Mamata Banerjee: "লক্ষ্মীর ভাণ্ডার সারাজীবন পেতে গেলে জোড়াফুল" ! বড় বার্তা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের
Laxmir Bhandar : ''মা বোনেরা আমার লক্ষ্মীর ভাণ্ডার সারা জীবন পেতে চান তো? তাহলে তৃণমূল কংগ্রেস জোড়া ফুল'' : মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

আর এক মাসও নেই নির্বাচনে। হাতে যে কটা দিন আছে, একেবারে মাটি কামড়ে ভোট প্রচারে নেমেছেন রাজনৈতিক দলের প্রার্থী ও হেভিওয়েটরা। প্রতিটা বিধানসভা কেন্দ্রে জন জনসংযোগ। বুধবার নির্বাচনী জনসভার জন্য নানুরে যান তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। আর এই সভা থেকে কার্যত আক্রমণ শানালেন বিরোধীপক্ষকে। পাশাপাশি, লক্ষ্মীর ভাণ্ডার নিয়েও দিলেন বড় বার্তা।
এদিনের জনসভা থেকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের প্রসঙ্গে বলার সময় জানান, '' যারা লক্ষ্মীর ভাণ্ডারে আবেদন করেছেন, তারাও আসতে আসতে টাকা পেয়ে যাবেন। তার কারণ, আমরা কাউকে বাদ দিই না। মা বোনেরা আমার লক্ষ্মীর ভাণ্ডার সারা জীবন পেতে চান তো? তাহলে তৃণমূল কংগ্রেস জোড়া ফুল।'' যদিও এই মন্তব্যের পর শুরু হয়েছে রাজনৈতিক তরজা। তিনি আরও জানান, '' মা বোনেরা গতবার লক্ষ্মীর ভাণ্ডার চালু করব বলেছিলাম, করেছি? প্রথম পেতেন ৫০০ আর ৭০০, এখন পান ১৫০০ আর ১৭০০।
এছাড়াও কৃষকদের নিয়েও তিনি বলেন, '' কৃষক বন্ধুর টাকা পেতে চান তো? বিনা পয়সায় মাঠের খরচ চান তো? বিদ্যুৎ ফ্রি চান তো? ক্ষতি হলে সরকারের টাকা চান তো? তাহলে মনে রাখবেন তৃণমূল আপনার পাশে, তৃণমূল আপনার সাথে, তৃণমূল আপনার বন্ধু।'' মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আরও জানান, '' কৃষকদের জন্য একটা গুড নিউজ আছে। যারা ২০০০ টাকা পর্যন্ত 'মাইক্রো ইরিগেশন'-এর জন্য জমি সেচ করতে গিয়ে বিদ্যুৎ দফতরকে টাকা দিতেন, সেটাও ফ্রি করে দেওয়া হয়েছে। সুতরাং আপনাদের জন্য যা যা করা দরকার আমরা সবটাই করেছি।''
উল্লেখ্য, এর আগেও তৃণমূলের ইস্তেহার প্রকাশ করার পর তৃণমূল নেত্রী জানিয়েছিলেন, ''লক্ষ্মীর ভাণ্ডার বৃদ্ধি আমরা করেছি। এবং বলে দিয়েছি, সারাজীবন লক্ষ্মীর ভাণ্ডার পাবে।"
লক্ষ্মীর ভাণ্ডার কারা পাবেন ?
লক্ষ্মীর ভাণ্ডারে আবেদনকারীদের বেশ কিছু যোগ্যতা থাকা বাধ্যতামূলক। প্রথমত, স্বাস্থ্য সাথীর অধীনে তাঁদের নাম নথিভুক্ত থাকা আবশ্যক। দ্বিতীয়ত, আবেদনকারীকে পশ্চিমবঙ্গের স্থায়ী বাসিন্দা হতে হবে। তৃতীয়ত, লক্ষ্মীর ভাণ্ডারে আবেদনকারীর বয়স ২৫ থেকে ৬০ বছর বয়সের মধ্যে হতে হবে। মমতা বন্দোপাধ্যায়ের ঘোষণা অনুযায়ী একবার নাম নথিভুক্ত হলেই সারাজীবন টাকা পাবেন আপনারা।
কারা পাবেন না ?
১. সরকারি কর্মচারী হলে এই ক্ষেত্রে আবেদন করা যাবে না।
২. ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টের সঙ্গে আধার কার্ড লিঙ্ক করা না থাকলে অ্যাকাউন্টে লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের টাকা ঢুকবে না। এই বিষয়ে স্পষ্ট নির্দেশিকা দিয়েছে প্রশাসন।
৩.এছাড়া আবেদনকারীর 'সিঙ্গেল' অ্যাকাউন্টে ঢুকবে টাকা। কোনও ধরনের জয়েন্ট অ্যাকাউন্টে কিন্তু লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের টাকা ঢুকবে না।
৪. সমস্ত তথ্য সঠিক না দিলে আবেদনের ফর্ম বাতিল হয়ে যেতে পারে।





















