Joy Banerjee: প্রয়াত অভিনেতা জয় বন্দ্যোপাধ্যায়, 'এটা চলে যাওয়ার বয়স নয়', স্মরণ শতাব্দীর, শোকপ্রকাশ রুদ্রনীলের
Joy Banerjee Death: সূত্রের খবর, শ্বাসকষ্ট জনিত কারণে গত ১৫ অগাস্ট হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছিল অভিনেতাকে।

কলকাতা: নয়ের দশকে 'হার্টথ্রব' ছিলেন তিনি। একাধিক হিট ছবি তৎকালীন সময়ে। ‘হীরক জয়ন্তী’, ‘অভাগিনী’, ‘মিলন তিথি’, ‘জীবন মরণ’, ‘নাগমতি’-সহ বহু ছবির নায়ক ছিলেন জয়। 'চপার' ছবিতে তাঁর অভিনয় বিশেষ ভাবে প্রশংসিত হয়েছিল দর্শক মহলে। সোমবার সকালেই শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করলেন অভিনেতা জয় বন্দ্যোপাধ্যায়।
সূত্রের খবর, শ্বাসকষ্ট জনিত কারণে গত ১৫ অগাস্ট হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছিল অভিনেতাকে। অভিনেতার সহকারী জানিয়েছেন, দীর্ঘদিন ধরে অসুস্থ ছিলেন অভিনেতা। অভিনেতার মৃত্যুতে শোকের ছায়া টলিউডে।
১৯৬৩ তে জন্ম। বাংলা ছবিতে অভিষেক ১৯৮২ সালে। চুমকি চৌধুরী এবং জয়ের জুটি এখনও সিনেপ্রেমীদের কাছে আলোচিত। সুখেন দাস, অঞ্জন চৌধুরীর একাধিক ছবিতে অভিনয় করতে দেখা গিয়েছে তাঁকে। রাজনীতিবিদ, অভিনেত্রী অনন্যা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে বিয়ে হয় জয়ের। তবে সেই বিয়ে টেকেনি। এরপর দ্বিতীয় স্ত্রী অঙ্কিতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গেই সংসার ছিল প্রয়াত অভিনেতার।
মাঝখানে অভিনয় থেকে কিছুটা দূরেই সরে গিয়েছিলেন। চলে গিয়েছিলেন অন্তরালে। প্রচারের আলোয় ফিরে আসেন ২০১৪ সালে। তবে এবার অভিনয় নয় রাজনীতিতে। ছিলেন বিজেপি রাজ্য কমিটির সদস্য।২০১৪ সালের লোকসভা নির্বাচনে শতাব্দী রায়ের বিরুদ্ধে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছিলেন জয়। কিন্তু হার হয়েছিল অভিনেতার। ২০২১ সালে তিনি আনুষ্ঠানিক ভাবে ঘোষণা করেছিলেন তিনি আর বিজেপির প্রতিনিধিত্ব করবেন না। ২০১৯ এ ফের একবার বিজেপির হয়ে লোকসভা ভোটের প্রার্থী হন জয়। তবে এবারও পরাজিত হতে হয় তাঁকে। ২০২২-এ বিজেপি ত্যাগ করার কথা ঘোষণা করেন অভিনেতা।
রাজনীতির মাঠে তাঁর প্রতিপক্ষ ছিলেন তাঁর সহ অভিনেত্রী শতাব্দী রায়। অভিনেতার মৃত্যুর খবরে এক সংবাদ মাধ্যমে শতাব্দী রায় বলেছেন, নিজের জীবনটা একেবারে অগোছালো করে রেখেছিল জয়। নেশায় ডুবে গিয়েছিল। ফলে সুস্থ রইল না। আমার মনে হয়, নিজের উপর অত্যাচার করেছে। না হলে তো জয়ের এটা চলে যাওয়ার বয়স নয়।
শোকপ্রকাশ করেছেন অভিনেতা রুদ্রনীল ঘোষ। তিনি ফেসবুকে লেখেন, 'প্রয়াত অভিনেতা জয় ব্যানার্জি। ঈশ্বরের কাছে ওঁনার আত্মার শান্তি কামনা করি।'






















