Food Poisoning : জন্মদিনের কেকে মরা টিকটিকি, খেয়েই হাসপাতালে ৭ শিশু ৪ মহিলা
Lizard In Birthday Cake : দ্রুত হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছে আক্রান্তদের। এক কেক খেয়েই এই পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে মহারাষ্ট্রে।

Lizard In Birthday Cake : উৎসবের আনন্দ বদলে গেল আশঙ্কায়। জন্মদিনের অনুষ্ঠানে পলকেই উঠল কান্নার রোল। একে একে পেট ব্য়থায় কাতরাতে শুরু করল শিশুরা। কিছুক্ষণের মধ্যেই একই পরিস্থিতি হল মহিলাদেরও। দ্রুত হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছে আক্রান্তদের। এক কেক খেয়েই এই পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে মহারাষ্ট্রে।
পেটে বুকে ব্য়থা বুঝতে পেরেই ছুট হাসপাতালে
হাসাপাতাল সূত্রে খবর, জন্মদিনের কেক থেকেই এই পরিস্থিতি তৈরি হয়। কেক খাওয়ার কিছুক্ষণের মধ্যেই শিশু ও মহিলাদের অনেকেরই পেটে ও বুকে ব্যথা শুরু হয়। মহারাষ্ঠের নালা সোপারায় ঘটেছে এই ঘটনা। পরে দেখা যায়, জন্মদিনের কেকে মরা টিকটিকি রয়েছে। যা দেখে আরও আতঙ্ক গ্রাস করে অতিথিদের মধ্যে। এই ঘটনা বেকারি প্রোডাক্টের খাদ্য় সুরক্ষা ও মান নিয়ে প্রশ্ন তুলে দিয়েছে। হাসপাতালের চিকিৎসকরা অবশ্য জানিয়েছেন, এখন সবার অবস্থা স্থিতিশীল।
মহারাষ্ট্রে খাদ্য় সুরক্ষা নিয়ে এখন মারাত্মক অভিযোগ বাড়ছে
সম্প্রতি রাজ্য়ে ব্লিঙ্কইটের স্টোর নিয়ে বড় অভিযোগ ওঠে। যেখানে ব্লিঙ্কইটের (Blinkit) স্টোরে বেহাল দশার জেরে সাসপেন্ড করে দেওয়া হয়েছে মালাড স্টোরের লাইসেন্স। স্বাভাবিকভাবেই এক সময়ের ভরসার এই ডেলিভারি অ্যাপের পরিষেবা ঘিরেই উঠে গেল প্রশ্ন।
দেশে অনলাইন ডেলিভারি অ্য়াপের নাম উঠেলেই ওপরের দিকে নাম আসে Blinkit-এর। যদিও মহারাষ্ট্রে এই কোম্পানির স্টোর দেখতে গিয়েই চোখ কপালে উঠেছে আধিকারিকদের। খাদ্য় সুরক্ষা আইন না মেনে চলতেই সাসপেন্ড করা হয়েছে Blink Commerce Pvt. Ltd-এর লাইসেন্স। সম্প্রতি মহারাষ্ট্রে খাদ্য় সুরক্ষা নিয়ে অভিযান চালিয়ে যাচ্ছেন আইএস অফিসার তুকারাম মুন্ডে। তার উদ্য়োগেই বিভিন্ন খাবার স্টোর, রেস্তোরাঁয় অভিযান চালাচ্ছে রাজ্য় সরকারের কর্মীরা। যার ফলস্বরূপ এবার লাইসেন্স সাসপেন্ড হল ব্লিঙ্কিটের।
খাবার জায়গায় আরশোলা, মেয়াদ উত্তীর্ণ পণ্য স্টোরে
গত ৭ অগাস্ট মালাডের ব্লিঙ্কইটের স্টোরে অভিযান চালায় ফুড অ্যান্ড ড্রাগ অ্যাডমিনিস্ট্রেশন (FDA)-এর গ্রেটার মুম্বই ডিপার্টমেন্ট। যেখানে ফল, সবজির ওপর আরশোলা ঘুরে বেড়াতে দেখেন আধিকারিকরা। অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে পড়েছিল খাবার পণ্য। মরচে পড়া র্যাকে রাখা ছিল খাবার আইটেম। অনেক জায়গায় মাটিতে পড়েছিল প্রোডাক্ট। কোল্ড স্টোরেজে পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতার অভাব ছিল যথেষ্ট। প্রোডাক্টের মেয়াদ দেখে রাখা হয়নি জিনিসগুলি। যার অর্থ 'ফার্স্ট এক্সপায়ার্ড-ফার্স্ট আউট'(FEFO) নীতি মানা হচ্ছিল না স্টোরে। কোনও পণ্য়ে লিক বেরোলে সেগুলির জন্যও আলাদা কোনও ফুড পলিসি মানা হয়নি।























