Fact Check: 'সব কল রেকর্ড করা হবে', 'নজর রাখা হবে সোশ্যাল মিডিয়ায়', এই ভাইরাল খবর কি সত্যি?
New Telecom Rules Fact Check: ভারতের প্রেস ইনফরমেশন ব্যুরো একটি ফ্যাক্ট চেক করেছে। তারা সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করেছে কোনও "নতুন যোগাযোগের নিয়ম" কেন্দ্রীয় সরকার লাগু করেনি।

একটা হিন্দি খবরের কাগজের ছবি ভাইরাল হয়েছে গত কয়েক দিন। যেখানে বলা হচ্ছে আপনার "সব কল রেকর্ড করা হবে" বা "নজর রাখা হবে সোশ্যাল মিডিয়ায়"। কিন্তু এই খবর কি আসলে সত্যি? কী বলছে ভারতের প্রেস ইনফরমেশন ব্যুরো (PIB)?
এই বিষয় নিয়ে ভারতের প্রেস ইনফরমেশন ব্যুরো একটি ফ্যাক্ট চেক করেছে। তারা সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করেছে যে এই দাবি আসলে মিথ্যে। কোনও "নতুন যোগাযোগের নিয়ম" কেন্দ্রীয় সরকার লাগু করেনি।
दावा : केंद्र सरकार द्वारा फोन कॉल्स और सोशल मीडिया ऐप्स के लिए 'नए संचार नियम' लागू किए जा रहे हैं। #PIBFactCheck
— PIB Fact Check (@PIBFactCheck) April 5, 2026
❌ यह दावा #फर्जी है।
✅ केंद्र सरकार द्वारा ऐसे कोई नियम लागू नहीं किए गए हैं।
⚠️ कृपया ऐसी अपुष्ट जानकारियों को साझा न करें।
🔸 केंद्र सरकार से संबंधित प्रामाणिक जानकारी हेतु आधिकारिक माध्यमों से प्राप्त सूचनाओं पर ही विश्वास कीजिए।… pic.twitter.com/saZG1XeDBA
কী লেখা ছিল ওই মিথ্যে ছবিতে?
একটা হিন্দি খবরের কাগজ কাটিং ভাইরাল হয়েছে। যেখানে হেডলাইনে লেখা রয়েছে "আগামীকাল থেকে হোয়াটসঅ্যাপ এবং ফোন কলের জন্য নতুন যোগাযোগ নিয়ম চালু হবে"। ভারতের প্রেস ইনফর্মেশন ব্যুরো যদিও তাদের পোস্টে লিখে দিয়েছে যে এই দাবি আসলে নকল।
এ ছাড়াও সেখানে লেখা রয়েছে "সব কল রেকর্ড করা হবে। সব কল রেকর্ডিং সংরক্ষণ করা হবে। হোয়াটসঅ্যাপ, ফেসবুক, টুইটারসহ সব সোশ্যাল মিডিয়ার উপর নজর রাখা হবে। যারা এই বিষয়ে জানেন না, তাদের সবাইকে জানিয়ে দিন। আপনার ডিভাইস মন্ত্রকের সঙ্গে সংযুক্ত করা হচ্ছে। ভুল বার্তা পাঠালে আপনার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। আপনার ফোন থেকে সব ডেটা মনিটর করা হবে। আপনার ফোন সরকারের নজরে থাকবে।" এই সব তথ্যই যে ভুয়ো সেটা প্রেস ইনফর্মেশন ব্যুরো তাদের ওই পোস্টে লিখেছে।
এ ছাড়াও হোয়াটস অ্যাপে একটি টিক পড়া, দুটো টিক পড়া বা নীল টিক পড়া নিয়েও ভুয়ো বার্তা দেওয়া হয়েছে এই পেপার কাটিংয়ে। তবে, দেশের সাধারণ মানুষের জন্য প্রেস ইনফর্মেশন ব্যুরো জানিয়ে দিয়েছে যে এই বার্তা সম্পূর্ণ ভুয়ো। এর কোনও বাস্তব ভিত্তি নেই। আর সেই কারণেই দেশের মানুষেরও এই ধরনের ভুয়ো, ভাইরাল হওয়া মেসেজ নিয়ে মাথা ঘামানোর কোনও কারণ নেই।
























