বিধানসভায় ধস্তাধস্তিতে ক্ষয়ক্ষতি ১২ লক্ষের বেশি! সমীক্ষা রিপোর্ট ঘিরে বিতর্ক

কলকাতা: সরকারি সম্পত্তি রক্ষায় গত ৮ ফেব্রুয়ারি বিধানসভায় পাস হয় ‘দ্য ওয়েস্ট বেঙ্গল মেইনটেনেন্স অফ পাবলিক অর্ডার অ্যামেন্ডমেন্ট বিল’। আর সেদিনই বিধানসভার ভিতরে বিল ঘিরে ঘটে ধুন্ধুমারকাণ্ড। মঙ্গলবার বিধানসভায় অধ্যক্ষ বিমান বন্দ্যোপাধ্যায় জানান, গত বুধবারের ঘটনায় যে সম্পত্তি নষ্ট হয়েছে, সে বিষয়ে সমীক্ষা করেছে পূর্ত দফতর। তাদের রিপোর্ট জমা পড়েছে বিধানসভার সচিবের কাছে। রিপোর্টে, ১০টি মাইক্রোফোন, একটি অ্যান্টিক বার্মা টিক টেবিল এবং একটি রাইটিং ট্রে ভেঙেছে বলে উল্লেখ করা হয়েছে। ক্ষতির পরিমাণ ১২ লক্ষ ৪৩ হাজার ৬৩৬ টাকা। কিন্তু এই সমীক্ষা রিপোর্ট নিয়ে মাথা চাড়া দিয়েছে বিতর্ক। বিরোধীদের দাবি, বিরোধী বিধায়কদের বিরুদ্ধে ভাঙচুরের অভিযোগ আনা হলেও বিরোধী বিধায়কদের সঙ্গে কথা বলেননি সমীক্ষকরা। ২০০৬-র ৩০ নভেম্বর ভাঙচুর হয় বিধানসভায়। অভিযোগ ওঠে তৃণমূলের বিরুদ্ধে। সেবারও বিশেষজ্ঞদের দিয়ে ক্ষতির পরিমাণ নির্ধারন করেন তৎকালীন অধ্যক্ষ হাসিম আবদুল হালিম। ক্ষতির পরিমাণ ছিল ৩ লক্ষ ৯৭ হাজার ৪১৬ টাকা। ভাঙচুরের দিন বিধানসভায় উপস্থিত ২৯ জন তৃণমূল বিধায়কের ভাতা থেকে মাথা পিছু ১৩ হাজার ৭০৪ টাকা করে কেটে নেওয়া হয়। এবারও কি ক্ষতির টাকা আদায় করা হবে অভিযুক্ত বিধায়কদের থেকে? এ প্রসঙ্গে বিধানসভার অধ্যক্ষ বিমান বন্দ্যোপাধ্যায় জানিয়েছেন, এখনও তদন্ত রিপোর্ট জমা পড়েনি। তাই এ নিয়ে মন্তব্য করা সম্ভব নয়।
























