US-Iran Ceasefire: ইরানকে অত্যাধুনিক অস্ত্রশস্ত্র সরবরাহ? এবার চিনকে হুঁশিয়ারি ট্রাম্পের
Donald Trump Warns China: চিন কি ইরানকে অশ্ত্রশস্ত্র সরবরাহ করছে? শোরগোলের মধ্যেই বেজিংকে সতর্ক করলেন ডোনাল্ড ট্রাম্প।

নয়াদিল্লি: ইরানের সঙ্গে ‘শান্তি-বৈঠক’ চলছে। সেই আবহেই চিনকে হুঁশিয়ারি। ইরানকে অস্ত্র সরবরাহ করলে ফল ভাল হবে না বলে জানিয়ে দিলেন আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। ইরানের সঙ্গে এই মুহূর্তে দুই সপ্তাহব্যাপী যুদ্ধবিরতি চলছে। কিন্তু শেষ পর্যন্ত শান্তিচুক্তি হবে কি না, দুই দেশ সমঝোতায় উপনীত হবে কি না, তা নিয়েও আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। (Donald Trump Warns China)
পাকিস্তানের ইসলামাবাদে আমেরিকা এবং ইরানের মধ্যে ‘শান্তি-বৈঠক’ চলছে। প্রথম দিনের আলোচনায় সমাধানসূত্র বেরোয়নি। দ্বিতীয় দিনও দফায় দফায় আলোচনা হবে বলে খবর। সেই নিয়ে কাটাছেঁড়ার মধ্যেই হোয়াইট হাউস থেকে মায়ামি যাওয়ার সময় চিনকে সতর্ক করলেন ট্রাম্প। তাঁর কথায়, “চিন যদি এটা করে (ইরানকে অস্ত্র সরবরাহ), তাহলে ওদের জন্য বড় সমস্যায় পড়তে হবে।” (US Iran Ceasefire)
চিনের কাছ থেকে ইরান নয়া প্রতিরক্ষা প্রযুক্তি পেতে চলেছে বলে সম্প্রতি গোয়েন্দা সূত্রে খবর মেলে। আগামী কয়েক সপ্তাহের মধ্যেই ইরানের হাতে ওই প্রযুক্তি উঠবে বলে জানায় CNN. তৃতীয় কোনও দেশের মাধ্য়মে ওই প্রযুক্তি চিনে পৌঁছে দেওয়া হবে বলে দাবি করে তারা। সেই নিয়েই আমেরিকার প্রেসিডেন্টের প্রতিক্রিয়া চাওয়া হয়েছিল। তাতেই চিনকে সতর্ক করলেন তিনি।
চিন যদিও আগেই ইরানকে অস্ত্র সরবরাহের কথা অস্বীকার করেছে। ওয়াশিংটনে চিনের দূতাবাস থেকে বিবৃতি দিয়ে বলা হয়, “এই সংঘাতে কোনও পক্ষকে অস্ত্র জোগানো হয়নি।” আমেরিকার এই ধরনের ‘ভিত্তিহীন অভিযোগ’ তোলা উচিত নয়, ‘উত্তেজনা সৃষ্টি করা’ উচিত নয় বলেও জানায় বেজিং। মে মাসেই চিন সফরে যাওয়ার কথা ট্রাম্পের। সেখানে প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের সঙ্গে বৈঠক রয়েছে তাঁর। ইরানকে সহযোগিতার বিষয়টি বৈঠকে উত্থাপিত হয় কি না, সেদিকে তাকিয়ে আন্তর্জাতিক মহল।
এখনও পর্যন্ত ইরানের উপর আমেরিকার নিষেধাজ্ঞা কার্যকর রয়েছে। সেই আবহে চিন এবং রাশিয়ার সঙ্গে সম্পর্ক মজবুত হয়েছে তেহরানের। চিন এবং রাশিয়া তাদের অর্থনৈতিক ভাবেও সহযোগিতা করছে। CNN-এর দাবি, ইরানকে সামরিক সাহায্য়ও জোগাচ্ছে চিন। আকাশে ক্ষেপণাস্ত্র ধ্বংস করার প্রযুক্তি MANPADS সরবরাহ করতে চলেছে তারা। আমেরিকার প্রতিরক্ষা বিশেষজ্ঞদের একাংশ আবার দাবি করছেন যে, ইতিমধ্যেই ওই প্রযুক্তি পৌঁছে গিয়েছে ইরানের হাতে। আমেরিকা এবং ইজ়রায়েলের আক্রমণ ঠেকাতে ওই প্রযুক্তি ব্যবহার করেছে তেহরান। ইরানের তরফে স্পষ্ট ভাবে কিছু জানানো হয়নি এ নিয়ে। তবে আমেরিকার যুদ্ধবিমান নামানোর পর ‘নতুন, অত্যাধুনিক প্রতিরক্ষা প্রযুক্তি’ ব্যবহারের কথা জানিয়েছিল তারা।
শেষ পর্যন্ত আমেরিকার এবং ইরানের মধ্যে সমঝোতা হয় কি না, এই মুহূর্তে সকলের নজর সেদিকেই। ট্রাম্প যদিও বলেন, “চুক্তি হলে হবে, না হলে না হবে। কিছু যায় আসে না।” তবে আমেরিকাও যে যুদ্ধবিরতিতে আগ্রহী, সেকথা মানছেন কূটনীতিকরা। যে কারণে ট্রাম্প নিজের জামাতা জ্যারেড কুশনারকেও মাঠে নামিয়েছেন বলে দাবি তাঁদের।
Before You Go
Baruipur News | বারুইপুরে কিশোরীকে খুন, ধর্ষণের অভিযোগ, রিপোর্ট তলব জাতীয় মহিলা কমিশনের























