বলে অভিযোগ ওঠে। কুমারগঞ্জের বিজেপি প্রার্থীর এজেন্টকে বুথে ঢুকতে বাধা দেওয়ার অভিযোগ ওঠে তৃণমূলের বিরুদ্ধে। পাল্টা অভিযুক্তদের ধাওয়া করেন প্রার্থী শুভেন্দু সরকার।
পরে ঘটনা প্রসঙ্গে বিজেপি প্রার্থী বলেন, "আমার ওপর হামলা করার চেষ্টা হয়েছে। গায়ে হাত দিতে পারেনি। গাড়ি ভেঙেছে। সাংবাদিকদেরও গাড়ি ভেঙেছে। আসলে সকাল থেকে এরা যে কাণ্ডটা করতে চেয়েছিল...প্রতিটি বুথ জ্যাম করবে, বিরোধী এজেন্টদের বের করে দেবে, কিন্তু আপনারা জানেন প্রায় ৮-১০ জায়গায় আমি এজেন্ট বসিয়েছি। যখন এই খবরটা গেছে, একটা সংকীর্ণ জায়গা ছিল, যেখানে আমরা ঢুকতে পারি, কিন্তু বেরনোটা কঠিন...ওরা পরিকল্পনা করে সেখানে আমাদের আটক করে, আমাদের ওপর হামলা চালানোর চেষ্টা করে।"
এরপর পুলিশ সুপারের বিরুদ্ধে সুর চড়িয়ে তিনি বলেন, "আমি সকাল থেকে বলেছি, এখানকার এসপি নিরপেক্ষ নন। তিনি একেবারে পরিকল্পনা করে এগুলো করাচ্ছেন। এখানকার পুলিশ সুপারই তো নির্বাচন কমিশনের আন্ডারে। তাহলে সমস্ত দায়দায়িত্ব এখানকার পুলিশ সুপারের। আমি সকাল থেকে অনেকবার জানিয়েছি। তিনি এখন আরাম-কেদারায় বসে আরাম খাচ্ছেন। অফিসে বসে। তাঁর কোনও মোতায়েন নেই। এখানে সন্ত্রাসের মুক্তাঞ্চল বানানোর চেষ্টা করেছেন।"





















