PM Modi: 'আসল চোর কে, পশ্চিমবঙ্গবাসী জানে, পতনের কাউন্টডাউন শুরু', ব্রিগেড থেকে 'নতুন বাংলার' বার্তা মোদির
প্রধানমন্ত্রী বলেন, 'ব্রিগেডে যত দূর চোখ চায়, শুধুই জনসমুদ্র। বাংলার মনে কী চলছে, দেখতে চাইলে, এই ব্রিগেড দেখে যান। ব্রিগেড থেকে নতুন বাংলার বিউগল বেজে গেল। বাংলা থেকে উৎখাত হবে নির্মম সরকার।'

কলকাতা: ভোটের আগে ব্রিগেড সমাবেশের প্রশাসনিক মঞ্চ থেকে ১৮ হাজার ৬০০ কোটি টাকার বিভিন্ন প্রকল্পের শিলান্যাস ও উদ্বোধন করেন। ভোটের নির্ঘণ্ট ঘোষণার আগে প্রধানমন্ত্রীর ব্রিগেড সমাবেশে মঞ্চজুড়ে বাঙালিয়ানা। মূল মঞ্চ সেজে উঠেছে দক্ষিণেশ্বরের ভবতারিণী মন্দিরের আদলে। সেই মঞ্চ থেকেই ফের বাংলায় পরিবর্তনের ডাক দিলেন নরেন্দ্র মোদি।
৮০ ফুট চওড়া মূল মঞ্চ থেকে প্রধানমন্ত্রী বলেন, 'ব্রিগেডে যত দূর চোখ চায়, শুধুই জনসমুদ্র। বাংলার মনে কী চলছে, দেখতে চাইলে, এই ব্রিগেড দেখে যান। ব্রিগেড থেকে নতুন বাংলার বিউগল বেজে গেল। বাংলা থেকে উৎখাত হবে নির্মম সরকার। বাংলায় মহাজঙ্গল-রাজের পতন হবে। ব্রিগেডে আসা বিজেপি কর্মীদের চোর বলছে তৃণমূল। আসল চোর কে, পশ্চিমবঙ্গবাসী জানে'।
এদিকে, ব্রিগেডে মোদির সভার আগেই ছিঁড়ে ফেলা হল হোর্ডিং। ছিঁড়ে ফেলা হল ব্রিগেডের সবচেয়ে বড় হোর্ডিং। হোর্ডিংয়ে লেখা 'চাকরি চাই, বিজেপি চাই', ৫০ ফুট বাই ৪০ ফুটের ২টি ব্যানারই ছিঁড়ে ফেলা হয়েছে। রাতে ওই ব্যানার ছিঁড়ে দিয়েছে তৃণমূলের দুষ্কৃতীরা, অভিযোগ বিজেপির। এদিন মোদি বলেন, 'বিজেপির ব্রিগেডে বাধা দিতে সব অস্ত্র প্রয়োগ করেছে নির্মম সরকার। বিজেপি কর্মীদের বাস আটকাতে ব্রিজ বন্ধ করে দিয়েছিল। বিজেপি কর্মীদের বাধা দিতে ইচ্ছাকৃতভাবে ট্রাফিক জ্যাম করা হয়েছে। বাংলায় মহাজঙ্গল-রাজের পতনের কাউন্টডাউন শুরু। বাংলায় আইনের শাসন ফিরবেই'।
ব্রিগেড থেকে মোদি বলেন, 'তৃণমূলের অত্যাচারীদের রেয়াত করা হবে না। তৃণমূল সরকার সবেতে কাটমানি খায়। বেছে বেছে সব হিসেব নেওয়া হবে। নির্মম সরকার যতই জোর লাগাক, পরিবর্তন আটকাতে পারবে না। বাংলার উন্নয়নে জোর কেন্দ্র সরকারের। বাংলায় যুবকরা না ডিগ্রি পাচ্ছেন, না চাকরি পাচ্ছেন। পশ্চিমবঙ্গ ছে়ড়ে ভিনরাজ্যে যেতে হচ্ছে যুবকদের। এরা নিজেদের পকেট ভরে, আর উন্নয়ন আটকে থাকে। পশ্চিমবঙ্গে সবক্ষেত্রে দুর্নীতি চলছে। পশ্চিমবঙ্গের স্বপ্নপূরণ মোদির গ্যারান্টি'।
প্রধানমন্ত্রী এও বলেন, 'কেন্দ্রের প্রকল্পের বাধা রাজ্য সরকারের। যারা মানুষকে বঞ্চিত করে, তারা বাংলার শত্রু। পিএম আবাস যোজনার নাম বদলে দিয়েছে পশ্চিমবঙ্গ সরকার। পশ্চিমবঙ্গে যাঁরা যোগ্য, তাঁরা বাড়ি পান না। জল জীবন মিশনের সুবিধা থেকেও বঞ্চিত হচ্ছে বাংলা। তৃণমূলের স্বার্থের রাজনীতির জন্য এখানে আয়ুষ্মান ভারত চালু করতে দেয়নি। তৃণমূল সরকার মানুষের অধিকার কেড়ে নিয়েছে। পশ্চিমবঙ্গে কৃষকদের অবস্থাও প্রকাশ্যে চলে এসেছে। চন্দ্রকোণায় আত্মহত্যা করেছেন আলু চাষি। পশ্চিমবঙ্গ থেকে তৃণমূল বিদায় গেলে মানুষ বাঁচবে। তৃণমূল গেলে গরিবরা পাকা বাড়ি পাবেন। তৃণমূল গেলে সব ঘরে জল পৌঁছবে। তৃণমূল গেলে সব গরিব বিনামূল্যে চিকিৎসা পাবে। তৃণমূল গেলে তবেই বাংলা সুশাসন ফিরবে'।





















