Dharmatala Protest: স্কুলের গণ্ডি পেরিয়েছে কিনা সন্দেহ... বেশভূষা দেখলেই বোঝা যাচ্ছে..., ধর্মতলায় ধন্ধুমার, কী বলছেন কৌস্তভ বাগচী
NEET Paper Leak: কৌস্তভ বাগচী বলেছেন, 'যারা মূলত আক্রমণ করেছে, দূরদূরান্তে তারা স্কুলের গণ্ডি পেরিয়েছে কিনা তা নিয়ে আমার সন্দেহ রয়েছে। বেশভূষা দেখলে বোঝা যাচ্ছে যে কারা আক্রমণ করেছে।'

কলকাতা : NEET- এর প্রশ্নপত্র ফাঁস নিয়ে উত্তাল গোটা দেশ। শুক্রবার ২৪ জুলাই প্রতিবাদ হয়েছে কলকাতাতেও। আর সেই সময়েই ধর্মতলা চত্বরে কার্যত ধুন্ধুমার হয়েছে। বিক্ষোভকারীদের একাংশের হাতে আক্রান্ত হয়েছে সংবাদমাধ্যম। বেধড়ক মার খেতে হয়েছে সাংবাদিকদের, ক্যামেরাম্যানদের। এই ঘটনার তীব্র নিন্দা করেছেন সমাজের প্রায় সবস্তরের মানুষই। যারা গতকালের বিক্ষোভ কর্মসূচিতে যারা আক্রমণ চালিয়েছে তাদের নিয়ে রাজ্যের শিল্পমন্ত্রী তাপস রায় বলেছেন, 'এরা বেসিক্যালি আন্দোলনকারীও নয়, রাজনৈতিক কর্মীও নয়, আর এদের সঙ্গে কোনও বিদ্যালয়, কলেজের সম্পর্ক নেই, এরা ছাত্র নয়। এরা সাংবাদিকদের কী জানে না... খায় না মাথায় দেয় জানে না... ফলের সাংবাদিকদের চেনেও না, তাই যা করার করেছে।'
অন্যদিকে ব্যারাকপুরের বিজেপি বিধায়ক কৌস্তভ বাগচী বলেছেন, 'যারা মূলত আক্রমণ করেছে, দূরদূরান্তে তারা স্কুলের গণ্ডি পেরিয়েছে কিনা তা নিয়ে আমার সন্দেহ রয়েছে। বেশভূষা দেখলে বোঝা যাচ্ছে যে কারা আক্রমণ করেছে। মূলত কলকাতার পার্কসার্কাস, খিদিরপুর, মেটিয়াবুরুজ এইসব জায়গা থেকে মূলত অধিকাংশ আন্দোলনকারী, বিক্ষোভকারীরা এসেছে। আমি মনে করি দেশবিরোধীরা নিজেদের রাজনৈতিক স্বার্থ চরিতার্থ করার জন্য এইসব কার্যকলাপ করেছে।'
ইস্তফা দিলেন কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান
আজ বিধানসভায় মুখ্যমন্ত্রীর কড়া বার্তা
ধর্মতলায় NEET বিক্ষোভে তুলকালাম, রাজ্যে প্রথম গুন্ডাদমন আইন প্রয়োগ। বিধানসভায় মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী বলেছেন, 'ধর্মতলাকাণ্ডে দায়ের মামলাগুলিতে গুন্ডাদমন আইন প্রয়োগ করা হয়েছে। হেয়ার স্ট্রিট থানা ও এন্টালিতে ৭টি মামলা দায়ের হয়েছে। ৭০ জনকে চিহ্নিত করা হয়েছে, তাঁদের কেউই ছাত্র নয়। রাজাবাগানের আফরোজ, খিদিরপুরের নাহিদ, মোমিনপুরের তনভির ও ইকবাল, ওয়াটগঞ্জের রাহুল জামাল। পাঁচ জনের নাম বললাম, এদের এমন শিক্ষা দেব, ৩ পুরুষ মনে রাখবে।'
ধর্মতলায় ধুন্ধুমার, বিধানসভায় কড়া অবস্থান মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর। মুখ্যমন্ত্রী বলেছেন, 'পুলিশকে নির্দেশ দেওয়া ছিল, গণতান্ত্রিক দেশ, যে কেউ তাঁর মতপ্রকাশ করতে পারে। সরকারের নির্দেশ ছিল নিয়ন্ত্রণের বাইরে না গেলে কোনওরকম বলপ্রয়োগ করা যাবে না। কিছু বাম ও SUCI-এর ছাত্র সংগঠন, যাদের কলেজে অস্তিত্ব নেই, তারাও আন্দোলনে ঢুকে পড়ে। মিছিল শান্তিপূর্ণভাবেই এগোচ্ছিল, পুলিশের হিসাব ছিল ৯ হাজারের মতো লোক হবে। ডোরিনা ক্রসিংয়ে আসার পর জুতো ও বোতল দিয়ে আক্রমণ শুরু করে। তবে পুলিশ সংযত ছিল, পুলিশের যাঁরা ডিউটিতে ছিলেন, তাঁদের ধন্যবাদ। হেয়ার স্ট্রিট থানা ও এন্টালিতে ৭টি মামলা দায়ের হয়েছে।'























