Cholesterol: বেড়ে গিয়েছে কোলেস্টেরল? দ্রুত কমাতে এই খাবারগুলি পাতে রাখুন
Health Tips: কোলেস্টেরল বেড়ে গেলে ক্ষতিগ্রস্ত হয় হৃদপিণ্ড এবং মস্তিষ্ক। তাই খাবারের তালিকায় এমন কিছু উপাদান রাখা দরকার, যা দ্রুত কোলেস্টেরলের মাত্রা কমাতে সাহায্য করে।

কলকাতা: রক্তে ক্ষতিকর কোলেস্টেরলের (Cholesterol) মাত্রা বেড়ে গেলে তা স্বাস্থ্যের জন্য অত্যন্ত ক্ষতিকর। এমনটাই জানান বিশেষজ্ঞরা। তাঁদের মতে, কোলেস্টেরল বেড়ে গেলে ক্ষতিগ্রস্ত হয় হৃদপিণ্ড এবং মস্তিষ্ক। তাই খাবারের তালিকায় এমন কিছু উপাদান রাখা দরকার, যা দ্রুত কোলেস্টেরলের মাত্রা কমাতে সাহায্য করে। এমনই কিছু খাবারের পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা।
কোন কোন খাবারে কোলেস্টেরল কমে?
১. বিশেষজ্ঞরা জানাচ্ছেন যে, রসুন এমনই এক উপাদান, যা আমরা হামেশাই রান্নায় ব্যবহার করে থাকি। এই উপাদান শুধুই রান্নার স্বাদ বৃদ্ধি করে না। তার সঙ্গে স্বাস্থ্যের জন্যও এত্যন্ত উপকারী। এতে থাকা উপকারী উপাদান, রক্তে ক্ষতিকর কোলেস্টেরলের মাত্রা কমাতে সাহায্য করে। তার সঙ্গে নিয়ন্ত্রণে রাখে রক্তচাপও। ফ্যাটি লিভারের সমস্যাও প্রতিরোধ করে এটি।
২. তৈলাক্ত মাছে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ওমেগা থ্রি ফ্যাটি অ্যাসিড। যা স্বাভাবিকভাবেই অ্য়ান্টি ইনফ্লেমেটরি উপাদান হিসেবে কাজ করে। শরীরে উপকারী কোলেস্টেরলের মাত্রা বাড়ায় এবং ক্ষতিকর কোলেস্টেরলের মাত্রা কমাতে সাহায্য করে। নিয়মিত খাবারের তালিকায় রাখলে দূরে থাকে হৃদরোগ।
আরও পড়ুন - Winter Care: শীতকালে খাবারে হলুদের ব্যবহার কি আদৌ স্বাস্থ্যকর?
৩. পুষ্টিবিদদের মতে, বাদামে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে মোনোস্যাচুরেটেড ফ্যাটি অ্যাসিড। সুস্থ থাকতে প্রতিদিন একমুঠো করে বাদাম খাওয়া প্রয়োজন। এমনটাই পরামর্শ দিচ্ছেন তাঁরা। এছাড়াও এই উপকারী উপাদান পাওয়া যায় অ্যাভোক্যাডো, নারকেল এবং জলপাইতে। হৃদরোগ এবং লিভারের সমস্যায় আক্রান্ত ব্যক্তিদের খাবারের তালিকায় তাই অলিভ অয়েল এবং নারকেলের তেল ব্যবহারের পরামর্শ দিচ্ছেন তাঁরা।
৪. প্রচুর পরিমাণে উপকারী উপাদান রয়েছে ওটসে। রক্তে ক্ষতিকর কোলেস্টেরলের মাত্রা কমিয়ে শরীরকে সুস্থ রাখতে এর জুড়ি মেলা ভার।
৫. লিগামস, ফল এবং টাটকা সব্জিতে রয়েছে প্রচুর ফাইবার। রক্তে ক্ষতিকর কোলেস্টেরলের মাত্রা কমাতে সাহায্য করে এটি।
পাশাপাশি বিশেষজ্ঞরা আরও পরামর্শ দিচ্ছেন যে, এই সমস্ত খাবারের পাতে রাখার সঙ্গে সঙ্গে খেতে হবে পর্যাপ্ত পরিমাণে জলও। তবেই শরীরে জলের চাহিদা পূরণ হবে। এবং শরীর হাইড্রেট থাকলে স্বাভাবিকভাবেই অনেক রোগ প্রতিরোধ করা সম্ভব হয়।
ডিসক্লেইমার : কপিতে উল্লেখিত দাবি, পদ্ধতি পরামর্শস্বরূপ। প্রয়োজনীয় চিকিৎসাপদ্ধতি/ডায়েট ফলো করার জন্য অবশ্যই বিশেষজ্ঞ / চিকিৎসকের সঙ্গে কথা বলুন ও সেইমতো নিয়ম মেনে চলুন।
Check out below Health Tools-
Calculate Your Body Mass Index ( BMI )
Calculate The Age Through Age Calculator
Before You Go
Cough Syrup: আর প্রেসক্রিপশন ছাড়া কিনতেই পারবেন না সর্দির সিরাপ? ভাল হল না মন্দ? বলছেন চিকিৎসক
সেরা শিরোনাম






















