India Covid 19 : ভারতে ২ কোভিড আক্রান্তের মৃত্যু, একজন কিশোর, কী ঘটেছিল?
২ করোনা আক্রান্তের মৃত্যুর খবর প্রচারিত হতেই অনেকের রাতের ঘুম চলে গিয়েছে। আশঙ্কা, আবার কি শুরু হবে কোয়ারেন্টাইনে থাকার দিন?

নয়াদিল্লি: এবার ফের এশিয়া জুড়ে কোভিড আতঙ্ক। আন্তর্জাতিক সংবাদ সংস্থা সূত্রে খবর, ইতিমধ্যেই ঘনবসতিপূর্ণ হংকং এবং সিঙ্গাপুর জুড়ে ফের বাড়ছে কোভিড-১৯-এ আক্রান্তের সংখ্যা। সেই নিয়ে রীতিমতো সতর্কতা জারি করেছে সেখানকার স্বাস্থ্য দফতর। কিন্তু এরই মধ্যে প্রমাদ গুণতে শুরু করে দিয়েছে ভারত। কারণ ৩ বছর আগের ক্ষত এখনও দগদগে। এরই মধ্যে মহারাষ্ট্র থেকে এসেছে ২ করোনা আক্রান্তের মৃত্যুর খবর। এটা প্রচারিত হতেই অনেকের রাতের ঘুম চলে গিয়েছে। আশঙ্কা, আবার কি শুরু হবে কোয়ারেন্টাইনে থাকার দিন?
সিঙ্গাপুর-হংকং এর সঙ্গে ভারতের আদানপ্রদান বেশি থাকায় সেই নিয়ে সামান্য উদ্বেগ এ দেশেও। সেই নিয়ে কার্যত দ্বিধাবিভক্ত রাজ্যের চিকিৎসক মহল। যদিও এই নিয়ে এখনও পর্যন্ত আশঙ্কার কথা শোনায়নি কেন্দ্রের স্বাস্থ্য দফতর। কিন্তু মুম্বইতে কি সত্যিই কোভিড আক্রান্ত হয়েই দুই জনের মৃত্যু হয়েছে ? সত্যিটা ঠিক কী ?
'কোভিডের জন্য মৃত্যু এমনটা নয়'
PTI সূত্রের খবর, মুম্বইয়ের কেইএম হাসপাতালে দুই কোভিড-১৯ রোগীর মৃত্যু হয়েছে। যার মধ্যে একজন নাবালকও রয়েছেন। যদিও বিএমসি জানিয়েছে 'আতঙ্কিত হওয়ার কোনও কারণ নেই। প্রতিবেদন অনুসারে, ডাক্তাররা নিশ্চিত করেছেন, এই দুই মৃতই কোভিড-১৯ পজিটিভ ছিলেন ঠিকই, কিন্তু তাঁরা অন্য বড় রোগে আক্রান্ত ছিলেন। তাই কোভিডই এদের প্রাণ কেড়ে নিয়েছে এমনটা বলা যাবে না। এর সঙ্গে কো-মর্বিডিটির বিষয়টিও উল্লেখযোগ্য। ১৪ বছর বয়সী এক রোগী নেফ্রোটিক সিনড্রোমের নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হন। তাঁর কিডনি বিকল হয়ে পড়ছিল। অন্য আরেকজন রোগী, যাঁর বয়স ৫৪, তিনি ক্যান্সারে ভুগছিলেন। তাই তাঁদের মৃত্যু কোভিডের জন্য হয়েছে এমনটা নয়।
কী কারণে মৃত্যু
হাসপাতাল স্পষ্ট করে দিয়েছে , এই মৃত্যুগুলি কোভিড-১৯ এর কারণে নয়, বরং নেফ্রোটিক সিনড্রোমের মতো গুরুতর রোগ, হাইপোক্যালসেমিক খিঁচুনির জন্য হয়েছে। আরেকজন রোগী ক্যান্সারের গুরুতর পর্যায়ে ছিলেন। তাই সাধারণ মানুষের আতঙ্কিত হওয়ার কোনও কারণ নেই।
ভারতের কোভিড পরিসংখ্যান
এখনও পর্যন্ত পাওয়া তথ্য অনুসারে, এখন ভারতে সক্রিয় কোভিড-১৯ আক্রান্তের সংখ্যা ২৫৭ জন , যা দেশের বিশাল জনসংখ্যা বিবেচনায় খুবই কম। এই আক্রান্তদের প্রায় সকলেই মৃদু, হাসপাতালে ভর্তির প্রয়োজন নেই।






















