Language Row: ‘নিজের মাতৃভাষা না জানা লজ্জাজনক’, ভাষা বিতর্ক উস্কে দিলেন অভিনেতা ধনুষ, রাজনীতিতে আসা নিয়ে জল্পনার মধ্যেই
Dhanush on Tamil Language: তাঁর রাজনীতিতে আসা নিয়ে জল্পনা তুঙ্গে। সেই আবহেই ভাষা বিতর্ক উস্কে দিলেন ধনুষ।

নয়াদিল্লি: ‘থলপতি’ বিজয়ের পর তিনিও রাজনীতিতে আসতে পারেন বলে জল্পনা তুঙ্গে। সেই আবহেই তামিলনাড়ুর রাজনীতিতে ভাষা বিতর্ক উস্কে দিলেন অভিনেতা ধনুষ। পড়ুয়াদের নিজের মাতৃভাষার উপর জোর দিতে বললেন তিনি। ধনুষের কথায়, ‘নিজের মাতৃভাষা না জানা অপমানজনক’। (Dhanush on Tamil Language)
জাতীয় শিক্ষানীতির আওতায় তৃতীয় ভাষা শেখা বাধ্যতামূলক করেছে কেন্দ্র। সেই নিয়ে দক্ষিণের রাজ্যগুলি থেকে তীব্র বিরোধিতা উঠে আসছে। মাতৃভাষা এবং ইংরেজির পাশাপাশি, হিন্দি চাপিয়ে দেওয়ার জন্যই এই নীতি আনা হয়েছে বলে অভিযোগ বিরোধী শিবিরেরও। সেই বিতর্কই নতুন করে উস্কে দিলেন ধনুষ। (Language Row)
আরও পড়ুন: ফের আইনি ঝামেলায় সলমন খান, সমন পাঠাল আদালত, এবার ‘বিয়িং হিউম্যান’ নিয়ে বিপাকে
নিজে ছোটবেলায় যে স্কুলে পড়েছেন, মঙ্গলবার চেন্নাইয়ের সেই ‘তাই ম্যাট্রিকুলেশন স্কুলে’র একটি অনুষ্ঠানে যোগ দেন ধনুষ। পড়ুয়াদের উদ্দেশে বক্তৃতা করতে গিয়ে মাতৃভাষাকে অগ্রাধিকার দেওয়ার কথা বলেন। তামিল না জানা কোনও গর্বের বিষয় নয় বলে মন্তব্য করেন।
ওই অনুষ্ঠানে ধনুষকে বলতে শোনা যায়, “আমরা যখন এখানে পড়াশোনা করতাম, ভাল ইংরেজি বলতে পারতাম না আমি। আমি ইংরেজি বলতাম এভাবে যে, ‘Why did he went’। কিন্তু তামিল ভাল জানতাম। এখন পরিস্থিতি বদলে গিয়েছে।ইংরেজি বলা হয়, ইংরেজি লেখা হয়। অথচ তামিল বলতে বা লিখতে পারে না অনেকে। অত্যন্ত হতাশাজনক ব্যাপার।”
পড়ুয়াদের সামনে তামিল ভাষাতেই বক্তৃতা করেন ধনুষ। নিজের অভিজ্ঞতা তুলে ধরে বলেন, “ফরাসি প্রযোজনা সংস্থার অধীনে একটি ছবি করেছিলাম। বেলজিয়ামে শ্যুটিং চলছিল। ইংরেজি বলতে পারেন কি না জানতে, চেয়েছিলাম আমি। ওঁরা অবাক হয়ে যান। আমি ইংরেজি জানি বলেছিলাম ওঁদের। ওঁদের যুক্তি ছিল, ‘নিজের মাতৃভাষা জানা সবচেয়ে জরুরি। ইংরেজি ভাষার শিক্ষা বোনাস হতে পারে’।”
ধনুষ আরও বলেন, “নিজের মাতৃভাষা পড়তে এবং লিখতে পারা জরুরি। তামিল জানি না বলার মধ্যে কোনও গর্বের বিষয় নেই। মাতৃভাষা না জানা বরং অসম্মানজনক।” নিজের স্কুলে একটি তিন তলা ভবনের উদ্বোধন করেন ধনুষ, যেটির নামকরণও হয়েছে তাঁরই নামে, ‘ধনুষ ব্লক’। ওই ভবন তৈরিতে ধনুষেরও যোগদান আছে। তবে তাঁর মন্তব্য প্রশংসিত হয়েছে নেটদুনিয়ায়। অনেকের মতে, ভাষা বিতর্ক উস্কে দিয়ে ধনুষ রাজনীতিতে আসার ইঙ্গিতই দিলেন।






















