S Jaishankar : ভারতের বিরুদ্ধে বড়সড় চক্রান্ত ? 'গ্রেটার বাংলাদেশের' ম্যাপ প্রদর্শনী ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ? পিছনে তুরস্কের NGO ?
External Affairs Minister : দেশের জাতীয় নিরাপত্তার প্রশ্ন জড়িয়ে থাকায় বিষয়টিতে নজর রেখেছে সরকার। এই সংক্রান্ত নিরাপত্তার জন্য যাবতীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন বিদেশমন্ত্রী।

নয়াদিল্লি : ভারতের বিরুদ্ধে ফের বড়সড় চক্রের হদিশ ? ভারত সরকারের নজরে ঢাকার ইসলামিক গ্রুপ 'সালতনাত-ই-বাংলা'। তুরস্কের একটি NGO 'Turkish Youth Federation'-এর পৃষ্ঠপোষক। তাদের ‘Greater Bangladesh’-এর একটি ম্যাপ পাওয়া গেছে, যার অংশ হিসাবে রয়েছে ভারতের কিছু অংশ। এমনই জানালেন কেন্দ্রীয় বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর। রাজ্যসভায় কংগ্রেস সাংসদ রণদীপ সিং সূরযেওয়ালার প্রশ্নের জবাবে লিখিত আকার বিদেশমন্ত্রীর জানিয়েছেন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ওই ম্যাপ দেখানোও হয়েছে। দেশের জাতীয় নিরাপত্তার প্রশ্ন জড়িয়ে থাকায় বিষয়টিতে নজর রেখেছে সরকার। এই সংক্রান্ত নিরাপত্তার জন্য যাবতীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন বিদেশমন্ত্রী। "সরকার এমন একটি খবরের দিকে নজর রেখেছে যেখানে ঢাকার একটি ইসলামপন্থী গ্রুপ 'সালতানাত-ই-বাংলা', যা 'তুর্কি যুব ফেডারেশন' নামে তুরস্কের একটি এনজিও দ্বারা মদতপুষ্ট, তথাকথিত 'বৃহত্তর বাংলাদেশ'-এর একটি মানচিত্র প্রকাশ করেছে, যাতে ভারতের কিছু অংশ অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে মানচিত্রটি প্রদর্শিত হয়েছে।" এক বিবৃতিতে এমনই জানিয়েছেন বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর।
বিবৃতিতে সংযোজন করা হয়েছে, "বাংলাদেশ সরকারের ফ্যাক্ট-চেকার প্ল্যাটফর্ম, 'বাংলাফ্যাক্ট' দাবি করেছে যে বাংলাদেশে 'সালতানাত-ই-বাংলা'র কার্যক্রমের কোনও প্রমাণ নেই। এটি আরও স্পষ্ট করেছে যে 'মানচিত্র'টি তথাকথিত পূর্ববর্তী বাংলার সালতানাতের উল্লেখ করে একটি ঐতিহাসিক প্রদর্শনীতে প্রদর্শিত হয়েছিল।"
বিদেশ মন্ত্রকের বিবৃতিতে বলা হয়েছে যে, প্রশ্নের মুখে পড়া মানচিত্রটি ২০২৫ সালের ১৪ এপ্রিল পয়ল বৈশাখ উপলক্ষে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে আয়োজিত একটি প্রদর্শনীতে প্রদর্শিত হয়েছিল। প্রদর্শনীর আয়োজকরা কোনও বিদেশি রাজনৈতিক সত্তার সঙ্গে কোনও সংযোগের কথা অস্বীকার করেছেন। প্রসঙ্গত, সূরযেওয়ালা সরকারের কাছে তুরস্ক সমর্থিত বাংলাদেশের একটি উগ্রপন্থী গোষ্ঠী সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে চেয়েছিলেন। যাতে ভারতীয় ভূখণ্ডের কিছু অংশ অন্তর্ভুক্ত করে একটি 'বৃহত্তর বাংলাদেশ' মানচিত্র প্রচার জড়িত। কংগ্রেস নেতা প্রশ্ন তোলেন যে, সরকার কি বাংলাদেশ সরকারের কাছে কূটনৈতিকভাবে বিষয়টি উত্থাপন করেছে এবং সরকার কি বাংলাদেশে তুরস্ক ও পাকিস্তানি সুসম্পর্কের নিরাপত্তাগত প্রভাব মূল্যায়ন করেছে?
প্রসঙ্গত, শেখ হাসিনার বাংলাদেশ ছাড়ার পর থেকে বাংলাদেশে মাথাচাড়া দিয়েছে ভারত-বিরোধী কার্যকলাপ। সাম্প্রতিক সময়ে বাংলাদেশের একাধিক রাজনৈতিক নেতা ভারতের উদ্দেশে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন। এমনকী বাংলাদেশে সংখ্যালঘু হিন্দু নিপীড়নের একের পর এক অভিযোগও সামনে এসেছে। এসব ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়েছে ভারত। তবে, বাংলাদেশের চুনোপুঁটি নেতারা তর্জন-গর্জন করলেও, তাঁরা খুব ভালো করেই জানেন ভারতের ক্ষমতা। যেমনটা সদ্য হাড়েহাড়ে টের পেয়েছে পাকিস্তান। এমনই বলছে ওয়াকিবহাল মহল।






















