Twinkle Khanna: অক্ষয় তাঁর স্বামী, সন্তান নয়, দু’জনের রাজনৈতিক মতাদর্শ আলাদা, সমালোচনার জবাব দিলেন টুইঙ্কল
Akshay Kumar: নারীবাদী, উদারচেতা হিসেবে নিজেকে তুলে ধরলেও, স্বামীর ব্যাপারে কেন উদাসীন তিনি, উঠেছে প্রশ্ন।

মুম্বই: নিজে থেকে কিছু না বললেও, গত কয়েক বছরে অক্ষয় কুমারের রাজনৈতিক মতাদর্শ আলোচনার কেন্দ্রে উঠে এসেছে। বিশেষ একটি রাজনৈতিক দলের আদর্শের সঙ্গে সাযুজ্য রেখে অভিনেতা চরিত্র নির্বাচন করেন বলেও উঠেছে অভিযোগ। সেই নিয়ে সমালোচনায় বিদ্ধ হতে হয়েছে স্ত্রী টুইঙ্কল খান্নাকেও। নারীবাদী, উদারচেতা হিসেবে নিজেকে তুলে ধরলেও, স্বামীর ব্যাপারে কেন উদাসীন তিনি, উঠেছে প্রশ্ন। এবার সেই নিয়ে মুখ খুললেন টুইঙ্কল। (Twinkle Khanna)
সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যম টাইমস অফ ইন্ডিয়ায় লেখা নিজস্ব কলামে সমালোচকদের একহাত নিয়েছেন টুইঙ্কল। তিনি লিখেছেন, রাজনৈতিক মতাদর্শের নিরিখে অক্ষয় এবং তাঁর অবস্থানু ভিন্ন। তাঁরা স্বামী-স্ত্রী হলেও, দুই পৃথক ব্যক্তি। নিজস্ব ভাবনা-চিন্তা রয়েছে তাঁদের। তাই পৃথক রাজনৈতিক মতাদর্শ থাকাও স্বাভাবিক। অক্ষয় তাঁর স্বামী, সন্তান নয় বলেও সমালোচকদের মনে করিয়ে দিয়েছেন তিনি। (Akshay Kumar)
টুইঙ্কলের বক্তব্য, ‘২০ বছর ধরে এই প্রশ্নের উত্তর দিতে দিতে বিরক্ত। প্রায়শই প্রশ্নের মুখে পড়তে হয় আমাকে…পৃথক রাজনৈতিক মতাদর্শের জন্য দোষারোপও করা হয়। মানুষ বোধহয় মনে করেন, ও (অক্ষয়) আমার স্বামী নন, বরং শিশু, যে আমার কথা শুনে চলে। আমি যেন ওকে বলি, ‘বেটাজি রাস্তার বাঁ দিক দিয়ে হাঁটলে ফ্রুটি দেব’। আর সেই মতোই চলে ও’।
গায়ে তারকা-পত্নীর তকমা সেঁটে যাওয়া নিয়েও মুখ খুলেছেন টুইঙ্কল। তাঁর বক্তব্য, ‘সাক্ষাৎকার দিতে গেলে জিজ্ঞেস করা হয়, ‘আপনি তারকা-পত্নী, আমাদের বলুন কেমন লাগে’? এরকম প্রশ্ন শুনলেই সাংবাদিকের তর্জনী কামড়ে ধরতে ইচ্ছে হয়। আমি জবাব দিই, ‘তারকা-পত্নী বলে কোনও সংগঠন আছে বলে মনে হয় না আমার’। যদি না রাহু-কেতুর দোষ কাটাতে গাছের সঙ্গে অথবা হ্যালির ধূমকেতু বা তার চেয়েও খারাপ কিছুর সঙ্গে মহিলার বিয়ে হয়’।
স্ত্রীর সঙ্গে তাঁর রাজনৈতিক মতাদর্শ মেলে না বলে এর আগে মুখ খুলেছিলেন অক্ষয়ও। তাঁর বক্তব্য ছিল, “স্ত্রী এবং আমি একেবারে আলাদা। বিপরীত মেরুর বাসিন্দা বলতে পারেন। ও যদি বাঁয়ে ভাবে, আমি ভাবি ডাইনে।”
স্পষ্ট ভাবে নিজের রাজনৈতিক মতাদর্শ নিয়ে আলোচনা না করলেও, অক্ষয়কে ‘হিন্দুত্বের পোস্টার বয়’ বলে কটাক্ষ করেন নেটিজেনদের একাংশ। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সাক্ষাৎকার নেওয়া থেকে ছবির চরিত্র বাছার ক্ষেত্রেও তিনি সরকারের প্রতি আনুগত্য পালন বলে অভিযোগ ওঠেন। সম্প্রতি পাঠ্য ইতিহাস বই সংশোধন করার দাবি তুলেও সমালোচনার মুখে পড়েন তিনি।
ট্রেন্ডিং
সেরা শিরোনাম
