Air India plane crash: সেদিনের বিমান দুর্ঘটনার পর থেকেই নিখোঁজ এই চলচ্চিত্র পরিচালক, মিটিং করতে গিয়েছিলেন মেঘানিনগরেই...তবে কি?
স্ত্রী হেতাল জানিয়েছেন, সেদিন কারও সঙ্গে দেখা করতে গিয়েছিলেন। তারপর থেকে আর যোগাযোগ নেই।

অভিশপ্ত বিমানের যাত্রীদের DNA এর নমুনা মিলে যাওয়ার পর, একে একে তুলে দেওয়া হচ্ছে পরিবারের হাতে। আমদাবাদে সিভিল হাসপাতালে মর্গের সামনে ভিড় জমাচ্ছেন স্বজনহারারা। পরিজনের দেহ নিতে আমদাবাদের সিভিল হাসপাতালের বাইরে ঠাঁয়ে বসে রয়েছেন অনেকেই। মৃত বিমানযাত্রীদের নামের তালিকা প্রকাশিত, কিন্তু এখনও বহু মানুষের খোঁজই নেই। পরিবারের লোকজন জানেনই না, তাদের পরিবারের মানুষটিও কি চলে গিয়েছেন সেদিনের ভয়ঙ্কর দুর্ঘটনায়। কারণ যেখানে বিমানটি ধসে পড়ে সেখানেও বহু মানুষ ঝলসে গিয়েছেন। হস্টেলে থাকা মেডিক্যাল পড়ুয়াদের পাশাপাশি চলে গিয়েছেন অনেকেই।
বৃহস্পতিবার থেকে খোঁজ নেই গুজরাতে মিউজিক ভিডিওর জন্য মিটিং করতে যাওয়া এক চলচ্চিত্র পরিচালকের। নারোদার বাসিন্দা মহেশ কালাওয়াদিয়া ওরফে মহেশ জিরাওয়ালা একটি মিউজিক ভিডিও শুট করতে গিয়েছিলেন সেদিন ল গার্ডেন এলাকায়। ওই অঞ্চলে কারও সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে গিয়েছিলেন গত বৃহস্পতিবার। কিন্তু সেদিন দুপুরের পর থেকে আর কথা হয়নি পরিবারের কারও সঙ্গে। তাঁর স্ত্রী হেতাল জানিয়েছেন, সেদিন কারও সঙ্গে দেখা করতে গিয়েছিলেন। তারপর থেকে আর যোগাযোগ নেই।
বৃহস্পতিবার দুপুর ১:৩৯ মিনিটে সর্দার বল্লভভাই প্যাটেল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে টেক অফের সামান্য কয়েক মুহূর্ত পরেই মেঘানিনগরের একটি মেডিকেল কলেজের ক্যাম্পাসের উপর এয়ার ইন্ডিয়ার বিমানটি ভেঙে পড়ে। এতে ২৪২ জন যাত্রীর মধ্যে ২৪১ জনের মৃত্যু হয়। শেষ পাওয়া খবর অনুসারে বিমানটি ধসে পড়ায় ওই অঞ্চলের ২৯ জন মানুষের প্রাণ গিয়েছে। যদিও এখনও বহু মানুষই নিখোঁজ। যেমন ওই চলচ্চিত্র পরিচালক। পরিবার জানেই না, তিনি সেদিন মিটিং করতে গিয়ে মারা গিয়েছেন কি না।
পরিজনের দেহ নিতে আমদাবাদের সিভিল হাসপাতালের বাইরে ঠায়ে বসে রয়েছেন অনেকেই। এই চলচ্চিত্র নির্মাতার পরিবারও ডিএনএ-র নমুনা জমা দিয়েছে। কেন হঠাৎ তাঁরা মনে করছেন, ওই ডিরেক্টর দুর্ঘটনায় চলে গিয়ে থাকতে পারেন? কারণ নিখোঁজ হওয়ার দিন, তাঁর মোবাইল ফোনের অবস্থান পাওয়া গিয়েছিল বিমান দুর্ঘটনার স্থল থেকে মাত্র ৭০০ মিটার দূরে। তাই প্রকট হচ্ছে দুশ্চিন্তা। যত দিন গড়াচ্ছে , নেতিবাচক ভাবনাটিই মনে বিশ্বাসের মতো গেঁথে বসছে ।
"আমার স্বামী দুপুর ১.১৪ মিনিটে আমাকে ফোন করে জানান যে তার মিটিং শেষ হয়েছে এবং তিনি বাড়ি ফিরছেন। কিন্তু। তারপর তিনি আর ফিরে আসেননি। তখন আমি তাঁকে ফোন করি কিন্তু ফোনটি বন্ধ ছিল। পুলিশকে জানানোর পর, তাঁর মোবাইল ফোনের শেষ অবস্থান দেখায় দুর্ঘটনাস্থল থেকে ৭০০ মিটার দূরে", তিনি বলেন। বিমান দুর্ঘটনার সময়ের সঙ্গে হুবহু মিলে যাচ্ছে তাঁর ফোন বন্ধ হয়ে যাওয়ার সময়। তাঁর স্কুটার এবং মোবাইল ফোনটি আর নেই। তাই মনে হচ্ছে, দুর্ঘটনায় নিহতদের মধ্যে সেও একজন ! পরিবার ডিএনএ নমুনা জমা দিয়েছে। জানালেন স্ত্রী হেতাল।






















