Badshah: শান্তি খুঁজতে এবার প্রেমানন্দ মহারাজের দ্বারস্থ জনপ্রিয় ব়্যাপার বাদশা! কী অভিজ্ঞতা হল?
Premanand Govind Sharan Maharaj: নীল সাদা শার্টের ওপরে লাল আর সোনালি রঙের উত্তরীয়। বাদশাকে এই বেশে সচারচর দেখা যায় না। একেবারে অচেনা বেশেই ধরা গিয়েছিলেন তিনি

কলকাতা: বিভিন্ন সময়েই তাঁর বিভিন্ন কাজ, ঘটনা বা বক্তব্যের জন্য শিরোনামে থাকেন তিনি।। তবে এবার আর কোনও ঘটনা ঘটানো নয়, এবার জনপ্রিয় ব়্যাপার বাদশা (Badshah) খুঁজছেন, মানসিক শান্তি। প্রেমানন্দ মহারাজের স্মরণাপন্ন হলেন জনপ্রিয় ব়্যাপার। উত্তরপ্রদেশের বৃন্দাবনে আধ্যাত্মিক গুরুর কাছে যাওয়া বলিউডে এই প্রথম নয়। প্রেমানন্দ মহারাজের কাছে হামেশাই গিয়ে থাকেন বিরাট কোহলি (Virat Kohli) ও অনুষ্কা শর্মা (Anushka Sharma)। এর আগে, শিল্পা শেট্টি (Shilpa Shetty) ও তাঁর স্বামী রাজ কুন্দ্রা (Raj Kundra) ও গিয়েছিলেন প্রেমানন্দ মহারাজের কাছে। আর এবার, মানসিক শান্তি খুঁজতে দাদার সঙ্গে সেই প্রেমানন্দ মহারাজের কাছে গেলেন বাদশা।
নীল সাদা শার্টের ওপরে লাল আর সোনালি রঙের উত্তরীয়। বাদশাকে এই বেশে সচারচর দেখা যায় না। একেবারে অচেনা বেশেই ধরা গিয়েছিলেন তিনি। হাঁটু মুড়ে, মাথা নিচু করে বসে তিনি প্রেমানন্দ মহারাজের বাণী শুনছিলেন। এখানেই শেষ নয়, তিনি ও তাঁর দাদা এদিন প্রেমানন্দ মহারাজের সঙ্গে অনেক কথোপকথন ও করেন। সমাজমাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে বাদশার এই ছবি। বাদশার দাদা এদিন বলেন, 'এই পৃথিবীতে বহু মানুষই সত্যিটা শুনতে চান। কিন্তু সত্যিটা শোনার পরে, তার প্রভাব পড়ে ব্যক্তিগত সম্পর্কের উপর। ভালবাসা কমতে থাকে। কিন্তু তার পরেও, সত্যি কথা শোনার ইচ্ছে আমাদের মধ্যে থেকেই যায়। কিন্তু সত্য ঘটনা জানার পরে সবাই দূরে সরে যায়। এ যেন অভিশাপের মতো। সত্য বলার সঙ্গে সঙ্গে যেন সব শেষ হয়ে যায়।' এই শুনে প্রেমানন্দ মহারাজ বলেন, 'আসলে জগৎ সংসার অসত্যে ভরে রয়েছে। এর মধ্যে যদি তুমি সত্যের পক্ষ নাও, তা হলে খুব স্বাভাবিক ভাবেই তুমি একা হয়ে যাবে। তোমার পাশে দাঁড়ানোর মতো কেউ থাকবে না। সত্য বললে হয়তো সেটা অনেকেই পছন্দ করবেন না। কিন্তু পরমাত্মা প্রসন্ন হবেন।'
সম্প্রতি ভাইরাল হয়েছিল একটি ভিডিও, সেখানে দেখা গিয়েছিল, ইসকন পরিচালিত নিরামিষ রেস্তোরাঁয় ঢুকে একজন মাংস খাচ্ছেন। সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়েছিল এই ভিডিও। এই ভিডিও দেখে সোশ্যাল মিডিয়ায় ক্ষোভ উগরে দিয়েছিলেন বাদশা। তিনি লিখেছিলেন, 'মুরগীরাও এই ভিডিওটা দেখে লজ্জিত হবে। ওর মুরগী খাওয়ার জন্য ক্ষুধার্ত ছিল না, ওর আসলে জুতো দিয়ে মারের দরকার ছিল। যে জিনিসকে তুমি বোঝো না, তাকে সম্মান করাটাই হল আসল শক্তি।'






















