এক্সপ্লোর
লাগাতার পেট্রল ও ডিজেলের মূল্যবৃদ্ধি, টাকার দামের পতনে উদ্বিগ্ন কেন্দ্র-বিজেপি, সমাধান ঘোষণা শীঘ্রই, জানালেন অমিত শাহ, তেলঙ্গানায় সব আসনেই লড়বে দল, ঘোষণা

হায়দরাবাদ: লাগাতার পেট্রল, ডিজেলের মূল্যবৃদ্ধি, টাকার দামের পতনের পিছনে আন্তর্জাতিক ঘটনাবলীর প্রভাব রয়েছে বলে জানিয়ে শীঘ্রই কেন্দ্র সমাধান সূত্র দেবে বলে জানালেন অমিত শাহ। আগস্টের মাঝামাঝি থেকে প্রতিদিনই নিয়ম করে দাম বাড়ছে পেট্রপণ্যের। একদিকে মার্কিন ডলারের সাপেক্ষে দাম কমছে ভারতীয় টাকার, আরেকদিকে অশোধিত তেলের দাম চড়ছে। এটাকেই কারণ বলে দেখানো হচ্ছে। এই প্রেক্ষাপটেই আজ বিজেপি সভাপতি সাংবাদিকদের বলেন, পেট্রল ও ডিজেলের ক্রমবর্ধমান মূল্যবৃদ্ধি, ডলারের তুলনায় টাকার দামে পতন বিজেপি ও সরকার, উভয়ের কাছেই উদ্বেগের ব্যাপার। বিশ্বব্যাপী কিছু ঘটনার জেরেই এমন ঘটছে। একদিকে আমেরিকা, চিনের বাণিজ্য সংঘাত, আরেকদিকে আমেরিকার সঙ্গে তেল উত্পাদনকারী দেশগুলির বিরোধ। এসব প্রভাব ফেলছে দেশের ওপর। আমরাও চিন্তিত। সমাধান বের করা হচ্ছে। অল্প কদিনের মধ্যেই সরকার এসব নিয়ে স্পষ্ট সিদ্ধান্ত নিয়ে জানিয়ে দেবে। যদিও অন্যান্য মুদ্রার তুলনায় টাকার দামের ওপর এর প্রভাব অনেক কম বলে দাবি করেন তিনি। প্রসঙ্গত, ১০ সেপ্টেম্বর কংগ্রেস ও আরও কয়েকটি বিরোধী দল জ্বালানি সহ একাধিক অত্যাবশ্যকীয় পণ্যের মূল্যবৃদ্ধির প্রতিবাদে দেশব্যাপী বনধ পালন করে। পাশাপাশি কার্যত এদিন তেলঙ্গানায় বিজেপির ভোটপ্র্রচার শুরু করে দিয়ে তিনি ঘোষণা করেন, তাঁরা ১১৯টি বিধানসভা আসনের সবগুলিতেই লড়বেন। গত ৮ সেপ্টেম্বর তেলঙ্গানা বিধানসভা ভেঙে দেন মুখ্যমন্ত্রী কে চন্দ্রশেখর রাও। সেই বিধানসভায় বিজেপির মাত্র ৫টি আসন ছিল। রাওয়ের বিরুদ্ধে ভোটব্যাঙ্কের রাজনীতি করার অভিযোগ তুলে অমিত শাহ বলেন, বিজেপি তেলঙ্গানায় সব আসনে লড়ে এক শক্তিশালী, নির্ধারক শক্তি হয়ে উঠবে। রাওয়ের সরকার আইনশৃঙ্খলা বা উন্নয়ন, সব ক্ষেত্রেই চরম ব্যর্থ। বিজেপি তেলঙ্গানার উন্নয়নে দায়বদ্ধ। টিআরএস সরকারকে তিনি তীব্র আক্রমণ করেন সংখ্যালঘুদের জন্য সংরক্ষণের স্বপক্ষে সওয়াল করায়। গত এপ্রিলেই তেলঙ্গানা সরকার বিল পাশ করে যাতে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ভর্তি ও রাজ্য সরকারি চাকরিতে নিয়োগে মুসলিম ও তফসিলি জাতিদের জন্য সংরক্ষণ বেড়ে হয় যথাক্রমে ১২ ও ১০ শতাংশ। ২০১৪-য় অন্ধ্রপ্রদেশ ভেঙে তৈরি হওয়া তেলঙ্গানায় পিছিয়ে পড়া মুসলিমরা আগে থেকেই ৪ শতাংশ সংরক্ষণের সুবিধা পান শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ভর্তি ও সরকারি চাকরিতে নিয়োগে। ফের সংরক্ষণের আয়োজনের ফলেসব মিলিয়ে মোট সংরক্ষণ এ ধরনের সুবিধা পাওয়ার ব্যাপারে সুপ্রিম কোর্টের বেঁধে দেওয়া ৫০ শতাংশের ঊর্ধ্বসীমার বেশি হয়ে যাচ্ছে। বিজেপি সভাপতি বলেন, সংখ্যালঘুদের জন্য ১২ শতাংশ সংরক্ষণের প্রস্তাব কি তোষণের রাজনীতি নয়? সবাই জানে, আমাদের সংবিধানে ধর্মের ভিত্তিতে সংরক্ষণে সম্মতি নেই। সেই সরকারই ক্ষমতায় ফিরলে রাজ্যে ভোটব্যাঙ্কের রাজনীতি চলতেই থাকবে।
খবর (News) লেটেস্ট খবর এবং আপডেট জানার জন্য দেখুন এবিপি লাইভ। ব্রেকিং নিউজ এবং ডেলি শিরোনাম দেখতে চোখ রাখুন এবিপি আনন্দ লাইভ টিভিতে
আরও পড়ুন






















