India-China Relations: দিল্লিতে বিজেপি-র সদর দফতরে চিনের কমিউনিস্ট পার্টির প্রতিনিধিরা, শুরু বিতর্ক
BJP-Chinese Communist Party: ২০০০ সালের কাছাকাছি সময় থেকেই বিজেপি এবং চিনের কমিউনিস্ট পার্টির মধ্যে নিয়মিত যোগাযোগের সূচনা।

নয়াদিল্লি: রাজধানীতে বিজেপি-র সদর দফতরে হাজির চিনের কমিউনিস্ট পার্টির প্রতিনিধিরা। দীর্ঘ ক্ষণ সেখানে আলোচনা হল দুই পক্ষের মধ্যে। ২০২০ সালে গালওয়ান উপত্যকায় ভারত ও চিনা বাহিনীর মধ্যে সংঘর্ষের পর এই প্রথম দলস্তরে বৈঠকে বসল দুইপক্ষ। বিজেপি ও চিনের কমিউনিস্ট পার্টির ওই বৈঠকের ছবিও ছড়িয়ে পড়েছে সর্বত্র। (BJP-Chinese Communist Party)
বিজেপি-র বিদেশ বিভাগের প্রধান বিজয় চৌথাইওয়ালে জানিয়েছেন, চিনের কমিউনিস্ট পার্টির প্রতিনিধি দলকে নেতৃত্ব দেন সুন হাইয়ান, যিনি দলের বিদেশ বিভাগের ভাইস মিনিস্টাও। বিজেপি-র সাধারণ সম্পাদক অরুণ সিংহের নেতৃত্বে একাধিক বিষয় নিয়ে আলোচনা হয় দুই পক্ষের মধ্যে। দলস্তরে আরও যোগাযোগ বাড়ানোর সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছে। বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন ভারতে চিনের রাষ্ট্রদবত এইচ ই শু। (India-China Relations)
২০০০ সালের কাছাকাছি সময় থেকেই বিজেপি এবং চিনের কমিউনিস্ট পার্টির মধ্যে নিয়মিত যোগাযোগের সূচনা। বিজেপি-র প্রতিনিধি দল বেজিং সফরেও যায়। কিন্তু ২০২০ সালে গালওয়ান সংঘর্ষের পর পারস্পরিক বোঝাপড়ায় কিছুটা হলেও ছেদ পড়ে। তার পর থেকে এই প্রথম দুই দলের মধ্যে বৈঠক হল। বাণিজ্যশুল্ক নিয়ে আমেরিকার সঙ্গে টানাপোড়েনের মধ্যেই সম্প্রতি নতুন করে সহযোগিতাপূর্ণ সম্পর্ক গড়ে তোলার কথা জানায় ভারত ও চিন। আর তার পরই দিল্লিতে বিজেপি-র সদর দফতরে আগমন ঘটল চিনের কমিউনিস্ট পার্টির প্রতিনিধিদের।
Ms Sun Haiyan, Vice Minister, International Dept of Communist Party of China (IDCPC) visited today BJP head Office. During the meeting we discussed how to enhance communication and interaction between BJP and CPC. 🇮🇳🤝🇨🇳 pic.twitter.com/KdBZVyYUMW
— Arun Singh (@ArunSinghbjp) January 12, 2026
তবে এই বৈঠক ঘিরে ইতিমধ্যেই রাজনৈতিক তরজা শুরু হয়েছে। কারণ ‘চিন ঘনিষ্ঠতা’ নিয়ে বারংবার কংগ্রেস এবং রাহুল গাঁধীকে আক্রমণ করেছে বিজেপি। এমনকি ২০১৮ সালে বেজিং সফরে গিয়ে কংগ্রেস নেতৃত্ব ‘গোপন চুক্তি’ও সেরে আসেন বলে লাগাতার দাবি করে গেরুয়া শিবির। এমনকি ২০১৭ সালে ডোকলামে সংঘাত চলাকালীনও রাহুল দিল্লিতে চিনা দূতবাসে গিয়ে সেদেশের আধিকারিকদের সঙ্গে দেখা করেনবলে অভিযোগ তুলেছিল বিজেপি, যা সঙ্গে সঙ্গেই খারিজ করে দেয় কংগ্রেস।
তবে চিনা আগ্রাসনের সামনে নরেন্দ্র মোদি সরকার মাথানত করেছে বলে এখনও অভিযোগ তুলছে কংগ্রেস। দলের সভাপতি মল্লিকার্জুন খড়গে পর্যন্ত মোদিকে আক্রমণ করেন। ভারতের ভূখণ্ডে চিন যেভাবে থাবা বসাচ্ছে, তা নিয়ে সরব হন রাহুলও। ‘অপারেশন সিঁদুর’ চলাকালীন চিন যেভাবে পাকিস্তানকে সাহায্য় করে, সে নিয়েও সরব হয় কংগ্রেস। তাই বিজেপি-র সদর দফতরে চিনের কমিউনিস্ট পার্টির প্রতিনিধিদের আগমন ঘিরে বিতর্ক দেখা দিয়েছে।
चीन ने जम्मू कश्मीर की शकसगाम वैली को अपना इलाका कहा
— Supriya Shrinate (@SupriyaShrinate) January 13, 2026
पिछले कई दिनों से CPEC के नाम पर चीन यहाँ कंस्ट्रक्शन कर रहा है
लद्दाख के बाद अब चीन यहाँ तक कैसे घुस गया?
चीन इतनी हिमाकत जैसे कर रहा है?
उधर BJP नेताओं की चीन की कम्युनिस्ट पार्टी के साथ मीटिंग हो रही हैं! pic.twitter.com/5gjW8Z0T51
এ নিয়ে কংগ্রেস নেত্রী সুপ্রিয়া শ্রীনেত বলেন, 'জম্মু ও কাশ্মীরের শকসগাম বৈলীকে নিজেদের এলাকা বলে দাবি করে নির্মাণকার্য চালাচ্ছে চিন। লাদাখের পর ওখানে কী করে ঢুকল চিন? চিনের এই সাহস হল কী করে। আর বিজেপি নেতারা চিনের কমিউনিস্ট পার্টির সঙ্গে বৈঠক করছে'!























