Udit Narayan: 'আমার সম্মতি ছাড়া, আমার অজান্তেই, আমার জরায়ু অপসারণ করা হয়েছে' ! উদিত নারায়ণের বিরুদ্ধে মারাত্মক অভিযোগ প্রথম স্ত্রী'র
Udit Narayan Controversy: রঞ্জনার অভিযোগ, তাঁর অজান্তেই তাঁর জরায়ু অপসারণ করা হয়েছিল। পরে অন্য চিকিৎসার সময় গোটা বিষয়টি জানতে পারেন বলেও দাবি করেছেন রঞ্জনা।

Udit Narayan: ফের বিতর্কের মুখে সঙ্গীতশিল্পী উদিত নারায়ণ। গুরুতর অভিযোগ উঠেছে তাঁর বিরুদ্ধে। উদিত নারায়ণের প্রথম স্ত্রী রঞ্জনা অভিযোগ দায়ের করেছেন তাঁর নামে। বিহারের সুপলে মহিলা থানায় উদিত নারায়ণের নামে অভিযোগ দায়ের করেছেন তাঁর প্রথম স্ত্রী রঞ্জনা। শুধু উদিত নারায়ণই নন, তাঁর দ্বিতীয় স্ত্রী এবং গায়কের ২ ভাইয়ের বিরুদ্ধেও আনা হয়েছে গুরুতর অভিযোগ। মঙ্গলবার বিহারের ওই মহিলা থানায় নিজের আইনজীবী করুণাকান্ত ঝা- এর সঙ্গে এসে অভিযোগ দায়ের করেন রঞ্জনা। নিজের অভিযোগে, রঞ্জনা জানিয়েছে, ভয়ঙ্কর অপরাধমূলক ষড়যন্ত্রের শিকার হয়েছিলেন তিনি। রঞ্জনার অভিযোগ, তাঁর অজান্তেই তাঁর জরায়ু অপসারণ করা হয়েছিল। পরে অন্য চিকিৎসার সময় গোটা বিষয়টি জানতে পারেন বলেও দাবি করেছেন রঞ্জনা।
অভিযোগপত্রে রঞ্জনা দাবি করেছেন, তাঁর সঙ্গে ১৯৮৪ সালের ৭ ডিসেম্বর উদিত নারায়ণের সঙ্গে বিয়ে হয়েছিল তাঁর। রঞ্জনার দাবি অনুযায়ী, ১৯৮৫ সালে মুম্বই চলে যান উদিত নারায়ণ। গায়কের দ্বিতীয় বিয়ে, দ্বিতীয় স্ত্রী দীপা নারায়ণের সম্পর্কে মিডিয়ার মাধ্যমে জানতে পারেন বলে দাবি করেছেন রঞ্জনা। তাঁর আরও অভিযোগ, এই প্রসঙ্গে উদিত নারায়ণকে অনেকবারই প্রশ্ন করেছিলেন তিনি, কিন্তু বারংবার তাঁকে বিভ্রান্ত করেছেন গায়ক। এর পরের অভিযোগ আরও ভয়ঙ্কর। রঞ্জনার দাবি, ১৯৯৬ সালে চিকিৎসার অজুহাতে তাঁকে দিল্লির এক হাসপাতালে নিয়ে যান উদিত নারায়ণ এবং তাঁর দুই ভাই সঞ্জয় কুমার ঝাঁ ও ললিত নারায়ণ ঝাঁ। সেখানে উপস্থিত ছিলেন দীপা নারায়ণও। রঞ্জনার অভিযোগ, তাঁর সম্মতি ছাড়া এবং তাঁর অজান্তেই তাঁর শরীর থেকে জরায়ু অপসারণ করা হয়।
রঞ্জনার আরও অভিযোগ করেছেন, ২০০৬ সালে তিনি যখন মুম্বইতে এসেছিলেন, সেই সময় তাঁকে হেনস্থা করেন উদিত নারায়ণ এবং দীপা নারায়ণ। তাঁকে তাঁদের বাড়িতে পর্যন্ত ঢুকতে দেওয়া হয়নি বলে অভিযোগ করেছেন রঞ্জনা। এরপর নেপালে নিজের শ্বশুরবাড়িতে যান রঞ্জনা। সেখানেও তাঁকে অপমান করে বের করে দেওয়া হয় বলে অভিযোগ রঞ্জনার। এরপর থেকে বাপের বাড়িতেই থাকেন তিনি। রঞ্জনা জানিয়েছেন, এর আগেও পারিবারিক আদালত এবং মহিলা কমিশনের দ্বারস্থ হয়েছিলেন তিনি। সেখানে তাঁকে স্ত্রী হিসেবে মেনে নেন উদিত নারায়ণ। একটি compromise agreement- ও জমা দেন গায়ক। কিন্তু রঞ্জনার অভিযোগ, উদিত নারায়ণ তাঁর প্রতিশ্রুতি পূরণে ব্যর্থ হয়েছেন এবং তাঁকে কোনও সম্মান কিংবা সাহায্য কিছুই দেননি। রঞ্জনা জানিয়েছেন তিনি অসুস্থ। আর্থিক সমস্যাতেও রয়েছে। এর মধ্যে চিকিৎসা চলাকালীন তিনি জানতে পেরেছেন যে তাঁর জড়ায়ু অপসারণ করা হয়েছে। আর সেই কারণেই মহিলা থানায় নতুন করে অভিযোগ দায়ের করেছেন তিনি।























