এক্সপ্লোর
সুগার কমাতে করলা ও পালং শাকের রস! কীভাবে খাবেন, জেনে নিন
সুগারকে নিয়ন্ত্রণে রাখতে নিয়মিত অনেক ধরণের ওষুধের ওপর নির্ভর করতে হয় আমাদের। যাদের সুগার বেড়ে যাওয়ার প্রবণতা রয়েছে, তাঁদের মেনে চলতে হয় বিভিন্ন খাদ্যবিধিও। তবে জানেন কি, পালং শাক ও করলা নিয়ন্ত্রণে রাখতে পারে ব্লাড সুগারকে। কিছু বিশেষ পদ্ধতিতে এই দুটি জিনিস খেলেই ওষুধ ছাড়াই কাবু করতে পারবেন সুগারকে। জেনে নিন ঠিক কী ভাবে এই ২টি জিনিস খেলে নিয়ন্ত্রণে থাকবে সুগার।

কলকাতা: সুগারকে নিয়ন্ত্রণে রাখতে নিয়মিত অনেক ধরণের ওষুধের ওপর নির্ভর করতে হয় আমাদের। যাদের সুগার বেড়ে যাওয়ার প্রবণতা রয়েছে, তাঁদের মেনে চলতে হয় বিভিন্ন খাদ্যবিধিও। তবে জানেন কি, পালং শাক ও করলা নিয়ন্ত্রণে রাখতে পারে ব্লাড সুগারকে। কিছু বিশেষ পদ্ধতিতে এই দুটি জিনিস খেলেই ওষুধ ছাড়াই কাবু করতে পারবেন সুগারকে। জেনে নিন ঠিক কী ভাবে এই ২টি জিনিস খেলে নিয়ন্ত্রণে থাকবে সুগার। করলা শরীরে ইনসুলিন ও গ্লুকোজের পরিমাণ কমিয়ে আনে। তাই নিয়মিত করলা খেলে রক্তে গ্লুকোজের মাত্রা বাড়তে পারে না। অন্যদিকে পালং শাকও রক্তে গ্লুকোদের মাত্রা নিয়ন্ত্রণ করতে সক্ষম। এই শাক ও সবজিটির রস করে খেলে পেতে পারেন অনেক উপকার । কীভাবে বানাবেন করলা ও পালং শাকের জ্যুস? জেনে নিন পদ্ধতি। পালং শাক ও করলার রস একসঙ্গে করা হলে সেটা খেতে বেশ তেতো হবে। সুগার কমাতে ব্যবহার করা হলে কোনওমতেই তাতে দেওয়া চলবে না চিনি। তবে উপায়? তেতোভাব কমাতে পালং শাক ও করলা সেদ্ধ করে বেটে প্রথমে রসটা বের করে নিন। এরপর এতে কিছুটা লেবুর রস ও গোলমরিচ মিশিয়ে নিতে পারেন। এতে তেতোভাব কিছুটা কমতে পারে। পালং শাক ও করলা একই সঙ্গে সেদ্ধ করে নিন। করলার বীজগুলি আলাদা করে নেবেন আগেই। ভালোভাবে ফুটে গেলে এতে গোলমরিচ, একটু আদা, লেবুর রস ও সামান্য রস যোগ করতে পারেন। এতে কিছুটা স্বাদ আসবে।
আরও পড়ুন
সেরা শিরোনাম
ব্যবসা-বাণিজ্যের
খুঁটিনাটি
ব্যবসা-বাণিজ্যের
খবর
























