AC Blast: এসি ফেটে ভয়ঙ্কর বিস্ফোরণ ! পোষ্য কুকুর, কন্যাকে নিয়েই দমবন্ধ হয়ে মৃত্যু দম্পতির; জানালা দিয়ে লাফিয়ে বাঁচল ছেলে
Faridabad AC Blast: সেদিন ভোর দেড়টার দিকে চার তলা বাড়ির প্রথম তলায় এই বিস্ফোরণ ঘটে আর সঙ্গে সঙ্গে বাড়ির দোতলায় ধোঁয়ার কুণ্ডলী পাকিয়ে পাকিয়ে ওঠে। আর এই দোতলার ঘরেই ঘুমাচ্ছিলেন কাপুর পরিবারের তিন সদস্য।

ফরিদাবাদ: সোমবার হরিয়ানার ফরিদাবাদে একটি বাড়িতে এয়ার কন্ডিশনারের কম্প্রেসর ফেটে প্রবল বিস্ফোরণ ঘটে এবং দাউদাউ আগুন (AC Blast) ধরে যায় গোটা বাড়িতে। আর এই বিস্ফোরণেই একই পরিবারের তিন সদস্যের করুণ মৃত্যু হয়। ঘরের মধ্যে দমবন্ধ হয়ে মারা যান দম্পতি ও তাদের এক কন্যা। সঙ্গে ঘরে থাকা তাদের পোষ্য কুকুরটিও মারা গিয়েছে এভাবেই। তদন্তে জানা গিয়েছে মৃত দম্পতির নাম যথাক্রমে শচীন কাপুর, তাঁর স্ত্রী রিঙ্কু কাপুর আর তাদের মেয়ে সুজন কাপুর।
সেদিন ভোর দেড়টার দিকে চার তলা বাড়ির প্রথম তলায় এই বিস্ফোরণ ঘটে আর সঙ্গে সঙ্গে বাড়ির দোতলায় ধোঁয়ার কুণ্ডলী পাকিয়ে পাকিয়ে ওঠে। আর এই দোতলার ঘরেই ঘুমাচ্ছিলেন কাপুর পরিবারের তিন সদস্য। এই ঘটনার সময় বাড়ির প্রথম তলাটি খালি ছিল, কেউ ছিলেন না সেখানে বলেই জানা যাচ্ছে। তদন্তে জানা গিয়েছে যে শচীন কাপুরের বয়স ৪৯, তাঁর স্ত্রীর বয়স ৪৮ এবং তাদের কন্যার বয়স ছিল মাত্র ১৩ বছর। তাদের এক ছেলে যে জানালা দিয়ে লাফ মেরেছিল, তাঁর নাম জানা গিয়েছে আরিয়ান কাপুর। ২৪ বছর বয়সী এই তরুণ বেঁচে যান এই ভয়ানক দুর্ঘটনার হাত থেকে।
ধোঁয়ায় গোটা ঘর ভরে গিয়েছিল, সারা বাড়ির বাইরে দিয়েও ধোঁয়া (AC Blast) পাকিয়ে পাকিয়ে উঠছিল। এই কারণে দমবন্ধ হয়ে আসছিল শচীন, তাঁর স্ত্রী ও মেয়ের। সেই দোতলাতেই একটি অন্য ঘরে তাঁর ছেলে শুয়ে ঘুমাচ্ছিল। অবস্থা বেগতিক দেখে নিজেকে বাঁচাতে সেই ছেলেটি জানালা দিয়ে লাফ দিয়ে নিচে পড়ে। তাঁর অবস্থাও খুব গুরুতর এখন। প্রতিবেশিদের মতে এক বিরাট বিস্ফোরণের শব্দে তাদের ঘুম ভেঙে গিয়েছিল। সংবাদমাধ্যমে তারা জানিয়েছেন যে এই শব্দ শুনেই তারা বাড়িটির দিকে ছুটে যান এবং সেখানকার বাসিন্দাদের উদ্ধার করার চেষ্টা করতে থাকেন। পুলিশ জানিয়েছে তারা ঘর ছেড়ে ছাদে যাওয়ার চেষ্টা করেছিলেন, কিন্তু তাদের ছাদের দরজা তালা দেওয়া ছিল আর সেই কারণে দমবন্ধ হয়েই তাদের মৃত্যু ঘটেছে।
তাদের কথা থেকে জানা গিয়েছে ৭ জনের একটি পরিবার এই বাড়ির চারতলায় থাকত। আর বাড়ির তিনতলায় শচীন কাপুর নামে সেই মৃত ব্যক্তির অফিস ছিল। ঘটনার পরে পরেই দমকল ও পুলিশ উদ্ধারকার্যে চলে আসেন প্রতিবেশিদের তৎপরতায়। পরিবারের তিনজনকে উদ্ধার করে স্থানীয় হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয় এবং সেখানেই তাদের মৃত বলে ঘোষণা করা হয়।






















