Air India Flight: মাঝ আকাশে হঠাৎই পোড়া গন্ধ, তড়িঘড়ি ফেরানো হল এয়ার ইন্ডিয়ার বিমান
Chennai Bound Flight: তড়িঘড়ি ফেরানো হল হল বিমানটিকে।

নয়াদিল্লি: মাঝ আকাশে বিমানে পোড়া গন্ধ। ফের এয়ার ইন্ডিয়ার বিমানে বিপত্তি। তড়িঘড়ি ফেরানো হল হল বিমানটিকে। শুক্রবার এই ঘটনা ঘটলেও, সামনে এল রবিবার। মুম্বই থেকে চেন্নাই যাচ্ছিল বিমানটি। কিন্তু আকাশে ওড়ার কিছু ক্ষণ পর কেবিন থেকে পোড়া গন্ধ বেরোতে থাকে। এর পর তডিঘড়ি মুম্বইয়ে ফেরানো হয় বিমানটিকে। যাত্রীরা সকলে সুরক্ষিত আছেন বলে জানা গিয়েছে। (Air India Flight)
এয়ার ইন্ডিয়ার AI 639 বিমানে এই ঘটনা ঘটে। রাত ১০টা বেজে ৫৫ মিনিটে মুম্বই থেকে চেন্নাইয়ের উদ্দেশে রওনা দেয় বিমানটি। কিন্তু আকাশে ওড়ার কিছু ক্ষণ পরই ফের মুম্বইয়ে ফিরিয়ে আনা হয় বিমানটিকে। মাঝ আকাশে পোড়া গন্ধ বেরোতে শুরু করলে কোনও ঝুঁকি নিতে চাননি পাইলটরা। এয়ার ট্র্যাফিক কন্ট্রোলের সঙ্গে কথা বসে মুম্বই বিমানবন্দরেই বিমান ফেরানোর সিদ্ধান্ত নেন। (Chennai Bound Flight)
রবিবার এয়ার ইন্ডিয়ার মুখপাত্র বিবৃতি দিয়ে বলেন, "নিরাপদে মুম্বইয়ে অবতরণ করে বিমানটি। এক পর অন্য বিমানের ব্যবস্থা করা হয়। মুম্বই বিমান বন্দরে আমাদের গ্রাউন্ড স্টাফরা যাত্রীদের সবরকম সহযোগিতা করেন। আচমকা এই ঘটনা ঘটে। তাই যাতে কোনও রকম সমস্যায় না পড়তে হয় যাত্রীদের, সেই ব্যবস্থা করা হয়। যাত্রীদের নিরাপত্তা,তাঁদের ভাল থাকাকেই প্রাধান্য দেয় এয়ার ইন্ডিয়া।"
ওই বিমানে সওয়ার ছিলেন উৎসব তিওয়ারি। তিনি সোশ্যাল মিডিয়ায় জানান, ৪৫ মিনিট বিমান আকাশে ওড়ার পর পাইলট জানান, যান্ত্রিক ত্রুটি দেখা দিয়েছে বিমানে। তাই মুম্বই ফিরতে হতে পারে। এর পর রাত ১২টা বেজে ৪৭ মিনিট নাগাদ মুম্বইয়ে অবতরণ করেন তাঁরা। বার বার এয়ার ইন্ডিয়ার বিমানে এমন ঘটনা ঘিরে উদ্বেগ ছড়িয়েছে। বিমান সংস্থার ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন তুলছেন অনেকে।
গত ১২ জুন আমদাবাদে ২৪২ জনকে নিয়ে এয়ার ইন্ডিয়ার লন্ডনগামী বিমান ভেঙে পড়ে। বিমানবন্দর ছাড়ার কয়েক সেকেন্ডের মধ্যেই ভেঙে পড়ে বিমানটি। সেক্ষেত্রেও যান্ত্রিক গোলযোগের তত্ত্ব উঠে আসছে। বিমানটির ব্ল্যাকবক্স উদ্ধার করা গেলেও, দুর্ঘটনার তদন্তের রিপোর্ট এখনও হাতে আসেনি। তার পর থেকে পর পর বিমানে গোলযোগের ঘটনা সামনে আসছে। কী কারণে ওই ভয়াবহ দুর্ঘটনা ঘটল, তার কারণ জানতে অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছেন সকলে। আর সেই আবহে ফের এক ঘটনা সামনে এল। এয়ার ইন্ডিয়ার রক্ষণাবেক্ষণ ব্যবস্থা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে পর পর এমন ঘটনায়।






















