Massive Avalanche: ভয়ঙ্কর বেগে আছড়ে পড়ল তুষারধস! কাঁপল ভূস্বর্গ, বিপদ বাড়ছে জম্মু-কাশ্মীরে?
সংবাদমাধ্যম সূত্রে জানা গেছে, বুধবার ওয়ারওয়ান উপত্যকায় তুষারধস নেমে আসে। একাধিক বাড়ি, হোটেল বরফে ঢাকা পড়ে।

নয়া দিল্লি: একই সপ্তাহে দ্বিতীয়বার তুষারধস। আর এক দিনের ব্যবধানে ফের কাঁপল জম্মু কাশ্মীর। চলতি সপ্তাহে এখনও পর্যন্ত দ্বিতীয়বার তুষারধসের সাক্ষী থাকল। সোনমার্গের পর কিশ্তওয়ার জেলার ওয়ারওয়ান উপত্যকা।
সংবাদমাধ্যম সূত্রে জানা গেছে, বুধবার ওয়ারওয়ান উপত্যকায় তুষারধস নেমে আসে। একাধিক বাড়ি, হোটেল বরফে ঢাকা পড়ে। যদিও তুষারধসের জেরে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি এবং প্রাণহানির ঘটনা ঘটেনি। মধ্য কাশ্মীরের সোনামার্গ পর্যটন এলাকায় তীব্র তুষারধসের একদিন পর এই ঘটনাটি ঘটল। স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।
ভারী তুষারপাতের মধ্যে উপত্যকার উপরের অংশ থেকে তুষারধস নেমে আসে, যার ফলে একাধিক এলাকা তুষারধসের গ্রাসে চলে যায়। জেলা প্রশাসন জনগণকে তুষারধস-প্রবণ অঞ্চল থেকে দূরে থাকার নির্দেশ দিয়েছে। সতর্ক করে দিয়েছে যে এই অঞ্চলে আবহাওয়ার অবস্থা এখনও ভয়ঙ্কর।
এর আগে মঙ্গলবার রাত ১০টা ১২ মিনিট নাগাদ জনপ্রিয় পর্যটনকেন্দ্র সোনামার্গে এই তুষারধস আছড়ে পড়ে। পাহাড়ের ওপর থেকে বিপুল পরিমাণ বরফ নেমে এসে আশপাশের এলাকা ও হোটেলের দিকে ধেয়ে যায়। ঘটনার সময় অনেক এলাকাই ঘন তুষারপাতের কারণে কার্যত বিচ্ছিন্ন অবস্থায় ছিল। প্রবল শক্তিতে পাহাড় থেকে নেমে আসা বরফের ঢলে একাধিক বাড়ি, হোটেল ও যানবাহন ঢেকে যায়। তবে এত বড় ঘটনার পরও স্বস্তির খবর—এখনও পর্যন্ত কোনও প্রাণহানি বা আহতের খবর পাওয়া যায়নি বলে জানিয়েছেন প্রশাসনিক কর্তারা।
ঘটনার সিসিটিভি ফুটেজে দেখা যায়, মুহূর্তের মধ্যে বরফের স্রোত এগিয়ে এসে তার পথে থাকা ভবনগুলিকে ঢেকে ফেলছে। দৃশ্যটি আতঙ্কজনক হলেও প্রশাসন জানিয়েছে, সতর্কতামূলক ব্যবস্থা এবং আগাম সতর্কবার্তার কারণে বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতি এড়ানো সম্ভব হয়েছে। কর্মকর্তারা বারবার জানিয়েছেন, “এখনও পর্যন্ত কোনও প্রাণহানির খবর নেই।”
সোনামার্ক বেপার মণ্ডলের সভাপতি ফুরকান শেরা জানিয়েছেন, তুষারধসটি মূলত ট্রাক ইয়ার্ড এলাকায় আঘাত হেনেছে। প্রবল হাওয়ার দাপটে নিকটবর্তী গ্রামগুলোও কেঁপে ওঠে। উল্লেখ্য, সোমবারই প্রশাসনের তরফে গান্ডেরবাল জেলায় উচ্চ-সতর্কবার্তা জারি করা হয়েছিল। গত ২৪ ঘণ্টায় কাশ্মীর উপত্যকায় মাঝারি থেকে ভারী তুষারপাতের ফলে জনজীবন সম্পূর্ণ বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। রানওয়ে বরফে ঢেকে যাওয়ায় শ্রীনগর বিমানবন্দরে ২৯টি আসা এবং ২৯টি যাওয়া মিলিয়ে মোট ৫৮টি বিমান বাতিল করা হয়েছে। ফলে কয়েকশো পর্যটক বিমানবন্দরেই আটকে পড়েছেন।























