Iran-Israel Ceasefire: ইরানের বিরুদ্ধে ‘ঐতিহাসিক সাফল্য’, দাবি নেতানিয়াহু সরকারের, যুদ্ধবিরতিতে রাজি ইজরায়েল, ট্রাম্পের কৃতজ্ঞতা স্বীকার
Benjamin Netanyahu: ট্রাম্পের ঘোষণার পরও যুদ্ধবিরতি নিয়ে ধন্দ কাটছিল না।

নয়াদিল্লি: সর্বপ্রথম ঘোষণা করেন আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। ইরানের সঙ্গে যুদ্ধবিরতিতে রাজি হয়েছেন বলে এবার জানাল বেঞ্জামিন নেতানিয়াহুর দফতর। ইজরায়েলের প্রধানমন্ত্রী জানিয়েছেন, ইরানের সঙ্গে যুদ্ধবিরতিতে রাজি হয়েছেন তাঁরা। ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধে তাঁদের লক্ষ্য়পূরণ হয়েছে। যুদ্ধবিরতি প্রস্তাবের জন্য ট্রাম্পকে ধন্যবাদও জানানো হয়েছে। ইরানের মোকাবিলায় ইজরায়েলকে যেভাবে সাহায্য় করেছে আমেরিকা, তার জন্যও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছে তারা। (Iran-Israel Ceasefire)
ট্রাম্পের ঘোষণার পরও যুদ্ধবিরতি নিয়ে ধন্দ কাটছিল না। কোনও চুক্তি হয়নি বলে জানালেও, শত্রুতা সরে যাওয়ার ইঙ্গিত দেয় ইরান। জানায়, ইজরায়েল আক্রমণ না করলে, তাদের তরফেও আঘাত হানা হবে না। বেগতিক দেখে 'শত্রুপক্ষ'ই যুদ্ধের প্রস্তাব দেয়, এমন দাবিও করে ইরান। আর তার পরই মুখ খুলল ইজরায়েল সরকার। তাদের বক্তব্য, "ইরানের হাতে যে পরমাণু ঝুঁকি ছিল, তার নিষ্পত্তিকরণে যোগদানের জন্য প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প এবং আমেরিকাকে ধন্যবাদ। গোটা অভিযানের লক্ষ্যপূরণ হয়েছে। তাই প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের প্রস্তাব মেনে দ্বিপাক্ষিক যুদ্ধবিরতিতে রাজি হয়েছে ইজরায়েল। তবে যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘিত হলে পূর্ণ শক্তিতে জবাব দেওয়া হবে। অপারেশন রাইজিং লায়নে ঐতিহাসিক সাফল্য অর্জন করেছে ইজরায়েল, বিশ্বের তাবড় শক্তিধর রাষ্ট্রের সমান উচ্চতায় তুলে এনেছে নিজেকে।" (Benjamin Netanyahu)
𝗜𝘀𝗿𝗮𝗲𝗹𝗶 𝗚𝗼𝘃𝗲𝗿𝗻𝗺𝗲𝗻𝘁 𝗦𝘁𝗮𝘁𝗲𝗺𝗲𝗻𝘁
— Israel ישראל (@Israel) June 24, 2025
Prime Minister Benjamin Netanyahu convened the Security Cabinet last night, together with the Defense Minister, the IDF Chief-of-Staff and the Director of the Mossad, in order to report that Israel has achieved all of the… pic.twitter.com/vculiU1xp3
ইজরায়েল সরকারের বিবৃতিতে আরও বলা হয়েছে যে, গতকাল রাতেই নেতানিয়াহু নিরাপত্তা পরিষদের বৈঠক ডাকেন, যেখানে উপস্থিত ছিলেন দেশের প্রতিরক্ষা মন্ত্রী, সেনাপ্রধান, মোসাদের ডিরেক্টর। সেখানেই 'অপারেশন রাইজিং লায়নে'র সাফল্য ও লক্ষ্যপূরণের কথা জানানো হয়। পরমাণু সমস্যা এবং ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র, ইজরায়েলের অস্তিত্বের জন্য যে দুই সঙ্কট ছিল, তা নির্মূল করা গিয়েছে। আকাশসীমায় নিজেদের ক্ষমতা প্রতিষ্ঠা করা গিয়েছে এবার।
তবে যুদ্ধবিরতিতে সম্মত হলেও, নাগরিকদের সচেতন থাকতে অনুরোধ করেছে ইজরায়েল সরকার। বলা হয়েছে, যুদ্ধবিরতি পরোপুরি কার্যকর না হওয়া পর্যন্ত, সেনার নির্দেশ মেনে চলতে হবে নাগরিকদের। যাঁরা প্রিয়জনকে হারিয়েছেন, তাঁদের প্রতি সমব্যথী দেশের সরকার। ইজরায়েল এবং দেশের যোদ্ধারা অভূতপূর্ব সাফল্য অর্জন করেছে, ইজরায়েলের চিরস্থায়ীত্বের নিশ্চিতকরণ সম্ভব হয়েছে। এ নিয়ে নেতানিয়াহু বিশদে কথা বলবেন বলে জানিয়েছে ইজরায়েল সরকার।






















