Swastika Mukherjee: 'পরিচালকের গাড়িতে থাকা মহিলারা জামিন পেলেন কী করে?', ঠাকুরপুকুরকাণ্ডে প্রশ্ন তুললেন স্বস্তিকা
Swastika Mukherjee News: সোশ্যাল মিডিয়ায় লম্বা চওড়া পোস্ট করে স্বস্তিকা প্রশ্ন তুলেছেন, ওই পরিচালকের সঙ্গে যে অভিনেত্রীরা ছিলেন, তাঁরা কেন জামিনে মুক্তি পেলেন?

কলকাতা: ঠাকুরপুকুরকাণ্ডে নাম জড়িয়েছে টলিউডের অভিনেতা অভিনেত্রীদের। ইতিমধ্যেই গ্রেফতার করা হয়েছে পরিচালক ভিক্টো ওরফে সিদ্ধান্ত দাসকে। তবে পরিচালকের পাশে দাঁড়াতে রাজি নন টলিউডের কেউই। সোশ্যাল মিডিয়ায় এই ঘটনা নিয়ে সরব হয়েছেন অনেকেই। আর এই ঘটনায় এবার মুখ খুলেছেন স্বস্তিকা মুখোপাধ্যায় (Swastika Mukherjee)। সোশ্যাল মিডিয়ায় লম্বা চওড়া পোস্ট করে স্বস্তিকা প্রশ্ন তুলেছেন, ওই পরিচালকের সঙ্গে যে অভিনেত্রীরা ছিলেন, তাঁরা কেন জামিনে মুক্তি পেলেন?
স্বস্তিকা লিখছেন, এতদিন জানতাম মদ্যপান করে গাড়ি চালানো ভীষণ গুরুতর একটা অপরাধ। ধরা পড়লে পুলিশ কোনও কথা শোনে না। কোনও রকম ক্ষমতা, পরিচিতি, ‘আমি কে জানো’, ‘আমি কার ছেলে জানো’ – এই ধরণের মন্তব্য কোনও কাজ করে না। সোজা হাজতবাস । কলকাতায় নাকি পুলিশ এই নিয়ে খুবই কড়াকড়ি করে। তাই জানি এবং তাই দেখেছি। কড়া নাকাবন্দি, চেকিং, গাড়িতে মহিলা থাকলেও কোনও আপোষ নয়।
স্বস্তিকা সোশ্যাল মিডিয়ায় লিখেছেন, 'তাহলে এত মারাত্মক একটা ঘটনাতে সবাই কী করে জামিন পেয়ে গেল? যে মহিলা বাজার থেকে পালাল, তাকে নাকি ধরাই হয়নি। সে কে? তাকে ছেড়ে দেওয়া হল কেন? একটা ‘নো এন্ট্রি’ রাস্তায় ঢুকে একজন কে মেরে ফেলল, বাকি এতজন হাসপাতালে। এত রকম খবর ঘুরছে যে সঠিক কজন বোঝা দায়। কিন্তু একজন এর মৃত্যুটা কি মশকরা? এমনই নৈরাজ্য তার মধ্যে মদ খেয়ে এইভাবে এলোপাথাড়ি গাড়ি চালিয়ে লোককে মেরে ফেললেও যদি কোনও শাস্তি না হয়, এবং রাতারাতি জামিন পেয়ে তারা যে যার বাড়ি চলে গিয়ে শান্তিতে ঘুমিয়ে পড়ে তাহলে আর আইন বা ট্রাফিক আইনের কোনও দরকার নেই। যে যা ইচ্ছে তাই করবে, গাড়ি চাপা দেবে, খুন করবে, ধর্ষণ করবে তারপর কিছুই হবে না।
যার বাড়ির লোক সকালবেলা বাজার করতে এসে কারুর আমদের জন্য প্রাণ হারাল আর যারা হাসপাতালে জীবন নিয়ে লড়ছে তাদের দায় কার? তাদের জবাবদিহিকে করবে? তাদের কি হবে? সহ্যের করার একটা সীমা থাকে। সব গিয়ে দেউলিয়া হয়ে গেছি আমরা। এদের বাঁচানোর ও লোক আছে? শাস্তি না পেলে এর শেষ কোথায়? গাড়ি যে চালাচ্ছিল এবং গাড়ি তে যে দুজন মহিলা ছিল তারা সমান দোষী। এদের বিরুদ্ধে কড়া ব্যবস্থা নেওয়া হোক। পাড়ার মধ্যে একদিন হেলমেট ছাড়া স্কুটিতে ওষুধ কিনতে গেছিলাম, পুলিশ আটকে দিয়েছিল। হাজার একটা কৈফিয়ত চাইল।মানুষ মেরে ফেলেছে যারা তাদের ব্যাপারে চুপ থাকলে তো হবে না। লোক বুঝে নিয়ম পাল্টালেও হবে না। মজা হচ্ছে নাকি! সবার জন্য নিয়ম একটাই। কঠোর শাস্তি।'






















