Dharmendra Pradhan: ইস্তফা দিলেন কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান
Dharmendra Pradhan Resigned: 'গত ১০দিনের ঘটনাক্রম দেখে আমার মন ভারাক্রান্ত। ভারতীয় যুব শক্তিই দেশের আসল শক্তি', শিক্ষামন্ত্রীর পদে ইস্তফা দিয়ে পোস্ট ধর্মেন্দ্র প্রধানের।

নয়াদিল্লি : ধর্মেন্দ্র প্রধানের ইস্তফা। কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগ। NEET-এর প্রশ্ন ফাঁসকাণ্ডে ইস্তফা। CJP-র সঙ্গে বৈঠকের ঠিক আগে পদত্যাগ। প্রবল চাপের মুখে অবশেষে ধর্মেন্দ্র প্রধানের ইস্তফা। 'গত ১০দিনের ঘটনাক্রম দেখে আমার মন ভারাক্রান্ত। ভারতীয় যুব শক্তিই দেশের আসল শক্তি', শিক্ষামন্ত্রীর পদে ইস্তফা দিয়ে পোস্ট ধর্মেন্দ্র প্রধানের। প্রবল চাপের মুখে শেষ পর্যন্ত কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রীর ইস্তফা। ককরোচ জনতা পার্টির ৩টি দাবিই মেনে নিল কেন্দ্র। ইস্তফা দিতেই হবে কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রীকে, মূল দাবিই ছিল CJP-র।
NEET-এর প্রশ্ন ফাঁসকাণ্ডে দেশের বিভিন্ন প্রান্তে চলছে প্রতিবাদ। ককরোচ জনতা পার্টির তিনটি দাবির মধ্যে মূল দাবি ছিল NEET-এর প্রশ্ন ফাঁসের ঘটনায় দায় স্বীকার করে ইস্তফা দিতে হবে কেন্দ্রীয় ধিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানকে। শেষ পর্যন্ত তাই-ই হয়েছে। পদত্যাগ করেছেন ধর্মেন্দ্র প্রধান। নরেন্দ্র মোদি সরকারের আমলে এই প্রথম ইস্তফা দিলেন কোনও কেন্দ্রীয় মন্ত্রী। ছাত্র আন্দোলনের ব্যাপ্তি যেভাবে ক্রমশ বাড়ছিল, তাতে খানিকটা চাপের মুখেই নতি স্বীকার করেছেন কেন্দ্রীয় শিক্ষা মন্ত্রী। ধর্মেন্দ্র প্রধানের ইস্তফার পর ককরোচ জনতা পার্টির তরফে বলা হয়েছে, 'আমরা করে দেখিয়েছি। গণতন্ত্রের জয় হয়েছে।' ২ মিনিটের নীরবতাও পালন করা হয়েছে ককরোচ জনতা পার্টির তরফে।
ধর্মেন্দ্র প্রধানের ইস্তফার পর ককরোচ জনতা পার্তির তরফে অভিজিৎ দীপকে বলেছেন, 'ভয় না পেলে, সরকারের সামনে না ঝুঁকলে, অনেকের ইস্তফাই পাওয়া যাবে। আমরা আরশোলা, একবার ঢুকলে, বেরোয় না। আরও দাবি আছে। এমনিই চলে যাব না। যে বাচ্চারা আত্মহত্যা করেছে তাদের পরিবারকে ১ কোটি টাকা ক্ষতিপূরণ দিতে হবে। অমিত শাহ এবং মোদির নামে যে লাঠি চালিয়েছে দিল্লি পুলিশ... আরশোলার সঙ্গে লড়তে এসো না। মন্ত্রীর ইস্তফা নিয়েছি, তাহলে তোমরা কী? পড়ুয়াদের নামে যেসব মামলা আছে তা তুলতে হবে। সকলকে বলছি এটাই আসল গণতন্ত্র।'
— Dharmendra Pradhan (@dpradhanbjp) July 25, 2026
প্রবল চাপের মুখে শেষ পর্যন্ত কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রীর ইস্তফা। 'আমি কখনই দায়িত্ব থেকে মুখ ফিরিয়ে নিইনি। প্রধানমন্ত্রীর কাছে পদত্যাগপত্র পাঠিয়েছি। দেশবিরোধী শক্তি যাতে পরিস্থিতির ফায়দা তুলতে না পারে, দেশকে এক রাখতেই আমার এই ইস্তফা', পদত্যাগের পর পোস্ট ধর্মেন্দ্র প্রধানের। গত কয়েকদিন ধরে ক্রমাগত বাড়ছিল ছাত্র আন্দোলনের ঢেউ। সংসদের ভিতরে-বাইরে চড়ছিল উত্তাপ। শুধু দিল্লির যন্তর মন্তর নয়, দেশের বিভিন্ন প্রান্তে NEET-এর প্রশ্ন ফাঁসকাণ্ডের প্রতিবাদে আন্দোলনের ঢেউ উঠেছিল। অবশেষে চাপের কাছে নতি স্বীকার করেছেন ধর্মেন্দ্র প্রধান। ইস্তফা দিয়েছেন তিনি।























