পুরীর জগন্নাথ ধামের পর কেদার-বদ্রীর দরজাও বন্ধ হচ্ছে 'অহিন্দু'দের জন্য, আসছে বড় ঘোষণা?
পুরীর জগন্নাথ মন্দিরের পর এবার বদ্রীনাথ ও কেদারনাথের মন্দিরেও জারি হতে পারে এই নিয়ম। তাই নিয়ে চলছে জল্পনা।

উত্তরাখণ্ডে আসন্ন চারধাম যাত্রার প্রস্তুতি চলছে জোরকদমে। এর মধ্যেই আসতে পারে একটি বড় ঘোষণা। পুরীর জগন্নাথ মন্দিরের পর এবার বদ্রীনাথ ও কেদারনাথের মন্দিরেও জারি হতে পারে এই নিয়ম। তাই নিয়ে চলছে জল্পনা।
কী নিয়ম জারি হতে পারে ?
সূত্রের খবর, এবার থেকে হয়ত শতাব্দী প্রাচীন বদ্রীনাথ এবং কেদারনাথ মন্দিরে কেবল মাত্র হিন্দুরাই প্রবেশ করতে পারবেন। এই নিয়ম আগে পুরীর মন্দিরে কড়া ভাবে কার্যকর ছিল। চারধাম তীর্থযাত্রার মধ্যেই পড়ে এই দুই মন্দির দর্শন। এবার থেকে হিন্দু নন , এমন কেউ এই দই মন্দিরে প্রবেশ করতে পারবে না। মন্দির পরিচালনাকারী সংগঠন সম্ভবত এই নিয়ম কার্যকর করবে খুব শিগগিরিই। জানা গিয়েছে, অহিন্দুদের প্রবেশ নিষিদ্ধ হতে পারে বদ্রীনাথ-কেদারনাথ মন্দির কমিটি (বিকেটিসি) দ্বারা নিয়ন্ত্রিত সবকটি মন্দিরেই। তার মধ্যে বদ্রীনাথ-কেদারনাথ ধামও রয়েছে। এনডিটিভিতে প্রকাশিত একটি রিপোর্ট অনুসারে, বিকেটিসি সভাপতি হেমন্ত দ্বিবেদী জানিয়েছেন, অচিরেই মন্দির কমিটির অধীনে সব মন্দিরে অহিন্দুদের প্রবেশ নিষিদ্ধ করা হবে। মন্দির কমিটির বোর্ড মিটিংয়ে এই বিষয়ে একটি প্রস্তাব পাস করা হবে।
হর-কি-পৌরিতে অ-হিন্দুদের প্রবেশ নিষেধ লেখা প্ল্যাকার্ড
এর আগে হরিদ্বারে গঙ্গার ঘাটের কাছে, একাধিক প্ল্যাকার্ড দেখা যায়। সেখানেও লেখা ছিল, হর-কি-পৌরিতে অ-হিন্দুদের প্রবেশ নিষেধ। এরপর আবার শোনা যাচ্ছে বদ্রীনাথ এবং কেদারনাথ মন্দিরেও অহিন্দুরা প্রবেশ করতে পারবে না। অফিসিয়াল ঘোষণা এখন সময়ের অপেক্ষা।
কবে খুলবে বদ্রীনাথ এবং কেদারনাথ মন্দির?
শীতকালে ছয় মাস বন্ধ থাকার পর এ বছর আগামী ২৩ এপ্রিল সকাল ৬:১৫ য় ভক্তদের জন্য খুলে যাবে বদ্রীনাথ ধামের দরজা। ধর্মানুষ্ঠান এবং বৈদিক মন্ত্রের মাধ্যমে বদ্রীনাথ ধামের দরজা খুলে দেওয়া হবে। গঙ্গোত্রী এবং যমুনোত্রী মন্দিরের দরজা খুলবে আগামী ১৯ এপ্রিল। কেদারনাথ ধামের দরজা খোলার তারিখ ঠিক করা হবে মহাশিবরাত্রিতে। প্রতি বছরের মতো, উখিমঠের ওঙ্কারেশ্বর মন্দিরে ক্যালেন্ডার গণনা এবং ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠানের পরে কেদারনাথের দরজা খোলার তারিখ ঘোষণা করা হবে। তীর্থযাত্রী পুরোহিত, বদ্রীনাথ-কেদার মন্দির কমিটি এবং প্রশাসন চারধাম যাত্রার প্রস্তুতি জোরদার করেছে। তীর্থযাত্রার পথ মেরামত, পানীয় জল, বিদ্যুৎ, স্বাস্থ্যসেবা এবং নিরাপত্তা ব্যবস্থা করা হচ্ছে। সাধারণত অক্ষয় তৃতীয়ায় খুলে যায় কেদারনাথ মন্দিরের দরজা।























